, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

নেত্রকোনা কামিল মাদ্রাসা শিক্ষকের ২ মিনিট ভিডিও

  • প্রকাশের সময় : ০৬:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৬ পড়া হয়েছে

অনলাইন রবিবার,২৭সেপ্টেম্বর২০২৬

নেত্রকোনা কামিল মাদ্রাসা শিক্ষকের ২ মিনিট ১০ সেকেন্ডের একটি ভিডিও গতকাল রাতে থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। হুজুর মাশাআল্লাহ এক বোরকা পরা নারীর স্তন টিপছেন। একজন হিজাবী নারীকে দিনেদুপুরে জোর করে গোপন কক্ষে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন।সবাই আলহামদুলিল্লাহ বলুন।
এরা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে , দ্বীনের গল্প শোনায় , কোরআনের পাখি বানায়, নারীদের শরীর দেখলে পাপ হবে ওয়াজ করে, জান্নাত ও জাহান্নামের গল্প মারায়। নির্বাচন এলে এরাই আবার আমাদের কাছে জামায়াত শিবির নামক জান্নাতের টিকিট বিক্রি করে।মা ও বোনকে দেখলেই এদের লিঙ্গ খাড়া হয়ে যায়। এজন্য এরা সারাদেশে কোরআনের পাখি তৈরি করছে, হিজাব ও বোরকার গল্প প্রচার করছে। মানুষকে ইসলামি সমাজ ও খেলাফতের স্বপ্ন দেখাচ্ছে।পুরো দেশটাকে এরা নষ্ট ও অসভ্যদের দেশ বানিয়ে ফেলেছে।
বোরকা , হিজাব ও টুপি এগুলো বাংলাদেশের জন্য অভিশাপ হয়ে এসেছিল।আজ থেকে ২৮ বছর আগে এক এমনি ঘটনার মুখোমুখি হয়েছিলাম আমরা।হাশিম মেম্বারের অষ্টম শ্রেণী পড়ুয়া মেয়েকে যৌন নির্যাতন করেছিল মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল হুজুর।এর প্রতিবাদে মাদ্রাসার ছাত্ররা তাকে বাথরুমে আটকে রেখেছিল।
যেদিন থেকে নারীরা বোরকা পরতে শুরু করেছে সেদিন থেকে একদল মাদ্রাসা শিক্ষক ভয়ানক উচ্ছৃঙ্খল হতে শুরু করলো। বোরকা পরা নারীদের দূর্বলতার সুযোগ নিতে শুরু করলো মাদ্রাসা শিক্ষকরা। আরবী ফিকাহ এর রসরসে গল্প পড়াতে গিয়ে এরা মেয়েদের বিভিন্ন যৌন উত্তেজনামূলক কথা ও ইঙ্গিত দেয়। মাদ্রাসা ছাত্র-ছাত্রীদের এরা জান্নাতের স্বপ্ন দেখিয়ে শরীর টেপায়। শিক্ষকদের এসব অশুভ উদ্দেশ্য অধিকাংশ মাদ্রাসা ছাত্র ছাত্রী বুঝতে পারে না। মাদ্রসার হুজুরের কাছে প্রাইভেট পড়তে যাওয়া মানে ওই মাদ্রাসা ছাত্রীর জীবন শেষ। গত ২৮ বছরে এই ধরণের নূন্যতম ৫ হাজার মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের গল্প আমি পড়েছি। দুই শতাধিক মাদ্রাসার শিক্ষক ও মসজিদের ইমামের বিচার নিজ চোখে দেখেছি।থু থু ছাড়া এদেরকে দেওয়ার আমার কিছুই নেই।
শ্রী- লীলা , মেরলিন মনরো এদের ঠোঁটে আমার চুমু খেতে ইচ্ছে করে। কিন্তু হুজুরদের এত অসভ্য , বর্বর প্রকৃতির মানুষ আমি আমার এই জীবনে দেখিনি।
একটি মেয়ের সামনে বসে কথা বলতেও আমাদের লজ্জা হয়। হুজুরদের এই নৈতিক শিক্ষা নেই।তওবা করলে সব পাপ মাফ হয়ে যায়।
বাংলাদেশের অধিকাংশ হুজুরের মোবাইল ঘাঁটলে দেখবেন – মোবাইল ভর্তি পর্ন মুভি। অসংখ্য মসজিদের ইমামের মোবাইল পর্ন মুভি আমি নিজ চোখে দেখেছি।
এরা আমাদের দেশের সাধারণ মানুষ থেকেও ভয়ানক খারাপ।নারী , যৌনতা ও ইসলামের জেহাদ এসব ছাড়া এদের মাথায় কোন সুস্থ চিন্তা নেই। জাতীয় সংসদে জামায়াতের এমপি আমীর হামজা প্রায় রাশ্মিকা মানদানাকে দেখে রোজ রাতে স্বপ্নদোষে ভূগেন। হেফাজতের মামুনুলদের অন্যের স্ত্রীকে নারায়ণগঞ্জের রিসোর্টে নিয়ে যেতে হয়।ন্যাম ফ্ল্যাটের ভেতরে জামায়াতের এমপি গাজী নজরুল ইসলামের ভবনে মরিয়মের লাশ মিলে।এসব কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়।গত ২৮ বছরে কয়েক লাখ অসুস্থ হুজুর ও মসজিদের ইমাম সৃষ্টি হয়েছে বাংলাদেশে। আগে এরা শিশুদের বলোতকার করতো , এখন নারী শিশুদের ধর্ষণ করে।
নারীদের যৌনাঙ্গের হেফাজতের গল্প পড়ানো অধিকাংশ হুজুর জাইঙ্গা পর্যন্ত পড়ে না। মসজিদে ইমামতি ও মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করার সময় কিছুক্ষণ পর পর‌ নির্লজ্জের মতো লিঙ্গের মধ্যে হাত দেয়। এদের অলস মস্তিষ্ক ও বিনে পয়সার খয়রাতি খানা আজ শয়তানের কারখানা হয়ে গেছে। এদের মস্তিষ্কে ৭২ হুরকে ধর্ষণ করার চিন্তা ছাড়া কোন সভ্য চিন্তা নেই।
জান্নাতি হুরদের শারীরিক বর্ণণা পড়তে পড়তে এসব হুজুরের মস্তিষ্ক বহু আগেই বিকৃত হয়ে গেছে। জান্নাতুল ফেরদাউস এর হুরদের শারীরিক বর্ণণা হুজুরদের মস্তিস্ক নষ্ট করে দিয়েছে।হুরদের শারীরিক কামনা করতে করতে এরা মানসিক অসুস্থ হয়ে পড়েছে।
কোন সুস্থ মানুষের পক্ষে দিনেদুপুরে এইভাবে একটি মাদ্রাসার মধ্য একজন নারীর স্তনে হাত দেয়া ও তাকে জোর করে সেক্স করে নিয়ে যাওয়া , এসব কেবল এই উন্মাদ হুজুরদের পক্ষেই সম্ভব। এদের লিঙ্গের কোন গার্ড থাকে না। একটু পর পর লুঙ্গির উপর দিয়ে , পায়জামার উপর দিয়ে লিঙ্গে হাত বুলায়।এরা মানসিকভাবে সম্পূর্ণ অসুস্থ। কোন মা ও বোন এদের হাতে নিরাপদ নয়।
জায়নামাজ কপালে ঠেকালেই যেই দেশে হুজুরদের সব অপকর্ম মাফ হয়ে যায় , সেই দেশে এসব অসুস্থ হুজুর শব্দটি উচ্চারণ করতেও আমার রুচিতে বাধে।এত কোরআন , হাদীস ও ইসলামের শিক্ষা শিখে কী লাভ হয়েছে?
এদের দৈনন্দিন পাপাচার কি আল্লাহ দেখেন না?
সিসিটিভি ফুটেজে আর কয়টা ঘটনা ফাঁস হয়?
কিছুদিন আগে মাত্র ১১ বছরের মেয়ে শিশুকে এক মাদ্রাসা হুজুরের ধর্ষণ করে গর্ভবতী করে দেওয়া ও ডিএনএ এর প্রমাণ চেয়ে হুজুরের লাইভে আসা, এসব অসুস্থ হুজুরদের বিকৃত মানসিকতা ছাড়া আর কি?
👉 কোন সুস্থ মানুষের পক্ষে একটা ১১ বছরের শিশুকে গর্ভবতী করা সম্ভব?
তাহলে কাদের কাছ থেকে আমরা কোরান , হাদীস ও ইসলামী শিক্ষা শিখছি?
কাদের ফেরেশতা বানিয়ে মাথায় তুলে আমরা নাচচি?
আমি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হলে সকল মাদ্রাসা শিক্ষা বন্ধ করে দিতাম।সকল হুজুরদের বঙ্গোপসাগরের মাঝখানে জাহাজ ভর্তি করে ফেলে দিয়ে আসতাম।শুধু এই হুজুরদের শিক্ষা বাংলাদেশে বন্ধ করে দিলেই দেশে ৯৫ শতাংশ ধর্ষণ ও শিশু বলোতকার কমে যাবে। এটি আমি চ্যালেঞ্জ বললাম। বাংলাদেশের সকল মাদ্রাসায় সিসিটিভি লাগালে হুজুরদের জোরপূর্বক যৌন নির্যাতনের এমন লক্ষ লক্ষ ঘটনা বাংলাদেশের মানুষের সামনে চলে আসবে। সমগ্র বাংলাদেশের মানুষকে এটা আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলতে পারি।এই হুজুররা সম্পূর্ণ মানসিক অসুস্থ।এরা পৃথিবীর সভ্য সমাজে বসবাসের সম্পূর্ণ অনুপযোগী।
কিছুদিন আগেও পত্রিকায় এই সংবাদ শিরোনামগুলো মানুষ দেখেছে। কিন্তু মুসলমানদের হুঁশ হয়নি। দোযখের ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করতো বেলালী হুজুর। মাদ্রাসা ছাত্রকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ধর্ষণ করতেন মাদ্রাসার হুজুর। নারায়ণগঞ্জে ৪ শিক্ষার্থীকে বলোতকার করে ৪ লাখ টাকায় তা মীমাংসা করতে চাইলেন মাদ্রাসার শিক্ষক । ইহকাল ও পরকালের ভয় দেখিয়ে দুই শিশুকে বলোতকার করেছেন মাদ্রাসার শিক্ষক। চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় ৩ শিশুকে বলোতকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার।জিভ কেটে ফেলার ভয় দেখিয়ে মাদ্রাসা ছাত্রকে দিনের পর দিন মাদ্রাসা শিক্ষকের বলোতকার। নাটোরের বড়াইগ্রামে ৫ শ্রেণীর মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ। কুড়িগ্রামে মাদ্রাসা হুজুরের ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী।পানি পড়া আনতে গিয়ে মসজিদের ইমামের কাছে ধর্ষিত হলো মাদ্রাসার ছাত্রী। নেত্রকোনায় ধর্ষণের পর কোরআনের উপর ছাত্রীর হাত রেখে শপথ নিতেন হুজুর।
আর ভাবতে পারছি না। সমগ্র বাংলাদেশের মাদ্রাসাগুলো এখন শিশু বলোতকার সেন্টার। কোরআনের পাখির তৈরির নামে এসব মাদ্রাসায় শিশুদের নিয়মিত বলোতকার করা হয়।এসব মাদ্রাসা পড়া ছাত্ররা ভবিষ্যতে বড় হুজুর হয়ে আরো ভয়াবহ অপকর্ম করবে।এসব অসুস্থ মাদ্রাসা শিক্ষা এখনি বন্ধ করতে হবে।
গত ২৮ বছর ধরে একটানা মাদ্রাসা শিক্ষকরা শিশু বলোতকার ও ছাত্রীদের ধর্ষণ করে মাদ্রাসাগুলোকে প্রকৃতির জাহান্নাম বানিয়ে ফেলেছে। বিগত ২৮ বছরে একটিবারের জন্যও বাংলাদেশের আলেম সমাজকে এসব ধর্ষণের বিরুদ্ধে একটা প্রতিবাদ সমাবেশ পর্যন্ত করতে দেখিনি।এই আলেম সমাজ মানেই হচ্ছে শয়তানের সবচেয়ে বড় কারখানা। এদের অধিকাংশই জামায়াত ও হেফাজত রাজনীতির সমর্থক। এজন্য সমাজে এসব অধিকাংশ ভণ্ডের বিচার পর্যন্ত হয় না।
হুজুরদের জন্য আপনাদের যে অন্ধবিশ্বাস কাজ করে তার সুযোগেই আপনার শিশুকে বলোতকার করে দিচ্ছে সেই হুজুর। ফেরেশতা ধর্ষণ করেছে, এটা কেউ বিশ্বাসই করবে না।হুজুরদের প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা ও নজরদারি পর্যন্ত নেই। যেখানে সেখানে মাদ্রাসা ও এতিমখানা খুলে এরা যুগেল পর যুগ এসব অপকর্ম করে যাচ্ছে।ধর্ষণ ও বলোতকার করে আবার আল্লাহর ভয় দেখায়। সমাজের অধিকাংশ মানুষ লোকলজ্জার ভয়ে হুজুরদের এসব অপকর্মের বিষয়ে কথা বলতে চায় না।সুস্থ বিনোদনের অভাবে হুজুরদের বিকৃত যৌন মানসিকতা সৃষ্টি হয়েছে। জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান এর ব্যতিক্রম নন। শিশুদের ঠোঁটে চুমু খাওয়ার বদঅভ্যাস তারও আছে। কিন্তু এদের অপকর্ম সমাজে সেভাবে প্রকাশ পায় না।এসব ইসলামী ভণ্ডদের বিরুদ্ধে দেশে কোন কঠোর আইন নেই। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে রাষ্ট্রের কোনো নজরদারি নেয়। এজন্য কিছুক্ষণ পর পর‌ এদের লিঙ্গ দাঁড়িয়ে যায়। সারাদিন লিঙ্গের মধ্যে হাত বুলালে সে মানুষ কি আর সুস্থ থাকে?
হুজুরদের অপকর্ম নিয়ে সমাজ ও রাষ্ট্রের মানুষ প্রশ্ন তুলে না। ধর্মীয় আবাসিক প্রতিষ্ঠান সমাজ থেকে বিচ্যুত। আবাসিক মাদ্রাসায় ছাত্রীদের অহরহ যৌন নির্যাতন করা হচ্ছে।এসব আবাসিক মহিলা মাদ্রাসা একটা ভয়াবহ রসিকতা ছাড়া আর কিছুই নয়। হুজুররা জন্মগতভাবেই পেডোফোলিয়া যৌন রোগী। আহাজারি ও মাদানি এরা সবাই যৌন রোগী। শিশুদের পেছনে আঙ্গুল দিয়ে এরা জান্নাতে যাওয়ার স্বপ্ন দেখে। ছোটবেলা থেকেই এই হুজুরদের আমি ঘৃণা করি। এদের কোন যৌন শিক্ষা। সামাজিক সভ্যতা , ভদ্রতা ও মনূষ্যত্ববোধের শিক্ষা নেই। সারাক্ষণ এরা জান্নাতের হুর পরী নিয়ে ব্যস্ত মস্তিষ্ক বিকৃত শয়তান।এসব হুজুরদের জন্য দেশের আনাচে কানাচে মা ও বোনেরা আজ বড় অনিরাপদ। আল্লাহর ঘরে মসজিদে পর্যন্ত আমাদের মা ও বোনদের রেহাই দিচ্ছে না মস্তিষ্ক বিকৃত মসজিদের ইমামরা। এরাই আবার ঢাকা থেকে সারাবিশ্বে ইসলামী খেলাফত প্রতিষ্ঠা করবে!
নেত্রকোনার মাদ্রাসায় দিনেদুপুরে ইসলামী খেলাফত প্রতিষ্ঠার নেশায় মাতাল কামিল মাদরাসার শিক্ষক।এসব হুজুরদের যৌনাঙ্গের অসুখ বহু পুরোনো রোগ। খোঁজ নিয়ে দেখবেন এই মাদ্রাসার শত শত মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের জাহান্নামের ভয় দেখিয়ে নিরবে ধর্ষণ করে গেছে এই মাদ্রাসার শিক্ষকরা।
কয়টি ঘটনা আপনাদের সামনে আসে? লোকলজ্জার ভয়ে অধিকাংশ ঘটনা ধামাচাপা পড়ে যায়।
জান্নাতের স্বপ্ন দেখানো এসব হুজরদের থেকে মা ও বোনদের নিরাপদ রাখতে দয়া করে আপনার আদরের সন্তানকে আর কোনদিনও মাদ্রাসায় পড়তে পাঠাবেন না।মাদ্রাসায় পড়তে পড়তে আপনার আদরের আপনার অজান্তেই মানসিক রোগী ও সামাজিক অসুস্থ পশু হয়ে যাবে।দয়া করে আপনাদের সন্তানদের জীবন বাঁচান।এই সমাজ ও রাষ্ট্রকে এসব উন্মাদ হুজুর ও যৌন রোগীদের হাত থেকে রক্ষা করুন।

Morseda Akter Miazi’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

নেত্রকোনা কামিল মাদ্রাসা শিক্ষকের ২ মিনিট ভিডিও

প্রকাশের সময় : ০৬:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনলাইন রবিবার,২৭সেপ্টেম্বর২০২৬

নেত্রকোনা কামিল মাদ্রাসা শিক্ষকের ২ মিনিট ১০ সেকেন্ডের একটি ভিডিও গতকাল রাতে থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। হুজুর মাশাআল্লাহ এক বোরকা পরা নারীর স্তন টিপছেন। একজন হিজাবী নারীকে দিনেদুপুরে জোর করে গোপন কক্ষে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন।সবাই আলহামদুলিল্লাহ বলুন।
এরা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে , দ্বীনের গল্প শোনায় , কোরআনের পাখি বানায়, নারীদের শরীর দেখলে পাপ হবে ওয়াজ করে, জান্নাত ও জাহান্নামের গল্প মারায়। নির্বাচন এলে এরাই আবার আমাদের কাছে জামায়াত শিবির নামক জান্নাতের টিকিট বিক্রি করে।মা ও বোনকে দেখলেই এদের লিঙ্গ খাড়া হয়ে যায়। এজন্য এরা সারাদেশে কোরআনের পাখি তৈরি করছে, হিজাব ও বোরকার গল্প প্রচার করছে। মানুষকে ইসলামি সমাজ ও খেলাফতের স্বপ্ন দেখাচ্ছে।পুরো দেশটাকে এরা নষ্ট ও অসভ্যদের দেশ বানিয়ে ফেলেছে।
বোরকা , হিজাব ও টুপি এগুলো বাংলাদেশের জন্য অভিশাপ হয়ে এসেছিল।আজ থেকে ২৮ বছর আগে এক এমনি ঘটনার মুখোমুখি হয়েছিলাম আমরা।হাশিম মেম্বারের অষ্টম শ্রেণী পড়ুয়া মেয়েকে যৌন নির্যাতন করেছিল মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল হুজুর।এর প্রতিবাদে মাদ্রাসার ছাত্ররা তাকে বাথরুমে আটকে রেখেছিল।
যেদিন থেকে নারীরা বোরকা পরতে শুরু করেছে সেদিন থেকে একদল মাদ্রাসা শিক্ষক ভয়ানক উচ্ছৃঙ্খল হতে শুরু করলো। বোরকা পরা নারীদের দূর্বলতার সুযোগ নিতে শুরু করলো মাদ্রাসা শিক্ষকরা। আরবী ফিকাহ এর রসরসে গল্প পড়াতে গিয়ে এরা মেয়েদের বিভিন্ন যৌন উত্তেজনামূলক কথা ও ইঙ্গিত দেয়। মাদ্রাসা ছাত্র-ছাত্রীদের এরা জান্নাতের স্বপ্ন দেখিয়ে শরীর টেপায়। শিক্ষকদের এসব অশুভ উদ্দেশ্য অধিকাংশ মাদ্রাসা ছাত্র ছাত্রী বুঝতে পারে না। মাদ্রসার হুজুরের কাছে প্রাইভেট পড়তে যাওয়া মানে ওই মাদ্রাসা ছাত্রীর জীবন শেষ। গত ২৮ বছরে এই ধরণের নূন্যতম ৫ হাজার মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের গল্প আমি পড়েছি। দুই শতাধিক মাদ্রাসার শিক্ষক ও মসজিদের ইমামের বিচার নিজ চোখে দেখেছি।থু থু ছাড়া এদেরকে দেওয়ার আমার কিছুই নেই।
শ্রী- লীলা , মেরলিন মনরো এদের ঠোঁটে আমার চুমু খেতে ইচ্ছে করে। কিন্তু হুজুরদের এত অসভ্য , বর্বর প্রকৃতির মানুষ আমি আমার এই জীবনে দেখিনি।
একটি মেয়ের সামনে বসে কথা বলতেও আমাদের লজ্জা হয়। হুজুরদের এই নৈতিক শিক্ষা নেই।তওবা করলে সব পাপ মাফ হয়ে যায়।
বাংলাদেশের অধিকাংশ হুজুরের মোবাইল ঘাঁটলে দেখবেন – মোবাইল ভর্তি পর্ন মুভি। অসংখ্য মসজিদের ইমামের মোবাইল পর্ন মুভি আমি নিজ চোখে দেখেছি।
এরা আমাদের দেশের সাধারণ মানুষ থেকেও ভয়ানক খারাপ।নারী , যৌনতা ও ইসলামের জেহাদ এসব ছাড়া এদের মাথায় কোন সুস্থ চিন্তা নেই। জাতীয় সংসদে জামায়াতের এমপি আমীর হামজা প্রায় রাশ্মিকা মানদানাকে দেখে রোজ রাতে স্বপ্নদোষে ভূগেন। হেফাজতের মামুনুলদের অন্যের স্ত্রীকে নারায়ণগঞ্জের রিসোর্টে নিয়ে যেতে হয়।ন্যাম ফ্ল্যাটের ভেতরে জামায়াতের এমপি গাজী নজরুল ইসলামের ভবনে মরিয়মের লাশ মিলে।এসব কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়।গত ২৮ বছরে কয়েক লাখ অসুস্থ হুজুর ও মসজিদের ইমাম সৃষ্টি হয়েছে বাংলাদেশে। আগে এরা শিশুদের বলোতকার করতো , এখন নারী শিশুদের ধর্ষণ করে।
নারীদের যৌনাঙ্গের হেফাজতের গল্প পড়ানো অধিকাংশ হুজুর জাইঙ্গা পর্যন্ত পড়ে না। মসজিদে ইমামতি ও মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করার সময় কিছুক্ষণ পর পর‌ নির্লজ্জের মতো লিঙ্গের মধ্যে হাত দেয়। এদের অলস মস্তিষ্ক ও বিনে পয়সার খয়রাতি খানা আজ শয়তানের কারখানা হয়ে গেছে। এদের মস্তিষ্কে ৭২ হুরকে ধর্ষণ করার চিন্তা ছাড়া কোন সভ্য চিন্তা নেই।
জান্নাতি হুরদের শারীরিক বর্ণণা পড়তে পড়তে এসব হুজুরের মস্তিষ্ক বহু আগেই বিকৃত হয়ে গেছে। জান্নাতুল ফেরদাউস এর হুরদের শারীরিক বর্ণণা হুজুরদের মস্তিস্ক নষ্ট করে দিয়েছে।হুরদের শারীরিক কামনা করতে করতে এরা মানসিক অসুস্থ হয়ে পড়েছে।
কোন সুস্থ মানুষের পক্ষে দিনেদুপুরে এইভাবে একটি মাদ্রাসার মধ্য একজন নারীর স্তনে হাত দেয়া ও তাকে জোর করে সেক্স করে নিয়ে যাওয়া , এসব কেবল এই উন্মাদ হুজুরদের পক্ষেই সম্ভব। এদের লিঙ্গের কোন গার্ড থাকে না। একটু পর পর লুঙ্গির উপর দিয়ে , পায়জামার উপর দিয়ে লিঙ্গে হাত বুলায়।এরা মানসিকভাবে সম্পূর্ণ অসুস্থ। কোন মা ও বোন এদের হাতে নিরাপদ নয়।
জায়নামাজ কপালে ঠেকালেই যেই দেশে হুজুরদের সব অপকর্ম মাফ হয়ে যায় , সেই দেশে এসব অসুস্থ হুজুর শব্দটি উচ্চারণ করতেও আমার রুচিতে বাধে।এত কোরআন , হাদীস ও ইসলামের শিক্ষা শিখে কী লাভ হয়েছে?
এদের দৈনন্দিন পাপাচার কি আল্লাহ দেখেন না?
সিসিটিভি ফুটেজে আর কয়টা ঘটনা ফাঁস হয়?
কিছুদিন আগে মাত্র ১১ বছরের মেয়ে শিশুকে এক মাদ্রাসা হুজুরের ধর্ষণ করে গর্ভবতী করে দেওয়া ও ডিএনএ এর প্রমাণ চেয়ে হুজুরের লাইভে আসা, এসব অসুস্থ হুজুরদের বিকৃত মানসিকতা ছাড়া আর কি?
👉 কোন সুস্থ মানুষের পক্ষে একটা ১১ বছরের শিশুকে গর্ভবতী করা সম্ভব?
তাহলে কাদের কাছ থেকে আমরা কোরান , হাদীস ও ইসলামী শিক্ষা শিখছি?
কাদের ফেরেশতা বানিয়ে মাথায় তুলে আমরা নাচচি?
আমি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হলে সকল মাদ্রাসা শিক্ষা বন্ধ করে দিতাম।সকল হুজুরদের বঙ্গোপসাগরের মাঝখানে জাহাজ ভর্তি করে ফেলে দিয়ে আসতাম।শুধু এই হুজুরদের শিক্ষা বাংলাদেশে বন্ধ করে দিলেই দেশে ৯৫ শতাংশ ধর্ষণ ও শিশু বলোতকার কমে যাবে। এটি আমি চ্যালেঞ্জ বললাম। বাংলাদেশের সকল মাদ্রাসায় সিসিটিভি লাগালে হুজুরদের জোরপূর্বক যৌন নির্যাতনের এমন লক্ষ লক্ষ ঘটনা বাংলাদেশের মানুষের সামনে চলে আসবে। সমগ্র বাংলাদেশের মানুষকে এটা আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলতে পারি।এই হুজুররা সম্পূর্ণ মানসিক অসুস্থ।এরা পৃথিবীর সভ্য সমাজে বসবাসের সম্পূর্ণ অনুপযোগী।
কিছুদিন আগেও পত্রিকায় এই সংবাদ শিরোনামগুলো মানুষ দেখেছে। কিন্তু মুসলমানদের হুঁশ হয়নি। দোযখের ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করতো বেলালী হুজুর। মাদ্রাসা ছাত্রকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ধর্ষণ করতেন মাদ্রাসার হুজুর। নারায়ণগঞ্জে ৪ শিক্ষার্থীকে বলোতকার করে ৪ লাখ টাকায় তা মীমাংসা করতে চাইলেন মাদ্রাসার শিক্ষক । ইহকাল ও পরকালের ভয় দেখিয়ে দুই শিশুকে বলোতকার করেছেন মাদ্রাসার শিক্ষক। চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় ৩ শিশুকে বলোতকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার।জিভ কেটে ফেলার ভয় দেখিয়ে মাদ্রাসা ছাত্রকে দিনের পর দিন মাদ্রাসা শিক্ষকের বলোতকার। নাটোরের বড়াইগ্রামে ৫ শ্রেণীর মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ। কুড়িগ্রামে মাদ্রাসা হুজুরের ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী।পানি পড়া আনতে গিয়ে মসজিদের ইমামের কাছে ধর্ষিত হলো মাদ্রাসার ছাত্রী। নেত্রকোনায় ধর্ষণের পর কোরআনের উপর ছাত্রীর হাত রেখে শপথ নিতেন হুজুর।
আর ভাবতে পারছি না। সমগ্র বাংলাদেশের মাদ্রাসাগুলো এখন শিশু বলোতকার সেন্টার। কোরআনের পাখির তৈরির নামে এসব মাদ্রাসায় শিশুদের নিয়মিত বলোতকার করা হয়।এসব মাদ্রাসা পড়া ছাত্ররা ভবিষ্যতে বড় হুজুর হয়ে আরো ভয়াবহ অপকর্ম করবে।এসব অসুস্থ মাদ্রাসা শিক্ষা এখনি বন্ধ করতে হবে।
গত ২৮ বছর ধরে একটানা মাদ্রাসা শিক্ষকরা শিশু বলোতকার ও ছাত্রীদের ধর্ষণ করে মাদ্রাসাগুলোকে প্রকৃতির জাহান্নাম বানিয়ে ফেলেছে। বিগত ২৮ বছরে একটিবারের জন্যও বাংলাদেশের আলেম সমাজকে এসব ধর্ষণের বিরুদ্ধে একটা প্রতিবাদ সমাবেশ পর্যন্ত করতে দেখিনি।এই আলেম সমাজ মানেই হচ্ছে শয়তানের সবচেয়ে বড় কারখানা। এদের অধিকাংশই জামায়াত ও হেফাজত রাজনীতির সমর্থক। এজন্য সমাজে এসব অধিকাংশ ভণ্ডের বিচার পর্যন্ত হয় না।
হুজুরদের জন্য আপনাদের যে অন্ধবিশ্বাস কাজ করে তার সুযোগেই আপনার শিশুকে বলোতকার করে দিচ্ছে সেই হুজুর। ফেরেশতা ধর্ষণ করেছে, এটা কেউ বিশ্বাসই করবে না।হুজুরদের প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা ও নজরদারি পর্যন্ত নেই। যেখানে সেখানে মাদ্রাসা ও এতিমখানা খুলে এরা যুগেল পর যুগ এসব অপকর্ম করে যাচ্ছে।ধর্ষণ ও বলোতকার করে আবার আল্লাহর ভয় দেখায়। সমাজের অধিকাংশ মানুষ লোকলজ্জার ভয়ে হুজুরদের এসব অপকর্মের বিষয়ে কথা বলতে চায় না।সুস্থ বিনোদনের অভাবে হুজুরদের বিকৃত যৌন মানসিকতা সৃষ্টি হয়েছে। জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান এর ব্যতিক্রম নন। শিশুদের ঠোঁটে চুমু খাওয়ার বদঅভ্যাস তারও আছে। কিন্তু এদের অপকর্ম সমাজে সেভাবে প্রকাশ পায় না।এসব ইসলামী ভণ্ডদের বিরুদ্ধে দেশে কোন কঠোর আইন নেই। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে রাষ্ট্রের কোনো নজরদারি নেয়। এজন্য কিছুক্ষণ পর পর‌ এদের লিঙ্গ দাঁড়িয়ে যায়। সারাদিন লিঙ্গের মধ্যে হাত বুলালে সে মানুষ কি আর সুস্থ থাকে?
হুজুরদের অপকর্ম নিয়ে সমাজ ও রাষ্ট্রের মানুষ প্রশ্ন তুলে না। ধর্মীয় আবাসিক প্রতিষ্ঠান সমাজ থেকে বিচ্যুত। আবাসিক মাদ্রাসায় ছাত্রীদের অহরহ যৌন নির্যাতন করা হচ্ছে।এসব আবাসিক মহিলা মাদ্রাসা একটা ভয়াবহ রসিকতা ছাড়া আর কিছুই নয়। হুজুররা জন্মগতভাবেই পেডোফোলিয়া যৌন রোগী। আহাজারি ও মাদানি এরা সবাই যৌন রোগী। শিশুদের পেছনে আঙ্গুল দিয়ে এরা জান্নাতে যাওয়ার স্বপ্ন দেখে। ছোটবেলা থেকেই এই হুজুরদের আমি ঘৃণা করি। এদের কোন যৌন শিক্ষা। সামাজিক সভ্যতা , ভদ্রতা ও মনূষ্যত্ববোধের শিক্ষা নেই। সারাক্ষণ এরা জান্নাতের হুর পরী নিয়ে ব্যস্ত মস্তিষ্ক বিকৃত শয়তান।এসব হুজুরদের জন্য দেশের আনাচে কানাচে মা ও বোনেরা আজ বড় অনিরাপদ। আল্লাহর ঘরে মসজিদে পর্যন্ত আমাদের মা ও বোনদের রেহাই দিচ্ছে না মস্তিষ্ক বিকৃত মসজিদের ইমামরা। এরাই আবার ঢাকা থেকে সারাবিশ্বে ইসলামী খেলাফত প্রতিষ্ঠা করবে!
নেত্রকোনার মাদ্রাসায় দিনেদুপুরে ইসলামী খেলাফত প্রতিষ্ঠার নেশায় মাতাল কামিল মাদরাসার শিক্ষক।এসব হুজুরদের যৌনাঙ্গের অসুখ বহু পুরোনো রোগ। খোঁজ নিয়ে দেখবেন এই মাদ্রাসার শত শত মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের জাহান্নামের ভয় দেখিয়ে নিরবে ধর্ষণ করে গেছে এই মাদ্রাসার শিক্ষকরা।
কয়টি ঘটনা আপনাদের সামনে আসে? লোকলজ্জার ভয়ে অধিকাংশ ঘটনা ধামাচাপা পড়ে যায়।
জান্নাতের স্বপ্ন দেখানো এসব হুজরদের থেকে মা ও বোনদের নিরাপদ রাখতে দয়া করে আপনার আদরের সন্তানকে আর কোনদিনও মাদ্রাসায় পড়তে পাঠাবেন না।মাদ্রাসায় পড়তে পড়তে আপনার আদরের আপনার অজান্তেই মানসিক রোগী ও সামাজিক অসুস্থ পশু হয়ে যাবে।দয়া করে আপনাদের সন্তানদের জীবন বাঁচান।এই সমাজ ও রাষ্ট্রকে এসব উন্মাদ হুজুর ও যৌন রোগীদের হাত থেকে রক্ষা করুন।

Morseda Akter Miazi’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।