, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

প্রধান বিচারপতির এজলাস ত্যাগ, সংসদে যা বললেন আইনমন্ত্রী

  • প্রকাশের সময় : ১২:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫৩ পড়া হয়েছে

অনলাইন বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির (বার অ্যাসোসিয়েশন) সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এবং প্রধান বিচারপতির এজলাস ত্যাগের বিষয়টি উঠে এসেছে জাতীয় সংসদে।

বিষয়টি সংসদের নজরে আনেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদীয় দলের মুখপাত্র নাজিবুর রহমান। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে নাজিবুর রহমান পয়েন্ট অব অর্ডারে প্রসঙ্গটি তোলেন।

এ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, খোকনের ওই আচরণ সঠিক ছিল না।

নাজিবুর রহমান বলেন, জনগণের ন্যায়বিচার পাওয়ার সর্বশেষ আশ্রয়স্থল বিচার বিভাগে এ ধরনের ঘটনা জনগণকে কী বার্তা দিচ্ছে? বিষয়টি ফ্যাসিবাদী আমলে প্রধান বিচারপতিকে অস্ত্রের মুখে পদত্যাগ করতে বাধ্য করার ঘটনার বার্তা দিচ্ছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে হবে। এ বিষয়ে তিনি আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামানের কাছে ব্যাখ্যা চান।

মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে একটি মামলায় আইনজীবীকে জরিমানার (কস্ট) আদেশ নিয়ে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি মাহবুব উদ্দিন খোকনের মধ্যে কথোপকথনের একপর্যায়ে প্রধান বিচারপতিসহ আপিল বিভাগের সব বিচারপতি এজলাস ছেড়ে চলে যান।

নাজিবুর রহমানের বক্তব্যের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ঘটনাটি সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে ঘটেছে। এটি রাষ্ট্রের কোনো অর্গানের মধ্যেই পড়েনি। তবে এ ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে কেউ ঘটাবেন না বলে মনে করি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের সম্মানিত সংসদ সদস্য, সুপ্রিম কোর্ট বারের প্রেসিডেন্ট ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, উনার সঙ্গে প্রধান বিচারপতির একটি বাদানুবাদের ঘটনা ঘটে, যার পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি এবং সব আপিল বিভাগের বিচারপতি তাদের এজলাস ত্যাগ করেন এবং গতকালকে (মঙ্গলবার) তারা আর কোর্টে ফিরে আসেননি।

ঘটনার সময় নিজে উপস্থিত ছিলেন উল্লেখ করে নাজিবুর রহমান বলেন, মূল ঘটনাটি যখন ঘটে, সে সময় আমি কোর্টে উপস্থিত ছিলাম। একজন আইনজীবীকে বারংবার সত্যকে গোপন করে রিট করার কারণে পেনাল্টি হিসেবে জরিমানা করা হয়, যার পরিপ্রেক্ষিতে এই ঘটনার সূত্রপাত হয়।

তিনি বলেন, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন শুধু একজন আইনজীবী নন, তিনি সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি। একই সঙ্গে তিনি এই সংসদের একজন সম্মানিত সদস্য, সরকারি দলের একজন প্রভাবশালী সদস্য। আমরা যে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার কথা বলি; জনগণের ন্যায়বিচার পাওয়ার সর্বশেষ আশ্রয়স্থল বিচার বিভাগে এ ধরনের ঘটনা জনগণকে কী বার্তা দিচ্ছে, তা আমাদের চিন্তা করা উচিত।

‘ঘর পোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলে ভয় পায়’—প্রবাদ বাক্যের উদ্ধৃতি দিয়ে নাজিবুর রহমান বলেন, অতীতে এক দুঃখজনক ঘটনা আমরা দেখেছি। ফ্যাসিবাদী আমলে প্রধান বিচারপতিকে অস্ত্রের মুখে কিন্তু তার পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছিল। এ ধরনের ঘটনা সে ধরনের বার্তা দিচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

প্রধান বিচারপতির এজলাস ত্যাগ, সংসদে যা বললেন আইনমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ১২:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনলাইন বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির (বার অ্যাসোসিয়েশন) সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এবং প্রধান বিচারপতির এজলাস ত্যাগের বিষয়টি উঠে এসেছে জাতীয় সংসদে।

বিষয়টি সংসদের নজরে আনেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদীয় দলের মুখপাত্র নাজিবুর রহমান। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে নাজিবুর রহমান পয়েন্ট অব অর্ডারে প্রসঙ্গটি তোলেন।

এ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, খোকনের ওই আচরণ সঠিক ছিল না।

নাজিবুর রহমান বলেন, জনগণের ন্যায়বিচার পাওয়ার সর্বশেষ আশ্রয়স্থল বিচার বিভাগে এ ধরনের ঘটনা জনগণকে কী বার্তা দিচ্ছে? বিষয়টি ফ্যাসিবাদী আমলে প্রধান বিচারপতিকে অস্ত্রের মুখে পদত্যাগ করতে বাধ্য করার ঘটনার বার্তা দিচ্ছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে হবে। এ বিষয়ে তিনি আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামানের কাছে ব্যাখ্যা চান।

মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে একটি মামলায় আইনজীবীকে জরিমানার (কস্ট) আদেশ নিয়ে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি মাহবুব উদ্দিন খোকনের মধ্যে কথোপকথনের একপর্যায়ে প্রধান বিচারপতিসহ আপিল বিভাগের সব বিচারপতি এজলাস ছেড়ে চলে যান।

নাজিবুর রহমানের বক্তব্যের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ঘটনাটি সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে ঘটেছে। এটি রাষ্ট্রের কোনো অর্গানের মধ্যেই পড়েনি। তবে এ ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে কেউ ঘটাবেন না বলে মনে করি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের সম্মানিত সংসদ সদস্য, সুপ্রিম কোর্ট বারের প্রেসিডেন্ট ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, উনার সঙ্গে প্রধান বিচারপতির একটি বাদানুবাদের ঘটনা ঘটে, যার পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি এবং সব আপিল বিভাগের বিচারপতি তাদের এজলাস ত্যাগ করেন এবং গতকালকে (মঙ্গলবার) তারা আর কোর্টে ফিরে আসেননি।

ঘটনার সময় নিজে উপস্থিত ছিলেন উল্লেখ করে নাজিবুর রহমান বলেন, মূল ঘটনাটি যখন ঘটে, সে সময় আমি কোর্টে উপস্থিত ছিলাম। একজন আইনজীবীকে বারংবার সত্যকে গোপন করে রিট করার কারণে পেনাল্টি হিসেবে জরিমানা করা হয়, যার পরিপ্রেক্ষিতে এই ঘটনার সূত্রপাত হয়।

তিনি বলেন, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন শুধু একজন আইনজীবী নন, তিনি সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি। একই সঙ্গে তিনি এই সংসদের একজন সম্মানিত সদস্য, সরকারি দলের একজন প্রভাবশালী সদস্য। আমরা যে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার কথা বলি; জনগণের ন্যায়বিচার পাওয়ার সর্বশেষ আশ্রয়স্থল বিচার বিভাগে এ ধরনের ঘটনা জনগণকে কী বার্তা দিচ্ছে, তা আমাদের চিন্তা করা উচিত।

‘ঘর পোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলে ভয় পায়’—প্রবাদ বাক্যের উদ্ধৃতি দিয়ে নাজিবুর রহমান বলেন, অতীতে এক দুঃখজনক ঘটনা আমরা দেখেছি। ফ্যাসিবাদী আমলে প্রধান বিচারপতিকে অস্ত্রের মুখে কিন্তু তার পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছিল। এ ধরনের ঘটনা সে ধরনের বার্তা দিচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে।