
ভুটান মিটিংয়ে ব্যস্ত পাশ্ববর্তী দেশের গোয়েন্দা সংস্হা! ও তারেক রহমান সাহেবের সরকারের পররাষ্ট্রনীতি!
রেজা আহমদ ফয়সল চৌধুরী
কি করবেন তারেক রহমান সাহেব? কোনদিকে যাবেন তিনি। চায়না? ইন্ডিয়া? না আমেরিকা? না পাকিস্তান? কঠিন পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে তাকে। যাদের নিয়ে যাত্রা শুরু করেছেন তাদের বেশীরভাগই প্রিম্যাচুর। বাংলাদেশ প্রেমিক অথবা বিএনপি প্রেমিক বলতে তারেক রহমান সাহেবের কেবিনেটে খুবই কম সংখ্যক মন্ত্রী রয়েছে। রজার খলিল সাহেব আমেরিকা পন্হী। বাকীগুলো বুঝে না বুঝে ইন্ডিয়া পাকীস্তানের গান গায়। তাছাড়া পেশাদার কুঠনৈতীক না হলে বাংলাদেশের মত দেশের পররাষ্ট্রনীতির ভবিষ্যত কি? বড় বড় ধনী দেশগুলোর পররাষ্ট্রনীতি কি? তাদের নীতি হচ্ছে গ্লোবাল ইকনমিক এন্ড পলিটিক্যাল টেররিজম। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি কি? বলে সবার সাথে বন্ধুত্ব। আচ্ছা বর্তমান যুগে ভাই -ভাই ঝগড়া লেগে যায়। অনেকেই মনের সুখে গান গাইছেন বাংলাদেশ জাতিসংঘের সভাপতি। হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী সাহেবও আজ থেকে 30/35 বছর আগের জাতিসংঘের সভাপতি ছিলেন তো কি হয়েছে বাংলাদেশের গরীব মানুষের বাড়ীতে দালান উঠেছিল? সে যাই হোক। তারেক রহমান সাহেব যাদেরকে নিয়ে যাত্রা শুরু করেছেন আমার খুবই ভয় হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত তিনি কি পারবেন সামলাতে? বর্তমান চীনের যিনি প্রেসিডেন্ট তার সাথে এক সময় খুবই ভালো সম্পর্ক ছিল সাবেক আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মরহুম সৈয়দ আশরাফ সাহেবের। চীনের বর্তমানে প্রেসিডেন্ট যখন লন্ডনে ছিলেন তখন তিনি ছাত্র ছিলেন, নর্থ লন্ডনের একটি পাবে বসে সফট ড্রিঙ্কস—- পান করতেন। সেই সম্পর্ককে অনন্য এক পর্যায়ে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন মরহুম আশরাফ। কিন্ত কা-কা-কাদের স্যারের জন্য পারেননি। এক পর্যায়ে কাদের স্যারই হলেন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি ইন্ডিয়ার জোরেই টানা তিনবার সাধারণ সম্পাদক হয়ে আওয়ামীলীগকে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়ে এখন দিব্যি ইন্ডিয়া বসে তামাক টানছেন। আশরাফ সাহেবকে যদি শেখ হাসিনা কাছে রাখতেন আশরাফ সাহেবের কথা শুনতেন তাহলে আজকের দিন হয়তো আওয়ামীলীগকে দেখতে হতোনা। সে যাক। তারেক রহমান সাহেবের পরিনতি যেন শেখ হাসিনা অথবা আওয়ামীলীগের মত না হয়। ভুটানে যে বৈঠকটি হয়েছে সেটি পাশ্ববর্তী দেশের গোয়েন্দা সংস্হার উচ্চপর্যায়ের লোক তাতে উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশের যারা উপস্থিত ছিলেন তারা অবশ্য তাদের কথাবার্তা বুঝতে পেরেছিলেন কি না আমার যথেষ্ঠ সন্দেহ। তবে দুএকজন বুঝতে পেরেছেন। পাশ্ববর্তী দেশের সরকার কি চায়? তারা চায় বাংলাদেশে যেন জঙ্গিবাদ না বাড়ে। তারা চায় বাংলাদেশ যেন অতিমাত্রায় চায়নার দিকে ঝুকে না পড়ে। তাদের এই কনর্সান তারেক রহমান সাহেব বুঝতে পারলেই হলো। তবে শেখ হাসিনা সরকারের মত অতিমাত্রায় ইন্ডিয়ার প্রেমে যেন হাবুডুবু না খান। এদিকে সোসেল মিডিয়ায় দেখলাম যুদ্ধ বিমান কিনছে বাংলাদেশ চায়না থেকে! কে লিখেছে একেকটির মুল্য মাত্র সাড়ে সাতশ কোটি টাকা। আমারা কার সাথে যুদ্ধ করব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী? এই যুদ্ধ বিমানের পিছনে টাকা ইনভেস্ট করার কি এই মুহুর্তে খুবই দরকার? এ মুহূর্তে দরকার ভঙ্গুর অর্থনীতিকে শক্ত ভিত্তির উপর দাড় করানো। সরকারের এ মুহূর্তে উচিৎ বাংলাদেশ থেকে দক্ষ শ্রমিক বিদেশে পাঠিয়ে দেওয়া। রেমিট্যান্স যত বাড়বে অর্থনীতি তত মজবুত হবে। আর্থনীতি যত মজবুত সরকার ততই শক্তিশালী। তখন কে কি বলল তাতে কিছুই যায় আসেনা। তখন আমেরিকার কথা না শুনলে সমস্যা নেই। ইন্ডিয়ার কথা না শুনলেও সমস্যা নেই। এদিকে পাকিস্তানের কথা না শুনলেও সমস্যা নেই। তারেক রহমান সাহেবকে বুঝে শুনে পা ফেলতে হবে। বৃটেনে গত 10 বছরে 6 জন প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তন হয়েছেন। হিমশিম খাচ্ছে বৃটেনের মত দেশ। রাজনীতিতে গুনগত পরিবর্তন না আনতে পারলে মানুষকে অর্থনৈতিক মুক্তি না দিতে পারলে বর্তমান সরকার কি হামিদ কারজাইর পথে হাটবে? রজার খলিলকে আমার খুবই ভয় হয়। সেদিন বাজেট নিয়ে এক মিটিং দেখলাম ঢাকায়। বড় বড় অর্থনীতিবিদরা উপস্হিত থেকে বক্তব্যে রেখেছেন। এক ভদ্রলোক বক্তব্যে রাখতে গিয়ে বলেছেন এ বাজেটে নাকি দর্শন আছে। আচ্ছা বলেন তো বাজেটে দর্শন থেকে লাভ কি? বাজেটে তো শুধু অর্থ নিয়ে কথা। নীতি আর দর্শন নিয়ে কেউ কথা বলবে? অর্থ হচ্ছে বাস্তবতা নীতি হচ্ছে আধ্যাত্নিকতা। তারেক রহমান সাহেব যদি বাস্তবতার পথে হাটেন তাহলে ভবিষ্যৎ উজ্জল। শুভকামনা তারেক রহমান সাহেবের প্রতি।
বিঃদ্রঃ ভুটান মিটিংয়ে কি হলো না হলো একট খোজ নেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। খেয়াল রাখবেন কেউ যেন তার ব্যাক্তি স্বার্থের জন্য আমাদেরকে বিক্রি করে ন দেয়।
লেখক সভাপতি ইউক বাংলা প্রেস ক্লাব
ব্যবস্হাপনা পরিচালক চ্যানেল ইউরোপ বাংলা ইংলিশ আইপিটিভি
লন্ডন -25 জুন 2026 ইংরেজি
ইমেল channeleuropetv@yahoo.com





















