
অনলাইন
একটা বিষয় কি জানেন, আমাদের দেশের মূলধারার সাংস্কৃতিক কর্মীরা আস্তে আস্তে আবার সরব হচ্ছেন। এটি কিন্তু একটি ইতিবাচক দিক। ৫ আগস্টের আগে অনেকেই এই লাল বাহিনীর পক্ষ নিলেও, এখন সেটি তারা ভুল বুঝতে পেরে আবার প্রতিবাদী হয়েছেন। তারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সোচ্চার। অবশ্য মূলধারার সাংস্কৃতিক কর্মীরা কেউ কখনো ওদের পক্ষে ছিলেন না। তবে অনেকেই আওয়ামী লীগের আমলে সুযোগ-সুবিধা নিয়ে সংসদ সদস্য হয়ে লাপাত্তা। কিন্তু যারা সুযোগ-সুবিধা নেননি, তারা এখন লড়াই করছেন। প্রথম থেকেই রুকিয়া প্রাচি , অরুণা দি, সাবাপা, সুইটি, তারিন, দিনাত জাহান মুন্নী, মারিয়া কিসপত্তা—এরা সরব ছিলেন।
এখন আরও অনেকেই একসঙ্গে আওয়াজ তুলছেন, প্রতিবাদ করছেন, আমাদের উজ্জীবিত করছেন। সেটিই আমাদের লড়াইয়ের স্পৃহা হয়ে কাজ করছে।
একটি দেশকে রাজাকারমুক্ত করতে প্রগতিশীলদের অংশগ্রহণ অনস্বীকার্য। সাংস্কৃতিক জাগরণই দেশকে জাগিয়ে তোলে। সবার প্রতি শুভকামনা। আমাদের লড়াই চলুক।
অভাগা মানুষ যেন জেগে ওঠে আবার এ আশায়,
যে, আবার নূরলদীন একদিন আসিবে বাংলায়,
আবার নূরলদীন একদিন কাল পূর্ণিমায়
দিবে ডাক, “জাগো, বাহে, কোনঠে সবায়?”





















