
অনলাইন শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
### ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি শুনাক ২০২২ এর অক্টোবর থেকে ২০২৪ এর জুলাই পর্যন্ত ছিলেন । অন্যদিকে ২২ এবং ২৩ ছিলো বিএনপির আন্দোলনের সময় । তো সেই সময় জনাব হুমায়ুন কবীর জনাব তারেক রহমানের ফরেন অ্যাডভাইজর এর দায়িত্ব পালন করার পর ওভারটাইম করেছেন ঋষি সুনাকের ক্যাবিনেটে, তাও আবার মিনিস্ট্রি অফ জাস্টিস এর কখনও অ্যাডভাইসর হিসেবে , কখনও মন্ত্রীর প্রাইভেট সেক্রেটারি হিসেবে ?? কোন লেভেলের চাপাবাজ হলে এমন গল্প মারে এবং বাংলাদেশের ফরেন মিনিস্ট্রি সেটা আবার প্রচার করে ? ফাহাম আব্দুস সালাম ভাই এর ভাষায় বলতে হয় , হোয়াট এ ডেস্পিকেবল মাদার চো * !
## ব্রিটিশ সরকারের এমন ঠেকা হইছে যে অন্য দেশের রাজনৈতিক উপদেষ্টাকে টেনে এনে তাদের দেশের মন্ত্রীর অ্যাডভাইজর করা বা প্রাইভেট সেক্রেটারি করা ! জনগণ ধৈঞ্চা?
মিনিস্ট্রি অফ ফরেন এফেয়ার্স বা ফরেন মিনিস্ট্রির ওয়েবসাইটে স্টেট মিনিস্টার ১ , ব্রিটিশ নাগরিক হুমায়ুন কবিরের যে বায়োডাটা টাঙ্গানো হয়েছে তার অনেক বড় অংশ এরকম মিথ্যা দিয়ে সাজানো ।
অনেকগুলো মিথ্যাচারের মধ্যে আজকে কেবল একটা অংশের দিকে দৃষ্টি দিচ্ছি:
ব্রিটিশ নাগরিক জনাব হুমায়ুন কবির একটা অনলাইন পোর্টাল এ লিখায়ছেন যে উনি ছিলেন মিনিস্ট্রি অফ জাস্টিস এর অ্যাডভাইজর , আরেকটি পোর্টালে লিখা – প্রাইভেট সেক্রেটারি 


গুলায় ফেলছে 


মিনিস্ট্রি অফ জাস্টিসের প্রাইভেট সেক্রেটারি বা অ্যাডভাইজর উনি ছিলেন না । যারা অ্যাডভাইজর ছিলেন তাদের ছবি ভিডিও তে সংযুক্ত করেছি । এবং প্রাইভেট সেক্রেটারি হিসেবে Matthew Sally , Matt Elvis সহ কয়েকজন সিনিয়র অফিসিয়ালের নাম মিনিস্ট্রি অফ জাস্টিস এর ওয়েবসাইট এ রয়েছে।
ব্রিটিশ সরকারের এমন কি প্রয়োজন পড়েছে যে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলের একজন অ্যাডভাইসর কে উনারা উনাদের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের অ্যাডভাইজর বা মন্ত্রীদের প্রাইভেট সেক্রেটারি বানাবে ? কোন যুক্তিতে ? তারপরও যদি জনাব হুমায়ুন কবির সাহেব সিনিয়র পজিশনের দায়িত্বে থাকেন তাহলে সরকারি নথি পত্রে তার নাম নাই কেন অথবা অন্য সিনিয়র অফিসাররা উনাকে চিনেন না কেন ?অসমাপ্ত বিপ্লবের করুন পরিণতি জাতি ভোগ করছে :
Taslima Taz Lima Khatoon’s Post
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।





















