, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নরওয়ের বিপক্ষে এখনো জয়হীন ব্রাজিল, অবশেষে ভাঙবে কি পুরোনো রেকর্ড?

  • প্রকাশের সময় : ০৭:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
  • ১২ পড়া হয়েছে

 ০১ জুলাই ২০২৬, ১০:০৮

এ পর্যন্ত দুই দল চারবার মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে দুটি ম্যাচে জয় পেয়েছে নরওয়ে, আর বাকি দুটি ড্র হয়েছে। দুই দলের প্রথম সাক্ষাৎ ১৯৮৮ সালের একটি প্রীতি ম্যাচে, যা ১-১ গোলে শেষ হয়। এরপর ১৯৯৭ সালের আরেকটি প্রীতি ম্যাচে ৪-২ ব্যবধানে ব্রাজিলকে হারিয়ে চমক দেখায় নরওয়ে।

দুই দলের সবচেয়ে স্মরণীয় লড়াই হয় ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে। ব্রাজিলকে ২-১ গোলে হারিয়ে রাউন্ড অব ষোলো নিশ্চিত করেছিল নরওয়ে। ওই ম্যাচে শেষ দিকে পেনাল্টি থেকে জয়সূচক গোল করেছিলেন কিয়েতিল রেকদাল। ব্রাজিলের বিপক্ষে সেটিই তাদের সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়। এরপর ২০০৬ সালে সর্বশেষ প্রীতি ম্যাচেও দুই দল ১-১ গোলে ড্র করে।

অতীতের পরিসংখ্যান ব্রাজিলের বিপক্ষে থাকলেও বর্তমান দল নিয়ে আশাবাদী কোচ কার্লো আনচেলত্তি। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, ম্যাতিয়াস কুনহা, গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি ও নেইমারকে ঘিরে গড়া আক্রমণভাগ যেকোনো প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে চাপ তৈরি করতে সক্ষম। জাপানের বিপক্ষে জয়ও দলটির আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে।

এখন দেখার বিষয়, দীর্ঘদিনের জয়হীনতার রেকর্ড ভেঙে ব্রাজিল কি শেষ আটে জায়গা করে নিতে পারে, নাকি নরওয়ে আবারও চমক দেখিয়ে নিজেদের ঐতিহাসিক আধিপত্য বজায় রাখে। ফুটবলপ্রেমীদের চোখ এখন সেই লড়াইয়ের দিকেই। সব মিলিয়ে ৫ জুলাইয়ের এই ম্যাচটি হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণীয় লড়াই।

জনপ্রিয়

নরওয়ের বিপক্ষে এখনো জয়হীন ব্রাজিল, অবশেষে ভাঙবে কি পুরোনো রেকর্ড?

প্রকাশের সময় : ০৭:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

 ০১ জুলাই ২০২৬, ১০:০৮

এ পর্যন্ত দুই দল চারবার মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে দুটি ম্যাচে জয় পেয়েছে নরওয়ে, আর বাকি দুটি ড্র হয়েছে। দুই দলের প্রথম সাক্ষাৎ ১৯৮৮ সালের একটি প্রীতি ম্যাচে, যা ১-১ গোলে শেষ হয়। এরপর ১৯৯৭ সালের আরেকটি প্রীতি ম্যাচে ৪-২ ব্যবধানে ব্রাজিলকে হারিয়ে চমক দেখায় নরওয়ে।

দুই দলের সবচেয়ে স্মরণীয় লড়াই হয় ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে। ব্রাজিলকে ২-১ গোলে হারিয়ে রাউন্ড অব ষোলো নিশ্চিত করেছিল নরওয়ে। ওই ম্যাচে শেষ দিকে পেনাল্টি থেকে জয়সূচক গোল করেছিলেন কিয়েতিল রেকদাল। ব্রাজিলের বিপক্ষে সেটিই তাদের সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়। এরপর ২০০৬ সালে সর্বশেষ প্রীতি ম্যাচেও দুই দল ১-১ গোলে ড্র করে।

অতীতের পরিসংখ্যান ব্রাজিলের বিপক্ষে থাকলেও বর্তমান দল নিয়ে আশাবাদী কোচ কার্লো আনচেলত্তি। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, ম্যাতিয়াস কুনহা, গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি ও নেইমারকে ঘিরে গড়া আক্রমণভাগ যেকোনো প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে চাপ তৈরি করতে সক্ষম। জাপানের বিপক্ষে জয়ও দলটির আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে।

এখন দেখার বিষয়, দীর্ঘদিনের জয়হীনতার রেকর্ড ভেঙে ব্রাজিল কি শেষ আটে জায়গা করে নিতে পারে, নাকি নরওয়ে আবারও চমক দেখিয়ে নিজেদের ঐতিহাসিক আধিপত্য বজায় রাখে। ফুটবলপ্রেমীদের চোখ এখন সেই লড়াইয়ের দিকেই। সব মিলিয়ে ৫ জুলাইয়ের এই ম্যাচটি হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণীয় লড়াই।