, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার নজরুল ইসলাম

  • প্রকাশের সময় : ০৫:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬
  • ৭৬ পড়া হয়েছে

 
সচিব পদমর্যাদার প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার বা বক্তব্য লেখকগণ! মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম- ২০০৯ সাল থেকে ৫ ই আগস্ট ২০২৪ সাল পর্যন্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্পিচ রাইটার ছিলেন! সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত ব্যক্তি হিসেবে এই লোকটি জুলাই আন্দোলনের শেষের দিকে শেখ হাসিনার বক্তব্য লেখার ক্ষেত্রে- কথিত ডিপস্টেটের ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত ছিলেন বলে অনেকে মনে করেন! এছাড়াও নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে স্বজন প্রীতি ও ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে! প্রফেসর ইউনুস প্রধান উপদেষ্টা থাকাকালীন সময়ে তার কোন স্পিচ রাইটার ছিল না- কেননা- তিনি নিজেই একজন আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ব বিখ্যাত স্পিচ রাইটার- বিল ক্লিনটন- হিলারি ক্লিংনটনের মত বিখ্যাত মানুষদের এক সময় স্পিচ রাইটার ছিলেন দাবীদার আন্তর্জাতিক মহাপন্ডিত প্রফেসর ইউনুস! তবে প্রফেসর ইউনূসের অঘোষিত দুইজন স্পিচ রাইটার ছিলেন প্রেস সচিব- শফিকুল আলম ও উপ-প্রেস সচিব- আজাদ মজুমদার! এই দুই ভদ্রলোকও প্রফেসর ইউনুসের জন্য খুব একটা শুভ কর ব্যক্তি ছিল না- এই দুজনের অতি-কথন ও আচার-আচরণ কর্মকাণ্ড- প্রফেসর ইউনুসকে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত ও সহযোগিতা করেছে! বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের স্পিচ রাইটার- এস এম মাহফুজুর রহমান- পেশাগতভাবে একজন অভিজ্ঞ সাংবাদিক হলেও গত কয়েকমাসে বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিভিন্ন সাধারণ জনসমাবেশে ও গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে বিব্রতকর- অনাকাঙ্ক্ষিত- কিছুটা হাস্যকর- ভুল-ভাল তথ্য উপস্থাপনের দায়-দায়িত্ব একজন স্পিচ রাইটার বা বক্তব্য লেখক কে নিতে হয়! স্লিপ অফ টাং বলে সবকিছু চালিয়ে দেওয়া যায় না- সেটা যদি ধারাবাহিকভাবে হতে থাকে! ফরিদপুরের সয়াবিন তেল বিখ্যাত- দিনাজপুরে আম বিখ্যাত- কুমিল্লায় ইপিজেডে পাশের জনসভায় বসে কুমিল্লায় ইপিজেড করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি- খাল খরনের মাধ্যমে ভূমিকম্প প্রতিরোধ- ১৯৭৯ সালে মজলুম জননেতা মাওলানা ভাসানী কর্তৃক শহীদ জিয়াকে ধানের শীষ উপহার দেওয়া- সবশেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় কবি নজরুল ইসলামের ১২৭ তম জন্মবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতি বিজড়িত ময়মনসিংহের ত্রিশালে লিখিত বক্তব্যেও মারাত্মক একটি ভুল করেছেন! বর্তমানে প্রযুক্তিগত কারণে রাষ্ট্রের প্রধান বা প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য সাথে সাথেই সারা বিশ্বে প্রচারিত হয়ে যায়! উল্লেখ্য ও মজার বিষয়- সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্পিচ রাইটার নজরুল ইসলামের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও বিশ্বস্ত শিষ্য বাকি তিনজন- এক ওস্তাদের তিন শীষ্য – শফিকুল আলম- আবুল কালাম আজাদ মজুমদার- ও এসএম মাহফুজুর রহমান। ১৬ই জুলাই ২০২৪ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কথিত উত্তেজনাকর ও উস্কানিমূলক বক্তব্য লেখার ক্ষেত্রে নজরুল ইসলাম তার শিষ্যদের সহযোগিতা নিয়েছিলেন- যাকে ডিপস্টেটের এর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে মনে করা হয়- স্পিচ রাইটাররা একজন রাষ্ট্র প্রধানের অতীব গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর বিষয়ে দেখাশোনা করেন! সুতরাং স্পিচ রাইটার বা বক্তব্য লেখক- দায়িত্বটা তেমন আলোচিত ও গুরুত্বপূর্ণ মনে না করলেও – একজন স্পিস রাইটার আবেগ ও ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে রাষ্ট্র প্রধানের সামান্য ভুলের অজুহাতে মুহূর্তের মধ্যে অনেক বড়ো ক্ষতি করতে পারেন। শোনা যায়- দুর্নীতি সহ বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত কাগজে কলমে কথিত পলাতক নজরুল ইসলাম এখন শফিকুল আলম ও আজাদ মজুমদারের সেল্টারে আছেন – বিধায়- নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকার পরেও তিনি দিব্যি স্বাভাবিক জীবন যাপন করে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।
জনপ্রিয়

প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার নজরুল ইসলাম

প্রকাশের সময় : ০৫:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

 
সচিব পদমর্যাদার প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার বা বক্তব্য লেখকগণ! মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম- ২০০৯ সাল থেকে ৫ ই আগস্ট ২০২৪ সাল পর্যন্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্পিচ রাইটার ছিলেন! সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত ব্যক্তি হিসেবে এই লোকটি জুলাই আন্দোলনের শেষের দিকে শেখ হাসিনার বক্তব্য লেখার ক্ষেত্রে- কথিত ডিপস্টেটের ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত ছিলেন বলে অনেকে মনে করেন! এছাড়াও নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে স্বজন প্রীতি ও ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে! প্রফেসর ইউনুস প্রধান উপদেষ্টা থাকাকালীন সময়ে তার কোন স্পিচ রাইটার ছিল না- কেননা- তিনি নিজেই একজন আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ব বিখ্যাত স্পিচ রাইটার- বিল ক্লিনটন- হিলারি ক্লিংনটনের মত বিখ্যাত মানুষদের এক সময় স্পিচ রাইটার ছিলেন দাবীদার আন্তর্জাতিক মহাপন্ডিত প্রফেসর ইউনুস! তবে প্রফেসর ইউনূসের অঘোষিত দুইজন স্পিচ রাইটার ছিলেন প্রেস সচিব- শফিকুল আলম ও উপ-প্রেস সচিব- আজাদ মজুমদার! এই দুই ভদ্রলোকও প্রফেসর ইউনুসের জন্য খুব একটা শুভ কর ব্যক্তি ছিল না- এই দুজনের অতি-কথন ও আচার-আচরণ কর্মকাণ্ড- প্রফেসর ইউনুসকে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত ও সহযোগিতা করেছে! বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের স্পিচ রাইটার- এস এম মাহফুজুর রহমান- পেশাগতভাবে একজন অভিজ্ঞ সাংবাদিক হলেও গত কয়েকমাসে বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিভিন্ন সাধারণ জনসমাবেশে ও গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে বিব্রতকর- অনাকাঙ্ক্ষিত- কিছুটা হাস্যকর- ভুল-ভাল তথ্য উপস্থাপনের দায়-দায়িত্ব একজন স্পিচ রাইটার বা বক্তব্য লেখক কে নিতে হয়! স্লিপ অফ টাং বলে সবকিছু চালিয়ে দেওয়া যায় না- সেটা যদি ধারাবাহিকভাবে হতে থাকে! ফরিদপুরের সয়াবিন তেল বিখ্যাত- দিনাজপুরে আম বিখ্যাত- কুমিল্লায় ইপিজেডে পাশের জনসভায় বসে কুমিল্লায় ইপিজেড করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি- খাল খরনের মাধ্যমে ভূমিকম্প প্রতিরোধ- ১৯৭৯ সালে মজলুম জননেতা মাওলানা ভাসানী কর্তৃক শহীদ জিয়াকে ধানের শীষ উপহার দেওয়া- সবশেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় কবি নজরুল ইসলামের ১২৭ তম জন্মবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতি বিজড়িত ময়মনসিংহের ত্রিশালে লিখিত বক্তব্যেও মারাত্মক একটি ভুল করেছেন! বর্তমানে প্রযুক্তিগত কারণে রাষ্ট্রের প্রধান বা প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য সাথে সাথেই সারা বিশ্বে প্রচারিত হয়ে যায়! উল্লেখ্য ও মজার বিষয়- সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্পিচ রাইটার নজরুল ইসলামের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও বিশ্বস্ত শিষ্য বাকি তিনজন- এক ওস্তাদের তিন শীষ্য – শফিকুল আলম- আবুল কালাম আজাদ মজুমদার- ও এসএম মাহফুজুর রহমান। ১৬ই জুলাই ২০২৪ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কথিত উত্তেজনাকর ও উস্কানিমূলক বক্তব্য লেখার ক্ষেত্রে নজরুল ইসলাম তার শিষ্যদের সহযোগিতা নিয়েছিলেন- যাকে ডিপস্টেটের এর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে মনে করা হয়- স্পিচ রাইটাররা একজন রাষ্ট্র প্রধানের অতীব গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর বিষয়ে দেখাশোনা করেন! সুতরাং স্পিচ রাইটার বা বক্তব্য লেখক- দায়িত্বটা তেমন আলোচিত ও গুরুত্বপূর্ণ মনে না করলেও – একজন স্পিস রাইটার আবেগ ও ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে রাষ্ট্র প্রধানের সামান্য ভুলের অজুহাতে মুহূর্তের মধ্যে অনেক বড়ো ক্ষতি করতে পারেন। শোনা যায়- দুর্নীতি সহ বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত কাগজে কলমে কথিত পলাতক নজরুল ইসলাম এখন শফিকুল আলম ও আজাদ মজুমদারের সেল্টারে আছেন – বিধায়- নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকার পরেও তিনি দিব্যি স্বাভাবিক জীবন যাপন করে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।