, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

একমাত্র মেয়ের বিরুদ্ধে ডাকাতির মামলা দিয়ে তাঁকে জেল খাটিয়েছেন রাগীব আলী

  • প্রকাশের সময় : ১২:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৮ পড়া হয়েছে

অনলাইন বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬

একমাত্র মেয়ের বিরুদ্ধে ডাকাতির মামলা দিয়ে তাঁকে জেল খাটিয়েছেন রাগীব আলী। সিলেট বিভাগ উন্নয়ন পরিষদের নির্বাচন ঠেকাতে তিনি আবারও মামলা করিয়েছেন
———————————————————-
নিজের একমাত্র মেয়ে রোজিনা কাদিরের বিরুদ্ধে মালনীছড়া চা বাগানের বাংলোয় ডাকাতির মামলা করিয়েছিলেন কথিত দানবীর রাগীব আলী। পিতার এই মামলায় মেয়েকে ৮ দিন কারাভোগও করতে হয়েছে। গত বছরের ৩১ জুলাই রাগীব আলী তাঁর কর্মচারী ও বাগানের সহকারী ম্যানেজার বিদ্যুৎ কুমার তালুকদারকে বাদী করে এই মামলা করান (এয়ারপোর্ট সিআর মামলা নং-২২৮/২০২৫ ইংরেজি)। মামলায় অভিযোগ করা হয়, রাগীব আলী ও তাঁর ছেলে আব্দুল হাইয়ের কক্ষের সামনে থাকা নিরাপত্তা রক্ষীদের মারধর করে ঘরে প্রবেশ করেন রোজিনা কাদির। এরপর তিনি রাগীব আলী ও আব্দুল হাইকে জিম্মি করে কিছু নথিপত্র লুট করেন এবং আলাদা কিছু কাগজে স্বাক্ষর নেওয়ার চেষ্টা করেন। অবশ্য মেয়ে রোজিনা কাদির তাঁর বাবা রাগীব আলীর এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবি করেছেন।
একমাত্র মেয়ের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে জেল খাটানোর মতো হিংস্র ও জগণ্য মনোভাবের এক জালিয়াত ব্যক্তিকে কে বা কারা নিজেদের লুটপাটের স্বার্থ হাসিলে সিলেট বিভাগ উন্নয়ন পরিষদের মতো একটি সামাজিক সংগঠনের সভাপতি পদে প্রার্থী করেছে, তা রীতিমতো বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছে। রাগীব আলীকে ঘিরে একটি লুটপাটকারী, তৈলবাজ ও চাটুকার চক্র গড়ে উঠেছে, যারা তাঁকে দিয়ে একের পর এক বিতর্কিত ঘটনা ঘটিয়ে চলেছে।
সরকারি নথিপত্র জালিয়াতি এবং দখলবাজির ঘটনা দেশের সর্বোচ্চ আদালতে প্রমাণিত হওয়ার পর দীর্ঘদিন জেল খেটেছেন এই কথিত দানবীর। জেল থেকে বের হয়ে পল্টন এলাকার এক আওয়ামী লীগ কাউন্সিলর ও কতিপয় সন্ত্রাসী নিয়ে তিনি সিলেট বিভাগ উন্নয়ন পরিষদের নিজস্ব সম্পত্তি ‘অভিস ভবন’ দখলের চেষ্টা চালান। কমিটি বাতিল করেন, কাউন্সিলর দিয়ে কমিটি ঘোষণা দেন। ব্যাংক একাউন্ট পরিবর্তনের চেষ্ঠা করেন। জালিয়াতির মামলায় কারাগারে যাওয়ার পর সিলেট বিভাগ উন্নয়ন পরিষদ তথা সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়েছুর রহমান চৌধুরী কেন ঢাকায় তাঁর পক্ষে মিছিল-সমাবেশ ও প্রতিবাদ করলেন না, তা নিয়েই তাঁর যত ক্ষোভ। একশর বেশি বয়সের একজন মানুষের এত লোভ কীভাবে হতে পারে? বিভাগের সভাপতি হয়ে জঘন্য জালিয়াতি করা ও জেল খাটা নিঃসন্দেহে এই সংগঠনের ভাবমূর্তি গ্রহণযোগ্যতাকে তলানিতে নিয়ে গেছে।
সিলেট বিভাগ উন্নয়ন পরিষদ কল্যাণ ট্রাস্ট ও এর ফান্ড দীর্ঘদিন ধরে এক সহযোগী চাটুকারকে নিয়ে কুক্ষিগত করে রাখা হয়েছে। তিনি নাকি আজীবন সভাপতি! গত ৫ বছরের মধ্যে এই ট্রাস্টের কোনো সভা আহ্বান করা হয়নি। কার্যকরী কমিটি বারবার তাগিদ দেওয়ার পরও তাঁর কথিত সদস্য সচিব ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে লুটপাট চালিয়ে যাচ্ছেন। একমাত্র তাঁর দখলদারি মনোভাবের কারণে আজ সিলেটবাসীর দাবি-দাওয়া আদায়ের এই সংগঠন প্রায় এক যুগ ধরে স্থবির হয়ে আছে। অথচ সংগঠনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়েছুর রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীরা তিলে তিলে ডোনার মেম্বার, লাইফ মেম্বার ও অনুদান সংগ্রহ করে এই ভবনের পুরো মুল্যের দীর্ঘ কিস্তি পরিশোধ করে রেজিস্ট্রেশনের কাজ সম্পন্ন করেছিলেন। আর এখন চাটুকাররা বলে বেড়ায়—এই দানব নাকি ‘হাতেম তাই’!
তাঁর এক কর্মচারী, যিনি একসময় সরকারের অতিরিক্ত সচিব ছিলেন—সেই বনমালী ভৌমিক এখন এই দানবের সার্বক্ষণিক সঙ্গী। তিনি ফেসবুকে লিখেছেন, রাগীব আলী সিলেট বিভাগ উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি হওয়ায় নাকি এই সংগঠন কুলীন হয়েছে। প্রশ্ন হলো, যারা সিলেট বিভাগ বাস্তবায়ন আন্দোলন থেকে শুরু করে অদ্যাবধি এই সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন, তারা কি নমশূদ্র? আর রাগীব আলী কি একা কুলীন ও ব্রাহ্মণ? সংগঠনের অনেকে মনে করেন, তিনি নিজে সভাপতি হয়ে নমশূদ্র থেকে কুলীনে রূপান্তর হতে চেয়েছেন। সব অপকর্ম ধামাচাপা দিতে এই সভাপতি পদটি তাঁর খুবই প্রয়োজন। এর পাশাপাশি দালাল ও চাটুকারদেরও প্রয়োজন তাঁদের লুটপাট অব্যাহত রাখতে এই দানবকে।
দীর্ঘ ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের থাবা থেকে মুক্ত করতে অবশেষে সরকারের সমাজসেবা অধিদপ্তর নিজেরা নির্বাচনের উদ্যোগ নেয় এবং আগামী শুক্রবারে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। চাটুকাররা তাঁদের পরিকল্পনা অনুযায়ী বিভাগীয় কার্যালয় দখলের উদ্দেশ্যে ১০০ বছর বয়সী রাগীব আলীকে আবারও প্রার্থী করেছে। তবে সংগঠনের নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীদের উদ্দীপনা দেখে তারা ভীত হয়ে পড়েছে। তাই নির্বাচন ঠেকাতে আবারও দানবচক্র মরিয়া হয়ে উঠেছে। নির্বাচন বন্ধ করতে রাগীব আলী তাঁর তৈলবাজ চাটুকার ওদুদকে বাদী করে নতুন করে মামলা ঠুকে দিয়েছেন। এই চাটুকার একসময় পল্টন ও ফকিরেরপুল এলাকায় যুবলীগের ছেঁচড়া সন্ত্রাসী এবং কাউন্সিলর আবুলের সহযোগী হিসেবে পরিচিত ছিল। আর ৫ আগস্টের পর নাকি সে নিজের খোলস বদলে এনসিপি হয়ে গেছে!
ঢাকায় অবস্থানরত সিলেটবাসীর দাবি-দাওয়া আদায় ও আন্দোলন-সংগ্রামের একমাত্র সামাজিক প্ল্যাটফর্ম হলো সিলেট বিভাগ উন্নয়ন পরিষদ। কোনো ষড়যন্ত্রকারী মহল এই সংগঠনকে বিনষ্ট করার অপচেষ্টা চালিয়ে সফল হতে পারবে না। প্রিয় সিলেটবাসী ভোটের মাধ্যমেই এই দানব ও তার তৈলবাজ চাটুকার চক্রকে প্রতিহত করবে

Dulal Ahmed Chowdhury’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

একমাত্র মেয়ের বিরুদ্ধে ডাকাতির মামলা দিয়ে তাঁকে জেল খাটিয়েছেন রাগীব আলী

প্রকাশের সময় : ১২:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

অনলাইন বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬

একমাত্র মেয়ের বিরুদ্ধে ডাকাতির মামলা দিয়ে তাঁকে জেল খাটিয়েছেন রাগীব আলী। সিলেট বিভাগ উন্নয়ন পরিষদের নির্বাচন ঠেকাতে তিনি আবারও মামলা করিয়েছেন
———————————————————-
নিজের একমাত্র মেয়ে রোজিনা কাদিরের বিরুদ্ধে মালনীছড়া চা বাগানের বাংলোয় ডাকাতির মামলা করিয়েছিলেন কথিত দানবীর রাগীব আলী। পিতার এই মামলায় মেয়েকে ৮ দিন কারাভোগও করতে হয়েছে। গত বছরের ৩১ জুলাই রাগীব আলী তাঁর কর্মচারী ও বাগানের সহকারী ম্যানেজার বিদ্যুৎ কুমার তালুকদারকে বাদী করে এই মামলা করান (এয়ারপোর্ট সিআর মামলা নং-২২৮/২০২৫ ইংরেজি)। মামলায় অভিযোগ করা হয়, রাগীব আলী ও তাঁর ছেলে আব্দুল হাইয়ের কক্ষের সামনে থাকা নিরাপত্তা রক্ষীদের মারধর করে ঘরে প্রবেশ করেন রোজিনা কাদির। এরপর তিনি রাগীব আলী ও আব্দুল হাইকে জিম্মি করে কিছু নথিপত্র লুট করেন এবং আলাদা কিছু কাগজে স্বাক্ষর নেওয়ার চেষ্টা করেন। অবশ্য মেয়ে রোজিনা কাদির তাঁর বাবা রাগীব আলীর এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবি করেছেন।
একমাত্র মেয়ের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে জেল খাটানোর মতো হিংস্র ও জগণ্য মনোভাবের এক জালিয়াত ব্যক্তিকে কে বা কারা নিজেদের লুটপাটের স্বার্থ হাসিলে সিলেট বিভাগ উন্নয়ন পরিষদের মতো একটি সামাজিক সংগঠনের সভাপতি পদে প্রার্থী করেছে, তা রীতিমতো বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছে। রাগীব আলীকে ঘিরে একটি লুটপাটকারী, তৈলবাজ ও চাটুকার চক্র গড়ে উঠেছে, যারা তাঁকে দিয়ে একের পর এক বিতর্কিত ঘটনা ঘটিয়ে চলেছে।
সরকারি নথিপত্র জালিয়াতি এবং দখলবাজির ঘটনা দেশের সর্বোচ্চ আদালতে প্রমাণিত হওয়ার পর দীর্ঘদিন জেল খেটেছেন এই কথিত দানবীর। জেল থেকে বের হয়ে পল্টন এলাকার এক আওয়ামী লীগ কাউন্সিলর ও কতিপয় সন্ত্রাসী নিয়ে তিনি সিলেট বিভাগ উন্নয়ন পরিষদের নিজস্ব সম্পত্তি ‘অভিস ভবন’ দখলের চেষ্টা চালান। কমিটি বাতিল করেন, কাউন্সিলর দিয়ে কমিটি ঘোষণা দেন। ব্যাংক একাউন্ট পরিবর্তনের চেষ্ঠা করেন। জালিয়াতির মামলায় কারাগারে যাওয়ার পর সিলেট বিভাগ উন্নয়ন পরিষদ তথা সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়েছুর রহমান চৌধুরী কেন ঢাকায় তাঁর পক্ষে মিছিল-সমাবেশ ও প্রতিবাদ করলেন না, তা নিয়েই তাঁর যত ক্ষোভ। একশর বেশি বয়সের একজন মানুষের এত লোভ কীভাবে হতে পারে? বিভাগের সভাপতি হয়ে জঘন্য জালিয়াতি করা ও জেল খাটা নিঃসন্দেহে এই সংগঠনের ভাবমূর্তি গ্রহণযোগ্যতাকে তলানিতে নিয়ে গেছে।
সিলেট বিভাগ উন্নয়ন পরিষদ কল্যাণ ট্রাস্ট ও এর ফান্ড দীর্ঘদিন ধরে এক সহযোগী চাটুকারকে নিয়ে কুক্ষিগত করে রাখা হয়েছে। তিনি নাকি আজীবন সভাপতি! গত ৫ বছরের মধ্যে এই ট্রাস্টের কোনো সভা আহ্বান করা হয়নি। কার্যকরী কমিটি বারবার তাগিদ দেওয়ার পরও তাঁর কথিত সদস্য সচিব ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে লুটপাট চালিয়ে যাচ্ছেন। একমাত্র তাঁর দখলদারি মনোভাবের কারণে আজ সিলেটবাসীর দাবি-দাওয়া আদায়ের এই সংগঠন প্রায় এক যুগ ধরে স্থবির হয়ে আছে। অথচ সংগঠনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়েছুর রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীরা তিলে তিলে ডোনার মেম্বার, লাইফ মেম্বার ও অনুদান সংগ্রহ করে এই ভবনের পুরো মুল্যের দীর্ঘ কিস্তি পরিশোধ করে রেজিস্ট্রেশনের কাজ সম্পন্ন করেছিলেন। আর এখন চাটুকাররা বলে বেড়ায়—এই দানব নাকি ‘হাতেম তাই’!
তাঁর এক কর্মচারী, যিনি একসময় সরকারের অতিরিক্ত সচিব ছিলেন—সেই বনমালী ভৌমিক এখন এই দানবের সার্বক্ষণিক সঙ্গী। তিনি ফেসবুকে লিখেছেন, রাগীব আলী সিলেট বিভাগ উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি হওয়ায় নাকি এই সংগঠন কুলীন হয়েছে। প্রশ্ন হলো, যারা সিলেট বিভাগ বাস্তবায়ন আন্দোলন থেকে শুরু করে অদ্যাবধি এই সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন, তারা কি নমশূদ্র? আর রাগীব আলী কি একা কুলীন ও ব্রাহ্মণ? সংগঠনের অনেকে মনে করেন, তিনি নিজে সভাপতি হয়ে নমশূদ্র থেকে কুলীনে রূপান্তর হতে চেয়েছেন। সব অপকর্ম ধামাচাপা দিতে এই সভাপতি পদটি তাঁর খুবই প্রয়োজন। এর পাশাপাশি দালাল ও চাটুকারদেরও প্রয়োজন তাঁদের লুটপাট অব্যাহত রাখতে এই দানবকে।
দীর্ঘ ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের থাবা থেকে মুক্ত করতে অবশেষে সরকারের সমাজসেবা অধিদপ্তর নিজেরা নির্বাচনের উদ্যোগ নেয় এবং আগামী শুক্রবারে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। চাটুকাররা তাঁদের পরিকল্পনা অনুযায়ী বিভাগীয় কার্যালয় দখলের উদ্দেশ্যে ১০০ বছর বয়সী রাগীব আলীকে আবারও প্রার্থী করেছে। তবে সংগঠনের নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীদের উদ্দীপনা দেখে তারা ভীত হয়ে পড়েছে। তাই নির্বাচন ঠেকাতে আবারও দানবচক্র মরিয়া হয়ে উঠেছে। নির্বাচন বন্ধ করতে রাগীব আলী তাঁর তৈলবাজ চাটুকার ওদুদকে বাদী করে নতুন করে মামলা ঠুকে দিয়েছেন। এই চাটুকার একসময় পল্টন ও ফকিরেরপুল এলাকায় যুবলীগের ছেঁচড়া সন্ত্রাসী এবং কাউন্সিলর আবুলের সহযোগী হিসেবে পরিচিত ছিল। আর ৫ আগস্টের পর নাকি সে নিজের খোলস বদলে এনসিপি হয়ে গেছে!
ঢাকায় অবস্থানরত সিলেটবাসীর দাবি-দাওয়া আদায় ও আন্দোলন-সংগ্রামের একমাত্র সামাজিক প্ল্যাটফর্ম হলো সিলেট বিভাগ উন্নয়ন পরিষদ। কোনো ষড়যন্ত্রকারী মহল এই সংগঠনকে বিনষ্ট করার অপচেষ্টা চালিয়ে সফল হতে পারবে না। প্রিয় সিলেটবাসী ভোটের মাধ্যমেই এই দানব ও তার তৈলবাজ চাটুকার চক্রকে প্রতিহত করবে

Dulal Ahmed Chowdhury’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।