
প্রধানমন্ত্রীর বন্ধু ভাগ্য:
প্রধানমন্ত্রীর অতি সাধারণ জীবন যাপন এবং ব্যতিক্রমী কার্যক্রম দেখে দেশের মানুষ বিস্মিত হয়। একটা দেশের প্রধানমন্ত্রী কিভাবে সাধারণ মানুষের কাতারে চলে আসেন!
অনেকেই বলেন, ১৮ বছরের লন্ডনের নির্বাসিত জীবনের সময় তারেক রহমানের এই পরিবর্তন হয়েছে। কথাটি সম্পুর্ণ অসত্য। কারণ, তারেক রহমান আগেও এমনই ছিলেন। ১৯৯৬ সাল থেকে তিনি সারাদেশের উপজেলা থেকে ইউনিয়নে ঘুরেছেন। সাধারণ মানুষের সাথে মিশেছেন। দেশের উন্নয়নে কৃষি এবং কৃষকদের নিয়ে পরিকল্পনা করেছেন। সরাসরি ভোটের মাধ্যমে কমিটি গঠন করে দলে গণতন্ত্রের চর্চা করেছেন। শেখ মুজিবের মাজার জিয়ারত করেছেন। হাসিনা পুত্র জয়ের দেশে আগমন উপলক্ষে ফুলের শুভেচ্ছা পাঠিয়েছেন।
এতোকিছুর পরেও, তারেক রহমানকে নিয়ে অনেক নেগেটিভ নিউজ হয়েছে, তিনি নেগেটিভ ব্র্যান্ডেড হয়েছেন। এর অন্যতম কারণ ছিল সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নামে প্রথম আলো, ডেইলি স্টারের মিথ্যা সংবাদব প্রচার।
তারেক জিয়া আরেকজন মানুষের কারণে অনেক সাফার করেছেন; বদনাম হয়েছে, এমনকি জেল-জুলুম নির্যাতনের কারণও সেই একজন মানুষ। তিনি হলেন গিয়াসউদ্দিন আল মামুন। মামুন সবার কাছে পরিচিত ছিলেন, তারেক রহমানের বন্ধু হিসাবে। বন্ধু মামুনের জন্য উনাকে অপূরণীয় ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে!
২০২৬ সালে এসে, আরেকজন ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বন্ধু হিসাবে পরিচিতি পেয়েছেন। তিনি হলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
সত্যি তিনি তারেক রহমানের বন্ধু কিনা, সেই বিতর্কে যাবো না। তবে মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী হিসাবে কাজ করার জন্য যে স্ট্যান্ডার্ড প্রধানমন্ত্রী সেট করে দিয়েছেন, তা মীর সাহেব অনেক আগেই ভেঙ্গে ফেলেছেন।
মীর শাহে আলমের অযোগ্যতার ঘটনা অনেক আছে। অন্তত দুইটা বলি। চট্রগ্রামের জলাবদ্ধতার জন্য প্রধানমন্ত্রী সংসদে দুঃখ প্রকাশ করেন। আর প্রতিমন্ত্রী মহোদয় কোন জলাবদ্ধতা নেই বলে জানান!
তারেক রহমান তার পিতা মাতার নামে কোন প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করেন না বা করবেন না, যদিও তারা যোগ্য। কিন্তু প্রতিমন্ত্রী মীর সাহেব উনার বংশ এবং ছেলেদের নামে ইউনিয়নের নামকরণ করেছেন।
আমি বিশ্বাস করি, তারেক রহমান এগুলো সহ্য করবেন না/মেনে নিবেন না। সেই সাথে মীর শাহে আলমকে বলবো, বিএনপি এবং বগুড়াকে বিতর্কিত করার অধিকার আপনার নাই।





















