, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইউক্রেনের হামলায় জ্বালানি সংকট, ভারত থেকে পেট্রল আমদানি করছে রাশিয়া

  • প্রকাশের সময় : ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • ২১ পড়া হয়েছে

অনলাইন ০২ জুলাই ২০২৬, ১৩:৩৬

ইউক্রেনের ধারাবাহিক হামলায় জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সৃষ্ট সংকট মোকাবিলায় ভারত থেকে সমুদ্রপথে পেট্রল আমদানি শুরু করেছে রাশিয়া। শিল্পসংশ্লিষ্ট দুটি সূত্রের বরাতে বুধবার (১ জুলাই) এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

জ্বালানির ঘাটতির প্রভাব ইতোমধ্যে রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। দেশটির বিভিন্ন এলাকায় পেট্রল সরবরাহে সীমাবদ্ধতা, ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ যানজট এবং জ্বালানির দামে রেকর্ড বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। ১১টি অঞ্চলের বিস্তৃত এলাকাজুড়ে এ সংকট হচ্ছে বলে জানা গেছে।

ক্রেমলিন মঙ্গলবার জানিয়েছে, অভ্যন্তরীণ বাজারে গ্রহণযোগ্য দামে জ্বালানি নিশ্চিত করতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আমদানির বিষয়ে আলোচনা চলছে। প্রয়োজন অনুযায়ী বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের উদ্যোগও অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে, রাশিয়ার জ্বালানি মন্ত্রণালয় ও ভারতের তেল মন্ত্রণালয়ের কাছে এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ ছাড়াও প্রতিবেশী বেলারুশসহ অন্যান্য দেশ থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৪ লাখ টন পেট্রল আমদানির পরিকল্পনা করছে মস্কো। এরই মধ্যে বেলারুশ থেকে জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।

তবে ভারতের কোন রিফাইনারি প্রতিষ্ঠান এই পেট্রল রপ্তানি করছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

বর্তমানে গ্রীষ্মকালীন চাহিদার সময় রাশিয়ায় প্রতিদিন প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার টন পেট্রল ব্যবহৃত হয়। ফলে অভ্যন্তরীণ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আমদানির ওপর নির্ভরতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি।

জনপ্রিয়

ইউক্রেনের হামলায় জ্বালানি সংকট, ভারত থেকে পেট্রল আমদানি করছে রাশিয়া

প্রকাশের সময় : ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

অনলাইন ০২ জুলাই ২০২৬, ১৩:৩৬

ইউক্রেনের ধারাবাহিক হামলায় জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সৃষ্ট সংকট মোকাবিলায় ভারত থেকে সমুদ্রপথে পেট্রল আমদানি শুরু করেছে রাশিয়া। শিল্পসংশ্লিষ্ট দুটি সূত্রের বরাতে বুধবার (১ জুলাই) এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

জ্বালানির ঘাটতির প্রভাব ইতোমধ্যে রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। দেশটির বিভিন্ন এলাকায় পেট্রল সরবরাহে সীমাবদ্ধতা, ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ যানজট এবং জ্বালানির দামে রেকর্ড বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। ১১টি অঞ্চলের বিস্তৃত এলাকাজুড়ে এ সংকট হচ্ছে বলে জানা গেছে।

ক্রেমলিন মঙ্গলবার জানিয়েছে, অভ্যন্তরীণ বাজারে গ্রহণযোগ্য দামে জ্বালানি নিশ্চিত করতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আমদানির বিষয়ে আলোচনা চলছে। প্রয়োজন অনুযায়ী বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের উদ্যোগও অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে, রাশিয়ার জ্বালানি মন্ত্রণালয় ও ভারতের তেল মন্ত্রণালয়ের কাছে এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ ছাড়াও প্রতিবেশী বেলারুশসহ অন্যান্য দেশ থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৪ লাখ টন পেট্রল আমদানির পরিকল্পনা করছে মস্কো। এরই মধ্যে বেলারুশ থেকে জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।

তবে ভারতের কোন রিফাইনারি প্রতিষ্ঠান এই পেট্রল রপ্তানি করছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

বর্তমানে গ্রীষ্মকালীন চাহিদার সময় রাশিয়ায় প্রতিদিন প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার টন পেট্রল ব্যবহৃত হয়। ফলে অভ্যন্তরীণ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আমদানির ওপর নির্ভরতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি।