, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

আওয়ামী লীগ ১৫ বছরমুক্তি যুদ্ধের চেতনা কে নির্মমভাবে ধ্বংস করেছে

  • প্রকাশের সময় : ০৯:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
  • ৬৬ পড়া হয়েছে
আওয়ামী লীগ ১৫ বছর  শাসন আমলে বাংলাদেশ থেকে মুক্তি যুদ্ধের চেতনা কে নির্মমভাবে ধ্বংস করেছে। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা র উপর নির্ভর করে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি নির্বিচারে ব্যাংক লুট হওয়া মুক্তি যুদ্ধের চেতনার পরিপন্থী।  সরকার পরিচালনার সময় একবার ও ঐচিন্তা করা হয়নি । শিবিরের লোকজন কে মুক্তি যোদ্ধার সনদ দেয়া হয়েছে। হাজার হাজার ভূয়া মুক্তি যোদ্ধা বানানো হয়েছে। টাকার বিনিময়ে মূক্তিযোদ্ধা সনদ দেয়া হয়েছে।  অপরদিকে মূক্তিযোদ্ধা সনদ দেখিয়ে তাদের কে না না ধরনের সুবিধা দেয়া হয়েছে। এর ফলে আসল মুক্তি যোদ্ধার রা  খুশি হয়নি। সরকার বিরোধী বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে অনেকে। সরকার তাতে আমলে নেয়নি।  আজ যখন সর্বক্ষেত্রে মুক্তি যোদ্ধার উপর হামলা হয়েছে সারা দেশে মুক্তিযুদ্ধের স্হ!পনার উপর হামলা হচ্ছে । মূক্তীযোদ্ধা রয়েছে তাদের হৃদয় রক্ত ঝরছে। কিন্তু সবাই যেন নিরব নীথর ।  মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে ধরে রাখা হয়নি। বরং মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি গুলো কে নির্মমভাবে ধ্বংস করা হয়েছে।১৪দল ও পাঁচ দল এমনকি যেসব দল ও মুক্তি যোদ্ধা ব্যক্তি কে জাতীয় সংসদ নির্বাচন এর দাওয়াত দিয়ে নামিয়েছিলেন তাদের কে ও পাস করানো হয় নি। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির অপর দলগুলো কেও ছাড় দেয়া হয়নি। সমশের মবিন চৌধুরী,হাসানূল হক ইনু, নাজমুল হক প্রধান, নারায়ণগঞ্জ এর
তৈমুর খন্দকার ,মাইজভান্ডারী,সহ২০টি আসন তাদের কে ছেড়ে দিলে কি মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যেত। তারা সবাই মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের
শক্তি। তারা সরকারের উপর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।  আজ তারা মাঠে নামলে লাখ মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি গুলো ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সুযোগ ছিল।  এছাড়া লাগলাম হীন দূর্নীতি অকারণে বাজার মূল্য বৃদ্ধি মানুষকে হতাস করে। মানুষ খূব্দ হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে যাকে তাকে নিয়োগের কারনে ক্ষমতার অপব্যবহার করছে। এমপি, মন্ত্রী, নেতাদের চরম দূর্ব্যবহারে তৃণমূল পর্যায়ে নেতা কর্মীরা অতিষ্ঠ হয়ে যেত। দলের উপর নির্ভর করে যারা শত হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করছে তারা এখন বাঁচার জন্য জামাত শিবির রাজাকার বিএনপি কে অর্থের যোগান দিচ্ছে। আজ কেও যারা দূঃসম জীবন বাজি রেখে মাঠে আছে তাদের কে সহায়তা করবে এমন কাউকে খুঁজে বের করা যায় না।
kibria chowdhury 01/o2/2025 dhaka
জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

আওয়ামী লীগ ১৫ বছরমুক্তি যুদ্ধের চেতনা কে নির্মমভাবে ধ্বংস করেছে

প্রকাশের সময় : ০৯:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
আওয়ামী লীগ ১৫ বছর  শাসন আমলে বাংলাদেশ থেকে মুক্তি যুদ্ধের চেতনা কে নির্মমভাবে ধ্বংস করেছে। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা র উপর নির্ভর করে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি নির্বিচারে ব্যাংক লুট হওয়া মুক্তি যুদ্ধের চেতনার পরিপন্থী।  সরকার পরিচালনার সময় একবার ও ঐচিন্তা করা হয়নি । শিবিরের লোকজন কে মুক্তি যোদ্ধার সনদ দেয়া হয়েছে। হাজার হাজার ভূয়া মুক্তি যোদ্ধা বানানো হয়েছে। টাকার বিনিময়ে মূক্তিযোদ্ধা সনদ দেয়া হয়েছে।  অপরদিকে মূক্তিযোদ্ধা সনদ দেখিয়ে তাদের কে না না ধরনের সুবিধা দেয়া হয়েছে। এর ফলে আসল মুক্তি যোদ্ধার রা  খুশি হয়নি। সরকার বিরোধী বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে অনেকে। সরকার তাতে আমলে নেয়নি।  আজ যখন সর্বক্ষেত্রে মুক্তি যোদ্ধার উপর হামলা হয়েছে সারা দেশে মুক্তিযুদ্ধের স্হ!পনার উপর হামলা হচ্ছে । মূক্তীযোদ্ধা রয়েছে তাদের হৃদয় রক্ত ঝরছে। কিন্তু সবাই যেন নিরব নীথর ।  মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে ধরে রাখা হয়নি। বরং মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি গুলো কে নির্মমভাবে ধ্বংস করা হয়েছে।১৪দল ও পাঁচ দল এমনকি যেসব দল ও মুক্তি যোদ্ধা ব্যক্তি কে জাতীয় সংসদ নির্বাচন এর দাওয়াত দিয়ে নামিয়েছিলেন তাদের কে ও পাস করানো হয় নি। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির অপর দলগুলো কেও ছাড় দেয়া হয়নি। সমশের মবিন চৌধুরী,হাসানূল হক ইনু, নাজমুল হক প্রধান, নারায়ণগঞ্জ এর
তৈমুর খন্দকার ,মাইজভান্ডারী,সহ২০টি আসন তাদের কে ছেড়ে দিলে কি মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যেত। তারা সবাই মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের
শক্তি। তারা সরকারের উপর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।  আজ তারা মাঠে নামলে লাখ মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি গুলো ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সুযোগ ছিল।  এছাড়া লাগলাম হীন দূর্নীতি অকারণে বাজার মূল্য বৃদ্ধি মানুষকে হতাস করে। মানুষ খূব্দ হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে যাকে তাকে নিয়োগের কারনে ক্ষমতার অপব্যবহার করছে। এমপি, মন্ত্রী, নেতাদের চরম দূর্ব্যবহারে তৃণমূল পর্যায়ে নেতা কর্মীরা অতিষ্ঠ হয়ে যেত। দলের উপর নির্ভর করে যারা শত হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করছে তারা এখন বাঁচার জন্য জামাত শিবির রাজাকার বিএনপি কে অর্থের যোগান দিচ্ছে। আজ কেও যারা দূঃসম জীবন বাজি রেখে মাঠে আছে তাদের কে সহায়তা করবে এমন কাউকে খুঁজে বের করা যায় না।
kibria chowdhury 01/o2/2025 dhaka