, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুত্তা ফারুক কর্নেলডাকাতসহ ৭ সদস্য কারাগারে

  • প্রকাশের সময় : ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ৮ পড়া হয়েছে
অনলাইন০৯ জুলাই, ২০২৬
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের আদাবর থানাধীন এলাকায় মুরগির দোকানে
ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেপ্তার মো. ফারুক ওরফে কুত্তা ফারুক ও কর্নেলসহ ডাকাত দলের সাত জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
কারাগারে যাওয়া অন্য আসামিরা হলেন মো. সাইদ, আকাশ, মাইন উদ্দিন, সিফাত ওরফে হিটার ও মো. নাহিদুল।এদিন তাদের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও আদাবর থানার উপপরিদর্শক ইয়ামিন সরকার তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে বুধবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে শেখেরটেক ৭ নম্বর সড়কের ব্রিজসংলগ্ন ঢালে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে চাপাতি, ছোরা, কুড়াল ও শাবলসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ওইদিন রাতে তাদের বিরুদ্ধে আদাবর থানায় দুটি মামলা হয়েছে। একটি ডাকাতির প্রস্তুতি ও ডাকাতির উদ্দেশ্যে সংঘবদ্ধ হওয়া এবং অপরটি অস্ত্র আইনে।
জনপ্রিয়

কুত্তা ফারুক কর্নেলডাকাতসহ ৭ সদস্য কারাগারে

প্রকাশের সময় : ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
অনলাইন০৯ জুলাই, ২০২৬
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের আদাবর থানাধীন এলাকায় মুরগির দোকানে
ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেপ্তার মো. ফারুক ওরফে কুত্তা ফারুক ও কর্নেলসহ ডাকাত দলের সাত জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
কারাগারে যাওয়া অন্য আসামিরা হলেন মো. সাইদ, আকাশ, মাইন উদ্দিন, সিফাত ওরফে হিটার ও মো. নাহিদুল।এদিন তাদের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও আদাবর থানার উপপরিদর্শক ইয়ামিন সরকার তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে বুধবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে শেখেরটেক ৭ নম্বর সড়কের ব্রিজসংলগ্ন ঢালে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে চাপাতি, ছোরা, কুড়াল ও শাবলসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ওইদিন রাতে তাদের বিরুদ্ধে আদাবর থানায় দুটি মামলা হয়েছে। একটি ডাকাতির প্রস্তুতি ও ডাকাতির উদ্দেশ্যে সংঘবদ্ধ হওয়া এবং অপরটি অস্ত্র আইনে।