
অনলাইন সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
আমার আব্বা Didarul Alam আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি এইটা গতকাল রাতে জানতে পারা আমার জন্যে খুবই কষ্টের।
৫তারিখ পরবর্তী আমি চাচ্ছিলাম আমার আব্বার নামে একটা মামলা করতে।
কারণ উনি হাসিনা এবং মুজিব বন্দনা করতেন।
পুলিশের সাথে কথা বলে জানতে পারলাম যে, মামলা দিতে হইলে উনার রাজনৈতিক পদ-পদবী থাকা লাগবে।
অনেক ঘাটাঘাটি করে দেখলাম আমার আব্বার রাজনৈতিক কোন পদ নাই।
তবে উনার দল হিসেবে আওয়ামী পছন্দ, কারণ উনি মনে করেন দেশ আওয়ামীলীগ স্বাধীন করছে।
জুলাই আন্দোলনে যোগদান এবং হাসিনাশাহীর পতনের পর আমার আব্বার বিরোধিতা করাও আমার জন্য উচিৎ হয়ে দাঁড়ায়।
মাঝে মধ্যে উনার পোস্টে কমেন্ট করলেও উনি সেটা ডিলেট করে দেয়।
হয়তো উনার চিন্তা যে, বাপ ব্যাটার মধ্যে রাজনৈতিক আলাপ কিসের আবার!
তারপর একটা কনক্লুশনে আসলাম যে, “উনার ব্রেইনে আওয়ামী একটা ভালো রকমের এফেক্ট ফেলে গেছে, এজন্য উনি আওয়ামী কে ভালো পায়”
দলটার পক্ষে বলে…
এর পেছনে আবার অন্যতম কারণ হইলো বিএনপির ৫তারিখের পর নারকীয় তান্ডব!
মানে এক ফ্যাসিস্ট বিদায়ের পর যে দেশ আশা করছিলাম বা আমার আব্বার মাইন্ডসেটে যে পরিবর্তন আশা করছিলাম সেটা বিএনপির ফকিন্নিগিরির কারণে হইতে হইতে হইলো না।
এখন আমার আব্বা কে মামলা দেওয়া হলো “সন্ত্রাস দমন আইনে”।
সেখানে উল্লেখ করা হলো ” লীগের মিছিলের আর্থিক যোগানদাতা”
মানে সিরিয়াসলি?
আমার বয়স অলমোস্ট ৩০ বছর হতে যাবে।
এই ত্রিশ বছরেও আমাদের ঘর মাটি থেকে সেমিপাকা হইতে পারলো না!
আর উনি করে লীগের ফান্ডিং?
এইসব ব্রেইন বিএনপির মোটা মাথা ছাড়া আর কোত্থেকেই আসবে!
সমস্যা হইলো উনার চেয়ারম্যান ইলেকশনের সন্দেহ!
বিএনপির নেতৃত্বহীন মাথায় সবসময় এইটা থাকে যে, “অমুক মাইনাস, তমুক মাইনাস, আমি হমু বিরাট হনু”
মানে, জনগণের মন জুগিয়ে ভোট হাসিল করে ক্ষমতায় আসা ওদের ডিকশনারিতে নাই।
আপনি মেজরিটি ভোট পেয়ে ক্ষমতায় আসছেন, কিন্তু আপনার নূন্যতম কনফিডেন্স নাই যে আপনি ভোটে জিতবেন, জনগণ আপনাকে চায়।
আবার এইসব ব্রেইন নিয়ে আপনারা লম্বা সময় দেশ চালাইতে চান। 
শেষ করি…
মেম্বার দিদারের বয়স এখন ৫০+।
কোমরে ব্যথা।
কাশির সমস্যা।
এক টানা ১৯বছর মেম্বারি করছেন।
উনার ঘরে ছেলে আছে ২জন।
ক্যাম্পেইন করে যদি ২ছেলেও ইলেকশন এর সিদ্ধান্ত নেয় অন্তত ১৫বছর নাই হয়ে যাবেন।
সুতরাং এসব ঘরের বউয়ের ব্রেইন নিয়ে মেয়েলি কিচ্ছা কাহিনী বাদ দিয়ে জনগণের পারপাস সার্ভ করেন।
ক্ষমতা এঞ্জয় করেন।
এইসব নেতাগিরি আপনাদের হয়তো দল থেকে আসে, আমাদের তো রক্তেই নেতৃত্ব।
আমরা পানির গ্লাস টেনে নেওয়ার আগে, গলা ভিজিয়ে নেন।
পরে আবার পানি কেড়ে নেওয়ার মামলা হবে “সন্ত্রাস দমন আইন”
Tarekul Islaam Opu’s Post
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।





















