, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

খলিল-গোলাম তরতাজা তাহলে কি কাজে!

  • প্রকাশের সময় : ১০:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৪ পড়া হয়েছে
অনলাইন সোমবার২৩সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করাটা একটু কঠিন বটে। তারপরও একটু আশা করেছিলাম- মার্কিনিদের সঙ্গে গোলামী চুক্তির কারিগর খলিলুর রহমানকে যখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী করেছে, আর সেই খলিল এবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি; বোয়িং কেনার সংখ্যা ২৫টিতে উন্নীত হয়েছে বলে ট্রাম্প অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন- তখন দ্বিপক্ষীয় বৈঠক না হলেও সাধারণ পরিষদের সাইডলাইনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অন্তরঙ্গ একটা সাক্ষাৎ হয়তো হবে।
সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখলাম, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, সেই সম্ভাবনা নেই।
তাহলে প্রশ্নটা থেকেই যায়- খলিলকে এত বড় একটি আন্তর্জাতিক পদে বসিয়ে বাংলাদেশের লাভটা কী হলো? তাকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেখেই বা কী হলো? আর ওয়াশিংটনে প্রেস মিনিস্টারের পদে গোলাম তরতাজাকে রাষ্ট্রদূতের চেয়েও বড় মর্যাদায় রেখে সরকারের লাভটাই বা কী হলো?

Anis Alamgir’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

খলিল-গোলাম তরতাজা তাহলে কি কাজে!

প্রকাশের সময় : ১০:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অনলাইন সোমবার২৩সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করাটা একটু কঠিন বটে। তারপরও একটু আশা করেছিলাম- মার্কিনিদের সঙ্গে গোলামী চুক্তির কারিগর খলিলুর রহমানকে যখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী করেছে, আর সেই খলিল এবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি; বোয়িং কেনার সংখ্যা ২৫টিতে উন্নীত হয়েছে বলে ট্রাম্প অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন- তখন দ্বিপক্ষীয় বৈঠক না হলেও সাধারণ পরিষদের সাইডলাইনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অন্তরঙ্গ একটা সাক্ষাৎ হয়তো হবে।
সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখলাম, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, সেই সম্ভাবনা নেই।
তাহলে প্রশ্নটা থেকেই যায়- খলিলকে এত বড় একটি আন্তর্জাতিক পদে বসিয়ে বাংলাদেশের লাভটা কী হলো? তাকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেখেই বা কী হলো? আর ওয়াশিংটনে প্রেস মিনিস্টারের পদে গোলাম তরতাজাকে রাষ্ট্রদূতের চেয়েও বড় মর্যাদায় রেখে সরকারের লাভটাই বা কী হলো?

Anis Alamgir’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।