, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

আমার দেশে ফেরা আমার একক সিদ্ধান্তে নেই:তারেক রহমান

  • প্রকাশের সময় : ০৭:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪১ পড়া হয়েছে

অনলাইন  মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রিমোট কন্ট্রোল রাজনীতির কবলে বাংলাদেশ। যেদিন আমাদের শুনতে হয়েছিল ‘আমার দেশে ফেরা আমার একক সিদ্ধান্তে নেই’ সেদিনই স্পষ্ট হয়েছিল এদেশের রাজনীতিতে একটি রিমোট কাজ করছে। এই রিমোটটি হাত বদল হচ্ছে দ্রুত। ফলে ভারত না যাওয়ার আত্মঘাতী সিদ্ধান্তটি আসলে রিমোটটি বর্তমানে যাদের হাতে আছে তাদের। ভূ-রাজনৈতিক খেলায় বাংলাদেশ এখন রোবট। এবং ক্ষতিগ্রস্ত হবে এই রোবটই। যুদ্ধক্ষেত্রে (হোক সেটা অর্থনৈতিক) প্রতিপক্ষের প্রযুক্তিকেই আগে ধ্বংস করা হয়। বাংলাদেশ যদি কারোর হাতিয়ার হয়ে যায় সেই হাতিয়ারেই আঘাত করা হবে।
আগের ১৭ বছরের নানা সমালোচনা আপনি করতে পারবেন কিন্তু দেশের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত কারোর রিমোটের বাটনের উপর নির্ভর করতো না। এটা কিভাবে আমরা প্রুফ করলাম? কারণ ডক্টর ইনুসের সরকার ও বর্তমান সরকার কেউ একটি তাবেদারী সিদ্ধান্ত, দেশের ক্ষতি করে, স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে কোন চুক্তি বের করা করতে পারেনি। বহু চেষ্টা করা হয়েছে। রাতদিন সরকারী নথি পরীক্ষা করেও তারা হতাশ হয়েছে। উল্টো ভারতের সঙ্গে যে পাইপলাইন তৈরি হয়েছিল সেটা দিয়েই জ্বালানি অতিদ্রুত ভারত থেকে এনে পরিস্থিতি সামাল দেয়া হচ্ছে। সেই ভারতের আমন্ত্রণ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী প্রত্যাখান করলেন!
রাশিয়া চীনের মত শক্তি ও বিশ্বনেতারা ভারতে আসছে ব্রিকস সম্মেলনে। সেই সম্মেলন বাংলাদেশ প্রত্যাখান করলো। এর ফলাফল এই বলয়ের আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বাংলাদেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। কিন্তু বাংলাদেশ তো দক্ষিণ এশিয়ায় পাকিস্তানের মত ভাড়াটে সৈনিকের ভূমিকা নিতে চাচ্ছে। আমার ধারণা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে খুব শীঘ্রই চোখ কপালে তোলার মত সামরিক সরঞ্জাম যোগ হবে। এই শ্বেত হস্তিগুলো গডফাদাররা বাংলাদেশকে ঋণে কিনতে বাধ্য করবে। পাকিস্তানের যেমন পেটে ভাত নেই, ধ্বংস অর্থনীতি কিন্তু তাদের পারমাণবিক বোমা আছে! সেরকম সামরিকভাবে বেশ সমৃদ্ধ সেনাবাহিনী নিয়ে বাংলাদেশ ভিক্ষার থলি হাতে ঘোরা আশ্চর্যের কিছু নয়। এদেশের মানুষের জীবনমান ধ্বংস হয়ে গিয়ে যদি পাকিস্তান চীন আমেরিকার স্বার্থের ঘুটি গয়ে যায় তাহলে একটি উন্নতশীল অর্থনীতির যাত্রা থেকে একটি দেশের করুণ পরিণতির ইতিহাস হয়েই সেটা থাকবে।
বাংলাদেশের ভবিষ্যত আসলে ভারতের নেতাদের মেধার উপর অনেকটাই নির্ভর করে। মেজর ডালিমের রেডিওতে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ঘোষণাকে খন্দকার মোস্তাক কাগজে কলমে ঘোষণা করতে প্রস্তুত হয়েছিল, কিন্তু ইন্দিরা গান্ধি যখন মৈত্রী চুক্তির শর্ত দেখিয়ে সামরিক ব্যবস্থার ভয় দেখায় পুরোটাই ভেস্তে যায়। ভারতের মোদি সরকারের মেধার পরীক্ষাটা হবে এখানেই।
ভারত আসলে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে খেলছে না। খেলছে সেই রিমোটটি বর্তমানে যাদের হাতে ধরা আছে তাদের সঙ্গে। অলরেডি এই খেলায় আড়াই বছরে মোদি প্রশাসন হতাশ করেছে। তারা পেরে উঠেনি। তারা তাদের রিমোট হারিয়েছে বাংলাদেশের নির্বাচনের পরেই। এখন ফাইনাল খেলা। বাংলাদেশের ভাগ্য লেখার খেলা। ভারতের জয়ের উপর বাংলাদেশের সুদীর্ঘ মেয়াদী একটা ডানপন্থী ও প্রো-পাকিস্তানপন্থী রাষ্ট্র যাত্রা নাকি পূর্বের শান্তিপূর্ণ সকলের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ পরাষ্ট্রনীতি ও আত্মনিয়ন্ত্রিত রাজনীতির দিকে যাবে তার নির্ধারণ হয়ে যাবে।
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার এখানে অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি ভূমিকায় রয়েছেন। তার ব্যক্তিগত বিচক্ষণতাই অনেক কিছু নির্ভর করছে। তার পাঠানো বার্তাগুলো কেবলই ঘটনা নয়, ঘটনার আগে পরে ভূত-ভবিষ্যত আঁচ করতে পারাই কুটনীতি। তিনিই পরামর্শ দিবেন তার সরকারকে। আমার ক্ষুদ্র বুদ্ধিতে জানি পৃথিবীর বড় বড় যুদ্ধ ইতিহাস পাল্টে দেয়া ঘটনাগুলো পশ্চিমের এই রকম ব্যক্তিরাই ঘটিয়েছিল তাদের সরকারকে সঠিক পরামর্শটি দিয়ে।
আমার মনে হয় সামনে এমন কিছু আমরা দেখতে পাবো যা দেখে বুঝতে পারবো সেই খেলায় কারা জিততে যাচ্ছে।
কপি-পেস্ট :- সুষুপ্ত পাঠকের ওয়াল থেকে
লেখক -সুষুপ্ত পাঠক
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

Zakir Hossen’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

আমার দেশে ফেরা আমার একক সিদ্ধান্তে নেই:তারেক রহমান

প্রকাশের সময় : ০৭:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনলাইন  মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রিমোট কন্ট্রোল রাজনীতির কবলে বাংলাদেশ। যেদিন আমাদের শুনতে হয়েছিল ‘আমার দেশে ফেরা আমার একক সিদ্ধান্তে নেই’ সেদিনই স্পষ্ট হয়েছিল এদেশের রাজনীতিতে একটি রিমোট কাজ করছে। এই রিমোটটি হাত বদল হচ্ছে দ্রুত। ফলে ভারত না যাওয়ার আত্মঘাতী সিদ্ধান্তটি আসলে রিমোটটি বর্তমানে যাদের হাতে আছে তাদের। ভূ-রাজনৈতিক খেলায় বাংলাদেশ এখন রোবট। এবং ক্ষতিগ্রস্ত হবে এই রোবটই। যুদ্ধক্ষেত্রে (হোক সেটা অর্থনৈতিক) প্রতিপক্ষের প্রযুক্তিকেই আগে ধ্বংস করা হয়। বাংলাদেশ যদি কারোর হাতিয়ার হয়ে যায় সেই হাতিয়ারেই আঘাত করা হবে।
আগের ১৭ বছরের নানা সমালোচনা আপনি করতে পারবেন কিন্তু দেশের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত কারোর রিমোটের বাটনের উপর নির্ভর করতো না। এটা কিভাবে আমরা প্রুফ করলাম? কারণ ডক্টর ইনুসের সরকার ও বর্তমান সরকার কেউ একটি তাবেদারী সিদ্ধান্ত, দেশের ক্ষতি করে, স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে কোন চুক্তি বের করা করতে পারেনি। বহু চেষ্টা করা হয়েছে। রাতদিন সরকারী নথি পরীক্ষা করেও তারা হতাশ হয়েছে। উল্টো ভারতের সঙ্গে যে পাইপলাইন তৈরি হয়েছিল সেটা দিয়েই জ্বালানি অতিদ্রুত ভারত থেকে এনে পরিস্থিতি সামাল দেয়া হচ্ছে। সেই ভারতের আমন্ত্রণ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী প্রত্যাখান করলেন!
রাশিয়া চীনের মত শক্তি ও বিশ্বনেতারা ভারতে আসছে ব্রিকস সম্মেলনে। সেই সম্মেলন বাংলাদেশ প্রত্যাখান করলো। এর ফলাফল এই বলয়ের আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বাংলাদেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। কিন্তু বাংলাদেশ তো দক্ষিণ এশিয়ায় পাকিস্তানের মত ভাড়াটে সৈনিকের ভূমিকা নিতে চাচ্ছে। আমার ধারণা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে খুব শীঘ্রই চোখ কপালে তোলার মত সামরিক সরঞ্জাম যোগ হবে। এই শ্বেত হস্তিগুলো গডফাদাররা বাংলাদেশকে ঋণে কিনতে বাধ্য করবে। পাকিস্তানের যেমন পেটে ভাত নেই, ধ্বংস অর্থনীতি কিন্তু তাদের পারমাণবিক বোমা আছে! সেরকম সামরিকভাবে বেশ সমৃদ্ধ সেনাবাহিনী নিয়ে বাংলাদেশ ভিক্ষার থলি হাতে ঘোরা আশ্চর্যের কিছু নয়। এদেশের মানুষের জীবনমান ধ্বংস হয়ে গিয়ে যদি পাকিস্তান চীন আমেরিকার স্বার্থের ঘুটি গয়ে যায় তাহলে একটি উন্নতশীল অর্থনীতির যাত্রা থেকে একটি দেশের করুণ পরিণতির ইতিহাস হয়েই সেটা থাকবে।
বাংলাদেশের ভবিষ্যত আসলে ভারতের নেতাদের মেধার উপর অনেকটাই নির্ভর করে। মেজর ডালিমের রেডিওতে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ঘোষণাকে খন্দকার মোস্তাক কাগজে কলমে ঘোষণা করতে প্রস্তুত হয়েছিল, কিন্তু ইন্দিরা গান্ধি যখন মৈত্রী চুক্তির শর্ত দেখিয়ে সামরিক ব্যবস্থার ভয় দেখায় পুরোটাই ভেস্তে যায়। ভারতের মোদি সরকারের মেধার পরীক্ষাটা হবে এখানেই।
ভারত আসলে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে খেলছে না। খেলছে সেই রিমোটটি বর্তমানে যাদের হাতে ধরা আছে তাদের সঙ্গে। অলরেডি এই খেলায় আড়াই বছরে মোদি প্রশাসন হতাশ করেছে। তারা পেরে উঠেনি। তারা তাদের রিমোট হারিয়েছে বাংলাদেশের নির্বাচনের পরেই। এখন ফাইনাল খেলা। বাংলাদেশের ভাগ্য লেখার খেলা। ভারতের জয়ের উপর বাংলাদেশের সুদীর্ঘ মেয়াদী একটা ডানপন্থী ও প্রো-পাকিস্তানপন্থী রাষ্ট্র যাত্রা নাকি পূর্বের শান্তিপূর্ণ সকলের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ পরাষ্ট্রনীতি ও আত্মনিয়ন্ত্রিত রাজনীতির দিকে যাবে তার নির্ধারণ হয়ে যাবে।
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার এখানে অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি ভূমিকায় রয়েছেন। তার ব্যক্তিগত বিচক্ষণতাই অনেক কিছু নির্ভর করছে। তার পাঠানো বার্তাগুলো কেবলই ঘটনা নয়, ঘটনার আগে পরে ভূত-ভবিষ্যত আঁচ করতে পারাই কুটনীতি। তিনিই পরামর্শ দিবেন তার সরকারকে। আমার ক্ষুদ্র বুদ্ধিতে জানি পৃথিবীর বড় বড় যুদ্ধ ইতিহাস পাল্টে দেয়া ঘটনাগুলো পশ্চিমের এই রকম ব্যক্তিরাই ঘটিয়েছিল তাদের সরকারকে সঠিক পরামর্শটি দিয়ে।
আমার মনে হয় সামনে এমন কিছু আমরা দেখতে পাবো যা দেখে বুঝতে পারবো সেই খেলায় কারা জিততে যাচ্ছে।
কপি-পেস্ট :- সুষুপ্ত পাঠকের ওয়াল থেকে
লেখক -সুষুপ্ত পাঠক
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

Zakir Hossen’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।