শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সভাপতি মো. ইয়াকুব আলী এসব অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে বিপ্লব, সোলেমান দেওয়ান, ফারুক হোসেন, মহাব্বত আলী, মাভেল ভূঁইয়া, তৈয়ব আলী, আলমগীর হোসেন, শামীম ও মজিবর রহমানের নাম উল্লেখ করা হয়। সংগঠনটির ভাষ্য, এসব ব্যক্তিসহ প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জন স্ট্যান্ড দখল এবং ফুটপাত থেকে চাঁদা আদায়ের চেষ্টায় জড়িত।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইয়াকুব আলীর শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার চিকিৎসার কাগজপত্র ও চিকিৎসা প্রতিবেদনও তাদের কাছে সংরক্ষিত আছে বলে দাবি করা হয়।
হামলার বিষয়ে অভিযোগ জানাতে দারুস সালাম থানায় গেলেও ইয়াকুব আলীর অভিযোগ নেওয়া হয়নি বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়। সংগঠনটির ভাষ্য অনুযায়ী, এর আগে তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছিল। তবে আদালতের কার্যক্রম শেষে তিনি মুক্তি পান বলে দাবি করেন তারা।
ইয়াকুব আলী বলেন, অভিযোগের পক্ষে আমাদের কাছে ভিডিও ফুটেজ, চিকিৎসার নথি এবং অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ রয়েছে। নিরপেক্ষ তদন্তকারী সংস্থার কাছে এসব উপকরণ দিতে প্রস্তুত আমরা। ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, সিসিটিভি ফুটেজসহ সংশ্লিষ্ট সব তথ্য পরীক্ষা করার আহ্বান জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে পাঁচটি লেগুনা স্ট্যান্ড দখলের অভিযোগ তদন্ত করে দায়ীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার, অস্ত্র প্রদর্শন ও চাঁদা দাবির অভিযোগে আইনগত ব্যবস্থা এবং থানায় অভিযোগ গ্রহণ না করার বিষয়টি খতিয়ে দেখার দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে লেগুনার মালিক ও চালকেরা যাতে নিরাপদে তাদের কার্যক্রম চালাতে পারেন, সে পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।
সংগঠনটির নেতারা বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা সামাজিক প্রভাব কোনোভাবেই তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ায় বাধা হয়ে দাঁড়ানো উচিত নয়। তারা সংঘাত বা প্রতিশোধের পরিবর্তে নিরপেক্ষ তদন্ত, তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগ চান






















