, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী মহল

  • প্রকাশের সময় : ০১:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪৮ পড়া হয়েছে

অনলাইন শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আওয়ামিলীগ সরকারের শাসনামলে একটা অভিযোগ প্রকটরূপ ধারণ করেছিল যে, আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ ও সুবিধাভোগী ব্যবসায়ী মহল মোটা অংকের ঋণ নিয়ে এবং পরবর্তীতে ঋণ পরিশোধ না করে ব্যাংকগুলোকে দেউলিয়ায় পরিণত করেছে। আমি অস্বীকার করবো না এই অভিযোগ সত্য না, অবশ্যই সত্য। তবে এই হার বর্তমান ও ইউনুস সরকারের তুলনায় অনেক কম ছিল। বর্তমানে ব্যাংকগুলো অসহায় হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এবং বাংলাদেশ চাঁদ ও ঘানাকে পেছনে ফেলে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ঋণ খেলাপি রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।
শেখ হাসিনা যখন ক্ষমতাচ্যুত হয় তখন বাংলাদেশের ঋণ খেলাপি ছিল ২.১১ লাখ কোটি টাকা। অর্থাৎ তখন NPL ratio তথা ঋণ খেলাপির শতকরা হার ছিল ১২.৫৬%। মানে ব্যাংক কর্তৃক বিতরণকৃত প্রতি ১০০ টাকার ১২.৫৬ টাকা ঋণ খেলাপি ছিল।
২০২৪ সালের ডিসেম্বরে প্রফেসর ড. ইউনূস সরকারের শাসনামলে এই ঋণ খেলাপি বেড়ে দাঁড়ায় ৩.৪৬ লাখ কোটি টাকা। যার হার ২০.২০% অর্থাৎ প্রতি ১০০ টাকার ২০.২০ টাকা।
২০২৫ সালের ডিসেম্বরে জরিপে এই ঋণ খেলাপি বেড়ে দাঁড়ায় ৫.৫৭ লাখ কোটি টাকা। যার হার ৩১%, অর্থাৎ প্রতি ১০০ টাকার ৩১ টাকা।
২০২৬ সালের জুনে প্রকাশিত জরিপে ঋণ খেলাপি বেড়ে দাঁড়ায় ৬ লাখ ৬ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা। যার হার ৩২.৭৮%। অর্থাৎ ব্যাংক কর্তৃক বিতরণকৃত ১০০ টাকার ৩৩ টাকায় ঋণ খেলাপি।
পূর্বের জরিপে বিশ্বের শীর্ষ ঋণ খেলাপি দেশ ছিল চাঁদ নামক দেশটি, যার ঋণ খেলাপির হার ৩১.৫১%। বাংলাদেশ চমপ্রদভাবে চাঁদকে পেছনে ফেলে ৩২.৭৮ শতাংশ ঋণ খেলাপির হার নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে। যা ড. ইউনূস ও তারেক রহমান সরকারের এক বিশাল অর্জন।
প্রশ্ন হচ্ছে শেখ হাসিনা সরকারের শাসনামলে সালমান এফ রহমান, এস আলম, দস্তগীর গাজীসহ প্রমুখ শীর্ষ ব্যবসায়ী ব্যক্তিত্ব ঋণ খেলাপিতে শীর্ষ ছিল, বর্তমান সরকারের সময়ে তাহলে কে ঋণ খেলাপি করছে, গণমাধ্যম কি তাদের নাম প্রকাশ করবে!
গতকাল রুমিন ফারহানা সংসদে দাঁড়িয়ে বলছিল বিএনপির অধিকাংশ এমপিই মন্ত্রীই ঋণ খেলাপিতে জড়িত, আরেকটু ডিটেইলস বলতে গেলেই স্পিকার ওনার মাইক বন্ধ করেন।
অনেকে কমেন্টে এসে যুক্তি দিবেন শেখ হাসিনা সরকার ঋণ খেলাপির হার গোপন রেখেছিল। হ্যাঁ, ড. ইউনুস ক্ষমতায় এসেই বলেছিল শেখ হাসিনার গড়া জিডিপি ছিল মিথ্যা। পরবর্তীতে কিন্তু তিনি মিথ্যা প্রমাণ করতে পারেননি। আপনাদেরই লজিক ঠিক এমনই।
Syed Hussain Md. Noor Ali’s Post
 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।
জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী মহল

প্রকাশের সময় : ০১:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনলাইন শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আওয়ামিলীগ সরকারের শাসনামলে একটা অভিযোগ প্রকটরূপ ধারণ করেছিল যে, আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ ও সুবিধাভোগী ব্যবসায়ী মহল মোটা অংকের ঋণ নিয়ে এবং পরবর্তীতে ঋণ পরিশোধ না করে ব্যাংকগুলোকে দেউলিয়ায় পরিণত করেছে। আমি অস্বীকার করবো না এই অভিযোগ সত্য না, অবশ্যই সত্য। তবে এই হার বর্তমান ও ইউনুস সরকারের তুলনায় অনেক কম ছিল। বর্তমানে ব্যাংকগুলো অসহায় হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এবং বাংলাদেশ চাঁদ ও ঘানাকে পেছনে ফেলে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ঋণ খেলাপি রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।
শেখ হাসিনা যখন ক্ষমতাচ্যুত হয় তখন বাংলাদেশের ঋণ খেলাপি ছিল ২.১১ লাখ কোটি টাকা। অর্থাৎ তখন NPL ratio তথা ঋণ খেলাপির শতকরা হার ছিল ১২.৫৬%। মানে ব্যাংক কর্তৃক বিতরণকৃত প্রতি ১০০ টাকার ১২.৫৬ টাকা ঋণ খেলাপি ছিল।
২০২৪ সালের ডিসেম্বরে প্রফেসর ড. ইউনূস সরকারের শাসনামলে এই ঋণ খেলাপি বেড়ে দাঁড়ায় ৩.৪৬ লাখ কোটি টাকা। যার হার ২০.২০% অর্থাৎ প্রতি ১০০ টাকার ২০.২০ টাকা।
২০২৫ সালের ডিসেম্বরে জরিপে এই ঋণ খেলাপি বেড়ে দাঁড়ায় ৫.৫৭ লাখ কোটি টাকা। যার হার ৩১%, অর্থাৎ প্রতি ১০০ টাকার ৩১ টাকা।
২০২৬ সালের জুনে প্রকাশিত জরিপে ঋণ খেলাপি বেড়ে দাঁড়ায় ৬ লাখ ৬ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা। যার হার ৩২.৭৮%। অর্থাৎ ব্যাংক কর্তৃক বিতরণকৃত ১০০ টাকার ৩৩ টাকায় ঋণ খেলাপি।
পূর্বের জরিপে বিশ্বের শীর্ষ ঋণ খেলাপি দেশ ছিল চাঁদ নামক দেশটি, যার ঋণ খেলাপির হার ৩১.৫১%। বাংলাদেশ চমপ্রদভাবে চাঁদকে পেছনে ফেলে ৩২.৭৮ শতাংশ ঋণ খেলাপির হার নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে। যা ড. ইউনূস ও তারেক রহমান সরকারের এক বিশাল অর্জন।
প্রশ্ন হচ্ছে শেখ হাসিনা সরকারের শাসনামলে সালমান এফ রহমান, এস আলম, দস্তগীর গাজীসহ প্রমুখ শীর্ষ ব্যবসায়ী ব্যক্তিত্ব ঋণ খেলাপিতে শীর্ষ ছিল, বর্তমান সরকারের সময়ে তাহলে কে ঋণ খেলাপি করছে, গণমাধ্যম কি তাদের নাম প্রকাশ করবে!
গতকাল রুমিন ফারহানা সংসদে দাঁড়িয়ে বলছিল বিএনপির অধিকাংশ এমপিই মন্ত্রীই ঋণ খেলাপিতে জড়িত, আরেকটু ডিটেইলস বলতে গেলেই স্পিকার ওনার মাইক বন্ধ করেন।
অনেকে কমেন্টে এসে যুক্তি দিবেন শেখ হাসিনা সরকার ঋণ খেলাপির হার গোপন রেখেছিল। হ্যাঁ, ড. ইউনুস ক্ষমতায় এসেই বলেছিল শেখ হাসিনার গড়া জিডিপি ছিল মিথ্যা। পরবর্তীতে কিন্তু তিনি মিথ্যা প্রমাণ করতে পারেননি। আপনাদেরই লজিক ঠিক এমনই।
Syed Hussain Md. Noor Ali’s Post
 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।