
অনলাইন সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
বৈঠকে অংশ নিতে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ বর্তমানে ভারতে অবস্থানরত শীর্ষ অন্তত ২১ জন কেন্দ্রীয় নেতাকে ইতোমধ্যে দিল্লিতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ক্ষমতাচ্যুতির দীর্ঘ সময় পর শেখ হাসিনার আহ্বানে হঠাৎ এই সশরীরে বৈঠকের খবর ছড়িয়ে পড়তেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র কৌতূহল ও নানা মেরুকরণ শুরু হয়েছে।
বৈঠকের নেপথ্য কারণ ও সম্ভাব্য এজেন্ডা:-রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই বৈঠকের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ বেশ কিছু বড় সিদ্ধান্তের রূপরেখা তৈরি করতে পারে:-নেতৃত্বের পুনর্বিন্যাস ও দিকনির্দেশনা: দীর্ঘদিন শীর্ষ নেতাদের আত্মগোপনে থাকা ও যোগাযোগের অভাবে তৈরি হওয়া সাংগঠনিক শৃঙ্খলার অভাব দূর করতে দলের কেন্দ্রীয় ও ভারপ্রাপ্ত নেতৃত্বের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
দেশে ফেরার ও আইনি লড়াইয়ের কৌশল: শেখ হাসিনার দেশে ফেরার যে আলোচনা বা গুঞ্জন রয়েছে, সেটির আইনি ও কৌশলগত রূপরেখা এই বৈঠকেই চূড়ান্ত হতে পারে।-রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণ: চব্বিশের পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের বিচার প্রক্রিয়া মোকাবিলায় দলের অবস্থান কী হবে, তার পথনকশা তৈরি করা।
শেখ হাসিনার উপস্থিতি ও নির্দেশনায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই সরাসরি বৈঠকটি আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও ভবিষ্যতের রাজনৈতিক পথচলায় একটি বড় ‘টার্নিং পয়েন্ট’ হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
MD Baizid Sarkar’s Post
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।





















