, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

জুলাইবিক্রি করে যারানতুন মালিক বনে গেছেনতাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে

  • প্রকাশের সময় : ১১:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
  • ১০০ পড়া হয়েছে
বিক্রি করে যারা দেশের নতুন মালিক বনে গেছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে
অনলাইন ০৪ জুলাই, ২০২৬
ইউনূসের দেড় বছরে জুলাই আন্দোলনের প্রকৃত নিহতের সংখ্যা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়নি। অনেক জীবিত মানুষকে জুলাই শহীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে গোটা বিষয়টিকে খেলো করে ফেলা হয়। জুলাইয়ে আহতদের চিকিৎসা নিয়েও চলে তেলেসমাতি কারবার। অন‍্য কারণে অসুস্থদের জুলাই আহত হিসেবে দেখিয়ে তাদের ভাতা দেয়ার খবরও গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এসব দুর্নীতি আর অনিয়মের কারণে জনগণের মধ্যে জুলাইয়ের আবেগ কমতে থাকে। আর জুলাই যোদ্ধা নামে কতিপয় ইউনূস ঘনিষ্ঠ যেন হঠাৎ করেই আলাদিনের চেরাগ পেয়ে যান। তাদের রাতারাতি বিত্তবান হয়ে ওঠা সকলের কাছে দৃষ্টিকটু হয়ে ওঠে। যারা কদিন আগেও টিউশনি করে চলতো তারা হঠাৎ করেই ধনকুবের হয়ে যায়। মেসে থাকা তরুণ গুলশান, বারিধারায় বিলাসবহুল ফ্ল্যাটের মালিক হন। পায়ে হেঁটে ঘুরে বেড়ানো শিক্ষার্থী প্রাডো গাড়িতে চড়ে ঘুরে বেড়ান। হঠাৎ এই বিত্তের উৎকট রূপ দেখে সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ এবং বিরক্ত হয়। ’২৪ এর পাঁচ আগস্টের পর একটা নব্য গোষ্ঠীর জন্ম হয়, যাদের একমাত্র উপার্জনের পথ হলো জুলাই চেতনা বিক্রি করা। জুলাই চেতনার ব‍্যবসা করে নতুন একটি লুটেরা শ্রেণি তৈরি হয়েছে দেশে। যারা নব্য ফ‍্যাসিবাদী হিসেবই পরিচিতি পেয়েছে।
জুলাইয়ে যে নারীরা তাদের অধিকারের জন্য রাস্তায় নেমেছিলেন তারা তাদের অধিকার পাননি বরং নারীদের উপর নিপীড়ন বেড়েছে। যে শিক্ষক শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশের জন্য রাস্তায় নেমেছিলেন তিনি এখন মবের ভয়ে আতঙ্কিত। যে ব‍্যবসায়ী চাঁদাবাজ মুক্ত, ব‍্যবসা বান্ধব পরিবেশের আশায় বুক বেঁধেছিলেন তার প্রতিষ্ঠান এখন বন্ধ হবার উপক্রম। যে শিক্ষার্থীরা শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ চেয়েছিল তাদের শিক্ষাজীবন আজ অনিশ্চিত। যারা বৈষম্য মুক্তির স্বপ্ন দেখছিলেন তারা আজ নতুন বৈষম্যে আক্রান্ত। যে সাংবাদিকরা মন খুলে স্বাধীন মত প্রকাশের আশা করেছিলেন তিনি এখন চাকরি হারা, নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এভাবেই জুলাই আন্দোলনের দুই বছরের মাথায় আজ দেশ জুড়ে স্বপ্ন ভঙ্গের বেদনা, প্রতারিত হওয়ার গল্প। আশাহত মানুষের দীর্ঘশ্বাস কান পাতলেই শোনা যায়। কিন্তু এদেশের মানুষ হারতে জানে না। তারা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে কখনও ভুল করে না।
তারা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে কখনও ভুল করে না। তাই তারা ইউনুসের ষড়যন্ত্র সফল হতে দেয়নি। তারা নিজেদের পছন্দের দলকে বাছাই করার জন্য একটি নির্বাচন আদায় করেছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠন করেছে। এখন জুলাই চেতনার ব‍্যবসায় ভাটার টান। সরকার চারমাসের মধ্যে দেশকে একটি শৃঙ্খলার মধ্যে আনার চেষ্টা করছে। আর তাই জুলাই নিয়ে যারা বানিজ্য করছে তাদের অনেক অভিমান। তারা সুযোগ পেলেই সরকারকে নানারকম হুমকি দিচ্ছে। আশা কথা সরকার এখনও এসব ধমক এবং হুমকিতে ভয় পায়নি। বর্তমান সরকার কে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে আস্হার পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। বৈষম্য মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। এটাই জুলাই চেতনা। জুলাই বিক্রি করে যারা দেশের নতুন মালিক বনে গেছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে। জুলাই আন্দোলন কতিপয় শিক্ষার্থীর ভাগ্যের বদলের জন্য হয়নি,আপামর মানুষের সুন্দর জীবনের প্রত্যাশায় হয়েছে।
Audite Karim’s Post
জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

জুলাইবিক্রি করে যারানতুন মালিক বনে গেছেনতাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে

প্রকাশের সময় : ১১:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
বিক্রি করে যারা দেশের নতুন মালিক বনে গেছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে
অনলাইন ০৪ জুলাই, ২০২৬
ইউনূসের দেড় বছরে জুলাই আন্দোলনের প্রকৃত নিহতের সংখ্যা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়নি। অনেক জীবিত মানুষকে জুলাই শহীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে গোটা বিষয়টিকে খেলো করে ফেলা হয়। জুলাইয়ে আহতদের চিকিৎসা নিয়েও চলে তেলেসমাতি কারবার। অন‍্য কারণে অসুস্থদের জুলাই আহত হিসেবে দেখিয়ে তাদের ভাতা দেয়ার খবরও গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এসব দুর্নীতি আর অনিয়মের কারণে জনগণের মধ্যে জুলাইয়ের আবেগ কমতে থাকে। আর জুলাই যোদ্ধা নামে কতিপয় ইউনূস ঘনিষ্ঠ যেন হঠাৎ করেই আলাদিনের চেরাগ পেয়ে যান। তাদের রাতারাতি বিত্তবান হয়ে ওঠা সকলের কাছে দৃষ্টিকটু হয়ে ওঠে। যারা কদিন আগেও টিউশনি করে চলতো তারা হঠাৎ করেই ধনকুবের হয়ে যায়। মেসে থাকা তরুণ গুলশান, বারিধারায় বিলাসবহুল ফ্ল্যাটের মালিক হন। পায়ে হেঁটে ঘুরে বেড়ানো শিক্ষার্থী প্রাডো গাড়িতে চড়ে ঘুরে বেড়ান। হঠাৎ এই বিত্তের উৎকট রূপ দেখে সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ এবং বিরক্ত হয়। ’২৪ এর পাঁচ আগস্টের পর একটা নব্য গোষ্ঠীর জন্ম হয়, যাদের একমাত্র উপার্জনের পথ হলো জুলাই চেতনা বিক্রি করা। জুলাই চেতনার ব‍্যবসা করে নতুন একটি লুটেরা শ্রেণি তৈরি হয়েছে দেশে। যারা নব্য ফ‍্যাসিবাদী হিসেবই পরিচিতি পেয়েছে।
জুলাইয়ে যে নারীরা তাদের অধিকারের জন্য রাস্তায় নেমেছিলেন তারা তাদের অধিকার পাননি বরং নারীদের উপর নিপীড়ন বেড়েছে। যে শিক্ষক শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশের জন্য রাস্তায় নেমেছিলেন তিনি এখন মবের ভয়ে আতঙ্কিত। যে ব‍্যবসায়ী চাঁদাবাজ মুক্ত, ব‍্যবসা বান্ধব পরিবেশের আশায় বুক বেঁধেছিলেন তার প্রতিষ্ঠান এখন বন্ধ হবার উপক্রম। যে শিক্ষার্থীরা শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ চেয়েছিল তাদের শিক্ষাজীবন আজ অনিশ্চিত। যারা বৈষম্য মুক্তির স্বপ্ন দেখছিলেন তারা আজ নতুন বৈষম্যে আক্রান্ত। যে সাংবাদিকরা মন খুলে স্বাধীন মত প্রকাশের আশা করেছিলেন তিনি এখন চাকরি হারা, নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এভাবেই জুলাই আন্দোলনের দুই বছরের মাথায় আজ দেশ জুড়ে স্বপ্ন ভঙ্গের বেদনা, প্রতারিত হওয়ার গল্প। আশাহত মানুষের দীর্ঘশ্বাস কান পাতলেই শোনা যায়। কিন্তু এদেশের মানুষ হারতে জানে না। তারা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে কখনও ভুল করে না।
তারা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে কখনও ভুল করে না। তাই তারা ইউনুসের ষড়যন্ত্র সফল হতে দেয়নি। তারা নিজেদের পছন্দের দলকে বাছাই করার জন্য একটি নির্বাচন আদায় করেছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠন করেছে। এখন জুলাই চেতনার ব‍্যবসায় ভাটার টান। সরকার চারমাসের মধ্যে দেশকে একটি শৃঙ্খলার মধ্যে আনার চেষ্টা করছে। আর তাই জুলাই নিয়ে যারা বানিজ্য করছে তাদের অনেক অভিমান। তারা সুযোগ পেলেই সরকারকে নানারকম হুমকি দিচ্ছে। আশা কথা সরকার এখনও এসব ধমক এবং হুমকিতে ভয় পায়নি। বর্তমান সরকার কে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে আস্হার পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। বৈষম্য মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। এটাই জুলাই চেতনা। জুলাই বিক্রি করে যারা দেশের নতুন মালিক বনে গেছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে। জুলাই আন্দোলন কতিপয় শিক্ষার্থীর ভাগ্যের বদলের জন্য হয়নি,আপামর মানুষের সুন্দর জীবনের প্রত্যাশায় হয়েছে।
Audite Karim’s Post