, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

তোমাকে অভিবাদন প্রিয়তমা।

  • প্রকাশের সময় : ১২:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫০ পড়া হয়েছে

অনলাইন মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পারতাম বটে, গাড়ি-বাড়ি তোমাকে কিনে দিতে, সাথে রঙ-বেরঙের শাড়ি কিংবা গহনাগাটি। কিন্তু মাটি আর মানুষের প্রতি আজন্মের ভালোবাসা মিলেমিশে ঘাসের ভেতরে পোকামাকড়ের বন্ধুর মতন, হয়ে আছি- অতি সাধারণদের একজন।
তবে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নাগরিক হিসেবে এই সাধারণ মানুষেরা খুববেশি ভালো নেই, এখন। ভালোর সামনে বেশি’তো নয়ই, খুব’ শব্দটাও অনেকের কাছে বেমানানের মতন। জীবিকার সাথে জীবনের লড়াইয়ে প্রতিনিয়ত পর্যুদস্ত এরা; দ্রব্যমূল্যের পাগলাঘোড়ার উর্দ্ধশ্বাসে রীতিমত দিশেহারা। প্রকট বৈষম্যের অভিঘাতে উন্নয়নের গল্প শোনার ফুরসত না মেলা- এদের ভাঙাচোড়া জীবনের অনুন্নয়নের কাছে বাইরের চাকচিক্যের আলো প্রবেশ করতে পারে না বলে, তাদের অন্তরের শুকিয়ে যাওয়া আলো আর্থ-সমাজের দাপুটে বুকেও দৃশ্যমান হয়ে উঠে না। অর্থ আর ক্ষমতার দোদন্ড প্রতাপের পাশে নিভু-নিভু প্রদীপের মত টিকে থাকা আর না-থাকার এমনতর অস্তিত্বের লড়াইয়ে দুষ্ট অর্থনীতিকদের অপুষ্ট ব্যাখ্যায় সাজানো-গোছানো পার-ক্যাপিটাল ইনকামের দ্বারা একদিকে যেমন প্রতারিত তারা, অন্যদিকে আবার কর্তৃত্ববাদের চাপিয়ে দেয়া নানান বিধির বিবিধ-ভীতির সাথে যুক্ত এখানে- ধর্মীয় বিধানের আরোপিত হাতকড়া! ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের শপথে ঋদ্ধঃ আমাদের সাম্য, সামাজিক ন্যায়বিচার আর মানবিক মর্যাদাহীনতার এমনতর দীনতায়, তোমার জন্মদিন আসে যখন চোখরাঙানো বিদেশীদের এই অরক্ষিত আঙিনায়; মন চলে যায় তখন, স্বাধীনতাপূর্বের শেষ জন্মদিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দরাজ প্রতিক্রিয়ায়। দেশি-বিদেশি সাংবাদিকদের সামনে তখন তাঁকে বলতে শোনা যায়ঃ
কিসের জন্মদিন, আর কিসের মৃত্যুদিন; আমার কাছে তো এখন সবটাই সমান।
দু’লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমহানির মধ্যদিয়ে অর্জিত এই স্বাধীন স্বদেশে বেদনাদায়কভাবে এখনো বহমান সেই আগোয়ান শঙ্কার মাঝে তোমার জন্মদিন যখন তবুও আসে, পাশে ব’সে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক বটতলার অগ্নিছায়ায় তখন রুখে দাঁড়ানোর দিনগুলোই কেবল দিব্যদৃষ্টিতে ভাসে। সকল স্বৈরাচার আর স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে বারবার জ্বলে উঠা তারুন্য-যৌবনের অদম্য সেই সাহসের কাছে বরাবর নতজানু আমি; রীতা’কে নিবেদনের জন্মদিনে তাইবুঝি বটতলার তপ্ত বুক থেকে কবির সুমনের কন্ঠ বেয়ে তুলে আনি, সুরের এই গেরিলা অভিবাদনখানি।
তোমাকে অভিবাদন প্রিয়তমা!
প্রিয়তমা,
ভয় নেই
এমন দিন এনে দেব
দেখো সেনাবাহিনী
বন্দুক নয়
শুধু গোলাপের তোড়া হাতে কুচকাওয়াজ
করবে তোমার সামনে
শুধু তোমাকেই তোমাকেই
স্যালুট করবে তারা দিনরাত।
প্রিয়তমা,
তোমাকে অভিবাদন প্রিয়তমা।

Fida Hasan Rislu’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

তোমাকে অভিবাদন প্রিয়তমা।

প্রকাশের সময় : ১২:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনলাইন মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পারতাম বটে, গাড়ি-বাড়ি তোমাকে কিনে দিতে, সাথে রঙ-বেরঙের শাড়ি কিংবা গহনাগাটি। কিন্তু মাটি আর মানুষের প্রতি আজন্মের ভালোবাসা মিলেমিশে ঘাসের ভেতরে পোকামাকড়ের বন্ধুর মতন, হয়ে আছি- অতি সাধারণদের একজন।
তবে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নাগরিক হিসেবে এই সাধারণ মানুষেরা খুববেশি ভালো নেই, এখন। ভালোর সামনে বেশি’তো নয়ই, খুব’ শব্দটাও অনেকের কাছে বেমানানের মতন। জীবিকার সাথে জীবনের লড়াইয়ে প্রতিনিয়ত পর্যুদস্ত এরা; দ্রব্যমূল্যের পাগলাঘোড়ার উর্দ্ধশ্বাসে রীতিমত দিশেহারা। প্রকট বৈষম্যের অভিঘাতে উন্নয়নের গল্প শোনার ফুরসত না মেলা- এদের ভাঙাচোড়া জীবনের অনুন্নয়নের কাছে বাইরের চাকচিক্যের আলো প্রবেশ করতে পারে না বলে, তাদের অন্তরের শুকিয়ে যাওয়া আলো আর্থ-সমাজের দাপুটে বুকেও দৃশ্যমান হয়ে উঠে না। অর্থ আর ক্ষমতার দোদন্ড প্রতাপের পাশে নিভু-নিভু প্রদীপের মত টিকে থাকা আর না-থাকার এমনতর অস্তিত্বের লড়াইয়ে দুষ্ট অর্থনীতিকদের অপুষ্ট ব্যাখ্যায় সাজানো-গোছানো পার-ক্যাপিটাল ইনকামের দ্বারা একদিকে যেমন প্রতারিত তারা, অন্যদিকে আবার কর্তৃত্ববাদের চাপিয়ে দেয়া নানান বিধির বিবিধ-ভীতির সাথে যুক্ত এখানে- ধর্মীয় বিধানের আরোপিত হাতকড়া! ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের শপথে ঋদ্ধঃ আমাদের সাম্য, সামাজিক ন্যায়বিচার আর মানবিক মর্যাদাহীনতার এমনতর দীনতায়, তোমার জন্মদিন আসে যখন চোখরাঙানো বিদেশীদের এই অরক্ষিত আঙিনায়; মন চলে যায় তখন, স্বাধীনতাপূর্বের শেষ জন্মদিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দরাজ প্রতিক্রিয়ায়। দেশি-বিদেশি সাংবাদিকদের সামনে তখন তাঁকে বলতে শোনা যায়ঃ
কিসের জন্মদিন, আর কিসের মৃত্যুদিন; আমার কাছে তো এখন সবটাই সমান।
দু’লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমহানির মধ্যদিয়ে অর্জিত এই স্বাধীন স্বদেশে বেদনাদায়কভাবে এখনো বহমান সেই আগোয়ান শঙ্কার মাঝে তোমার জন্মদিন যখন তবুও আসে, পাশে ব’সে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক বটতলার অগ্নিছায়ায় তখন রুখে দাঁড়ানোর দিনগুলোই কেবল দিব্যদৃষ্টিতে ভাসে। সকল স্বৈরাচার আর স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে বারবার জ্বলে উঠা তারুন্য-যৌবনের অদম্য সেই সাহসের কাছে বরাবর নতজানু আমি; রীতা’কে নিবেদনের জন্মদিনে তাইবুঝি বটতলার তপ্ত বুক থেকে কবির সুমনের কন্ঠ বেয়ে তুলে আনি, সুরের এই গেরিলা অভিবাদনখানি।
তোমাকে অভিবাদন প্রিয়তমা!
প্রিয়তমা,
ভয় নেই
এমন দিন এনে দেব
দেখো সেনাবাহিনী
বন্দুক নয়
শুধু গোলাপের তোড়া হাতে কুচকাওয়াজ
করবে তোমার সামনে
শুধু তোমাকেই তোমাকেই
স্যালুট করবে তারা দিনরাত।
প্রিয়তমা,
তোমাকে অভিবাদন প্রিয়তমা।

Fida Hasan Rislu’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।