, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

আইরিন খান কিছু অস্বস্তিকর প্রশ্ন!

  • প্রকাশের সময় : ০৬:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
  • ৯৫ পড়া হয়েছে

অনলাইন ১২ জুলাই, ২০২৬
জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন স্থায়ী প্রতিনিধি এবং কিছু অস্বস্তিকর প্রশ্ন!
আইরিন খানের জাতিসংঘের বিশেষ দূত (Special Rapporteur) হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন।তারও আগে তিনি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ‘অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল’-এর সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।সদ্য তিনি জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত হওয়ার ঘটনাটি বর্তমানে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। এই নিয়োগের পেছনে লুকিয়ে থাকা কিছু গুরুতর বিষয় আমাদের ভাবিয়ে তোলে:
মানবাধিকার ব্যক্তিত্ব আইরিন খান নিরব কেন?
বিগত প্রায় দুই বছর যাবৎ ইউনূস এবং তারেক রহমান সরকারের এই সময়েও বাংলাদেশে যখন ব্যাপক রাজনৈতিক অস্থিরতা, গণ-গ্রেপ্তার এবং গণমাধ্যমের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ চলছে, তখন মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বিষয়ক এই বৈশ্বিক পর্যবেক্ষক দৃশ্যত সম্পূর্ণ নীরব।আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনের বিশাল ব্যক্তিত্ব বাংলাদেশি ব্রিটিশ এই নাগরিকের(দ্বৈত নাগরিক) কোন সাড়াশব্দ পাওয়া যায়নি।আমরা ভাবছিলাম তিনি জীবিত আছেনতো?আজ জানা গেল জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত হওয়ার পর যে তিনি আছেন।যার কারণে প্রশ্ন আসে মানবাধিকার সংক্রান্ত কর্ম দেশে-বিদেশে ব্যবসা নাকি একটি মহৎকর্ম।
গুরুতর স্বার্থের সংঘাত (Conflict of Interest):
যিনি এতদিন একজন স্বাধীন আন্তর্জাতিক পরিদর্শক হিসেবে নিরপেক্ষভাবে মানবাধিকার রক্ষার কথা বলেছিলেন, তিনি রাতারাতি সরাসরি একটি রাষ্ট্রের পক্ষে ওকালতি করার দায়িত্ব নিলেন। এই রূপান্তর জাতিসংঘের মতো একটি বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা ও নৈতিকতাকেই বড়সড় প্রশ্নবিদ্ধ করে।
মেধা নাকি স্বজনপ্রীতি (Nepotism)?
সবচেয়ে বড় অভিযোগটি উঠেছে স্বজনপ্রীতির। আইরিন খান বর্তমান সরকার প্রধানের স্ত্রী জোবাইদা রহমানের আপন চাচাতো বোন। এই সরাসরি পারিবারিক সংযোগটি স্পষ্ট করে দেয় যে—মেধা, যোগ্যতা বা নিরপেক্ষতার চেয়ে ক্ষমতার শীর্ষ মহলের সাথে ঘনিষ্ঠতাই এখানে বড় কূটনৈতিক পদ পাওয়ার মূল মাপকাঠি হিসেবে কাজ করেছে।
আইরিন খানের এই পদায়ন এটিই প্রমাণ করে যে, কীভাবে ব্যক্তিগত রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং পারিবারিক আনুগত্যের কাছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের সার্বজনীন ম্যান্ডেট ও নৈতিকতা ক্ষুণ্ন হতে পারে।
আপনার মতামত কী? কমেন্টে জানান। 👇

Sazzad Kadir’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

 

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

আইরিন খান কিছু অস্বস্তিকর প্রশ্ন!

প্রকাশের সময় : ০৬:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

অনলাইন ১২ জুলাই, ২০২৬
জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন স্থায়ী প্রতিনিধি এবং কিছু অস্বস্তিকর প্রশ্ন!
আইরিন খানের জাতিসংঘের বিশেষ দূত (Special Rapporteur) হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন।তারও আগে তিনি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ‘অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল’-এর সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।সদ্য তিনি জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত হওয়ার ঘটনাটি বর্তমানে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। এই নিয়োগের পেছনে লুকিয়ে থাকা কিছু গুরুতর বিষয় আমাদের ভাবিয়ে তোলে:
মানবাধিকার ব্যক্তিত্ব আইরিন খান নিরব কেন?
বিগত প্রায় দুই বছর যাবৎ ইউনূস এবং তারেক রহমান সরকারের এই সময়েও বাংলাদেশে যখন ব্যাপক রাজনৈতিক অস্থিরতা, গণ-গ্রেপ্তার এবং গণমাধ্যমের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ চলছে, তখন মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বিষয়ক এই বৈশ্বিক পর্যবেক্ষক দৃশ্যত সম্পূর্ণ নীরব।আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনের বিশাল ব্যক্তিত্ব বাংলাদেশি ব্রিটিশ এই নাগরিকের(দ্বৈত নাগরিক) কোন সাড়াশব্দ পাওয়া যায়নি।আমরা ভাবছিলাম তিনি জীবিত আছেনতো?আজ জানা গেল জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত হওয়ার পর যে তিনি আছেন।যার কারণে প্রশ্ন আসে মানবাধিকার সংক্রান্ত কর্ম দেশে-বিদেশে ব্যবসা নাকি একটি মহৎকর্ম।
গুরুতর স্বার্থের সংঘাত (Conflict of Interest):
যিনি এতদিন একজন স্বাধীন আন্তর্জাতিক পরিদর্শক হিসেবে নিরপেক্ষভাবে মানবাধিকার রক্ষার কথা বলেছিলেন, তিনি রাতারাতি সরাসরি একটি রাষ্ট্রের পক্ষে ওকালতি করার দায়িত্ব নিলেন। এই রূপান্তর জাতিসংঘের মতো একটি বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা ও নৈতিকতাকেই বড়সড় প্রশ্নবিদ্ধ করে।
মেধা নাকি স্বজনপ্রীতি (Nepotism)?
সবচেয়ে বড় অভিযোগটি উঠেছে স্বজনপ্রীতির। আইরিন খান বর্তমান সরকার প্রধানের স্ত্রী জোবাইদা রহমানের আপন চাচাতো বোন। এই সরাসরি পারিবারিক সংযোগটি স্পষ্ট করে দেয় যে—মেধা, যোগ্যতা বা নিরপেক্ষতার চেয়ে ক্ষমতার শীর্ষ মহলের সাথে ঘনিষ্ঠতাই এখানে বড় কূটনৈতিক পদ পাওয়ার মূল মাপকাঠি হিসেবে কাজ করেছে।
আইরিন খানের এই পদায়ন এটিই প্রমাণ করে যে, কীভাবে ব্যক্তিগত রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং পারিবারিক আনুগত্যের কাছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের সার্বজনীন ম্যান্ডেট ও নৈতিকতা ক্ষুণ্ন হতে পারে।
আপনার মতামত কী? কমেন্টে জানান। 👇

Sazzad Kadir’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।