২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আমেরিকার ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে বিমানহামলা ঘটে। সেই হামলার কথা উল্লেখ করে মার্কিন এবং ইজ়রায়েলি বিমান লক্ষ্য করে অনুরূপ আঘাতের হুঁশিয়ারি দিয়েছে আল কায়েদা! নিউ ইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে আল কায়েদার এই হুমকির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। শুধু তা-ই নয়, ফ্লাইদুবাই বিমান কাণ্ডের প্রশংসাও করেছে আল কায়েদা। আল কায়েদার সমর্থকদের প্রকাশিত সাপ্তাহিক এক পত্রিকার প্রতিবেদনে ৯/১১ এবং ফ্লাইদুবাই বিমানের ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে, ‘‘যুদ্ধ এখনও শেষ হয়নি। শয়তান আমেরিকান এবং ইজ়রায়েলিদের বহনকারী বিমান এখনও আকাশে উড়ছে। তবে সেগুলিকে লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে। যেমনটা ১১ এবং ৩০ সেপ্টেম্বর ঘটেছিল!’’ ওই প্রতিবেদনের সঙ্গে ৯/১১ হামলার পর বিধ্বস্ত ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। এ-ও উল্লেখ করা হয়েছে, ‘‘এমন দিন আসবে, যে দিন শয়তান আমেরিকান সাম্রাজ্যের পতন ঘটবে।’’

অনলাইন রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
ওই বিমানের হামলাকারী পাইলট হামাম আল-হাম্মামির সঙ্গে আল কায়েদার কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট জানা যায়নি। যদিও হামামের ‘স্বীকারোক্তি’ থেকে মিলেছে তাঁর পরিকল্পনার কথা।
দুবাই থেকে তেল আভিভ যাওয়ার পথে ফ্লাইদুবাই বিমানে যা ঘটেছিল, তার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে! এমন সুরেই হুঁশিয়ারি দিয়েছে আল কায়েদা। তবে তাদের সঙ্গে ওই বিমানের হামলাকারী পাইলট হামাম আল-হাম্মামির কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা স্পষ্ট জানায়নি ওই জঙ্গিগোষ্ঠী। যদিও হামামের ‘স্বীকারোক্তি’ থেকে মিলেছে তাঁর পরিকল্পনার কথা। একই সঙ্গে আক্রান্ত ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছর জানিয়েছেন সে দিন বিমানের ককপিটে ঠিক কী ঘটেছিল! কী ভাবে শেষরক্ষা করলেন!
গত বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ১৮০ জন যাত্রীকে নিয়ে দুবাই থেকে উড়েছিল ফ্লাইদুবাইয়ের এফজ়েড ১০৭৩ বিমানটি। গন্তব্য ছিল ইজ়রায়েলের রাজধানী তেল আভিভ। তবে মাঝ-আকাশেই ঘটে যায় বিপত্তি। বিমানটি চালাচ্ছিলেন স্মিত। কো-পাইলটের দায়িত্বে ছিলেন হামাম। অভিযোগ, বিমান মাঝ-আকাশে থাকাকালীন ককপিটের ভিতরে স্মিতকে আক্রমণ করেন তিনি। এর ফলে বিমান সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল। ৩০ সেকেন্ডেরও কম সময়ে ১৪ হাজার ফুট নীচে নেমে যায় বিমানটি। সেই ঘটনা নিয়ে শোরগোল শুরু হয়েছে। ওই ঘটনার নেপথ্যে কোনও জঙ্গিযোগ রয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার তদন্ত চলছে। হামাম বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির নিরাপত্তাকর্মীদের হেফাজতে রয়েছেন। সূত্রের খবর, সেখানেই অভিযোগ ‘স্বীকার’ করেছেন হামাম।
আল কায়েদার হুঁশিয়ারি





















