, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

আওয়ামী লীগের ভেতরে থাকা ‘লাল বদর’ কারা?

  • প্রকাশের সময় : ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫৯ পড়া হয়েছে

অনলাইন বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আওয়ামী লীগের ভেতরে থাকা ‘লাল বদর’ কারা?
সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম একবার বলেছিলেন— ছাত্রলীগ থেকে যেমন তারকা নেতৃত্বের জন্ম হয়, তেমনি ছাত্রলীগ থেকেই মীরজাফরেরও জন্ম হয়।
কথাটির গভীরতা আজ আরও স্পষ্ট। একটি দলকে সব সময় বাইরের শত্রুরাই ধ্বংস করে না; অনেক সময় দলের ভেতরে লুকিয়ে থাকা সুবিধাবাদী, বিশ্বাসঘাতক ও স্বার্থান্বেষীরাই দলকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করে।
আওয়ামী লীগের দীর্ঘ পথচলায় এমন কিছু মানুষও ছিল, যারা দল ও নেতৃত্বের ছায়ায় বড় হয়েছে, কিন্তু সংকটের সময় দলের পাশে না দাঁড়িয়ে নিজেদের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েছে। বাইরের শত্রুর চেয়ে ভেতরের বিশ্বাসঘাতকই কখনো কখনো বেশি বিপজ্জনক।
এখন প্রশ্ন একটাই—
নেত্রী যদি ফিরে আসেন, তাহলে দলের ভেতরে থাকা এই ‘লাল বদর’দের কি ক্ষমা করা হবে?
বঙ্গবন্ধু অনেককে ক্ষমা করেছিলেন—কারণ তিনি বিশ্বাস করতেন, মানুষকে সংশোধনের সুযোগ দিতে হয়। কিন্তু ইতিহাস এটাও শেখায়, ক্ষমা আর পুরস্কার এক জিনিস নয়; ক্ষমা করা যায়, কিন্তু বিশ্বাসের দায়িত্ব আবারও তুলে দেওয়ার আগে হিসাব-নিকাশ করতেই হয়।
তাই সময়ের দাবি—
আবেগ নয়, প্রমাণের ভিত্তিতে বিচার হোক। যারা ভুল করেছে, তাদের সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হোক; আর যারা বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, তাদের ব্যাপারে দল যেন আর কখনো অন্ধ না হয়।
কারণ দলকে টিকিয়ে রাখতে শুধু শত্রু চেনাই যথেষ্ট নয়—
নিজের ঘরের ‘মীরজাফর’কেও চিনতে হয়।

ওসমান গনি সোহেল’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

আওয়ামী লীগের ভেতরে থাকা ‘লাল বদর’ কারা?

প্রকাশের সময় : ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনলাইন বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আওয়ামী লীগের ভেতরে থাকা ‘লাল বদর’ কারা?
সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম একবার বলেছিলেন— ছাত্রলীগ থেকে যেমন তারকা নেতৃত্বের জন্ম হয়, তেমনি ছাত্রলীগ থেকেই মীরজাফরেরও জন্ম হয়।
কথাটির গভীরতা আজ আরও স্পষ্ট। একটি দলকে সব সময় বাইরের শত্রুরাই ধ্বংস করে না; অনেক সময় দলের ভেতরে লুকিয়ে থাকা সুবিধাবাদী, বিশ্বাসঘাতক ও স্বার্থান্বেষীরাই দলকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করে।
আওয়ামী লীগের দীর্ঘ পথচলায় এমন কিছু মানুষও ছিল, যারা দল ও নেতৃত্বের ছায়ায় বড় হয়েছে, কিন্তু সংকটের সময় দলের পাশে না দাঁড়িয়ে নিজেদের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েছে। বাইরের শত্রুর চেয়ে ভেতরের বিশ্বাসঘাতকই কখনো কখনো বেশি বিপজ্জনক।
এখন প্রশ্ন একটাই—
নেত্রী যদি ফিরে আসেন, তাহলে দলের ভেতরে থাকা এই ‘লাল বদর’দের কি ক্ষমা করা হবে?
বঙ্গবন্ধু অনেককে ক্ষমা করেছিলেন—কারণ তিনি বিশ্বাস করতেন, মানুষকে সংশোধনের সুযোগ দিতে হয়। কিন্তু ইতিহাস এটাও শেখায়, ক্ষমা আর পুরস্কার এক জিনিস নয়; ক্ষমা করা যায়, কিন্তু বিশ্বাসের দায়িত্ব আবারও তুলে দেওয়ার আগে হিসাব-নিকাশ করতেই হয়।
তাই সময়ের দাবি—
আবেগ নয়, প্রমাণের ভিত্তিতে বিচার হোক। যারা ভুল করেছে, তাদের সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হোক; আর যারা বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, তাদের ব্যাপারে দল যেন আর কখনো অন্ধ না হয়।
কারণ দলকে টিকিয়ে রাখতে শুধু শত্রু চেনাই যথেষ্ট নয়—
নিজের ঘরের ‘মীরজাফর’কেও চিনতে হয়।

ওসমান গনি সোহেল’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।