, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বন্যায় ৫০ জনের মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৪ হাজার কিলোমিটার সড়ক

  • প্রকাশের সময় : এক ঘন্টা আগে
  • ২ পড়া হয়েছে

অনলাইন ১২ জুলাই,২০২৬

বন্যা ও টানা বর্ষণের পানিতে ৩৪৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার মধ্যে চট্টগ্রামে ২১২টি, কক্সবাজারে ৩০টি, রাঙ্গামাটিতে ৩২টি, বান্দরবানে ৪১টি এবং খাগড়াছড়িতে ২৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পার্বত্য চট্টগ্রামে গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড়ধস ও অন্যান্য ঘটনায় ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামে ১৩ জন, কক্সবাজারে ২৮ জন, রাঙ্গামাটিতে ৩ জন এবং বান্দরবানে ৬ জন। এছাড়া, সব মিলিয়ে প্রায় ৩ হাজার ৮৪১ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের আজ রোববারের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের দেয়া তথ্য মতে, বিভাগে মোট ৩ হাজার ৯৪১টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৩৪ হাজার ৭২৩ জন মানুষ অবস্থান করছেন। যার মধ্যে চট্টগ্রাম জেলায় ৬৭০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ২২ হাজার ৬০০ জন, কক্সবাজারে ৬১৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১ হাজার ৫৮০ জন, রাঙ্গামাটিতে ৫৩টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৩ হাজার ৯০৩ জন, বান্দরবানে ২০০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৬ হাজার ২৫০ জন, খাগড়াছড়িতে ১৫০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৫৮১ জন এবং ফেনিতে ২০২ জন মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন।

এদিকে প্রশাসন জানিয়েছে, বান্দরবানের লামা-আলীকদম সড়কের নিচু অংশে পানি বাড়ায় উপজেলা সদরের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি প্রধান সড়কের সঙ্গে সংযোগকারী বেইলি ব্রিজটি ঝুঁকির মুখে রয়েছে। দ্রুত সড়ক ও ব্রিজটি সংস্কার করা না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা হতে পারে বলে জানিয়েছে তারা।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের স্টাফ অফিসার ও সহকারী কমিশনার আসিফ জাহান সিকদার জানান, চট্টগ্রামে বন্যার কারণে বিভিন্ন ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এখনো কয়েকটি উপজেলার মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় আছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে চাল, শুকনা খাবার ও আর্থিক সহায়তা বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

জনপ্রিয়

বন্যায় ৫০ জনের মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৪ হাজার কিলোমিটার সড়ক

প্রকাশের সময় : এক ঘন্টা আগে

অনলাইন ১২ জুলাই,২০২৬

বন্যা ও টানা বর্ষণের পানিতে ৩৪৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার মধ্যে চট্টগ্রামে ২১২টি, কক্সবাজারে ৩০টি, রাঙ্গামাটিতে ৩২টি, বান্দরবানে ৪১টি এবং খাগড়াছড়িতে ২৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পার্বত্য চট্টগ্রামে গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড়ধস ও অন্যান্য ঘটনায় ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামে ১৩ জন, কক্সবাজারে ২৮ জন, রাঙ্গামাটিতে ৩ জন এবং বান্দরবানে ৬ জন। এছাড়া, সব মিলিয়ে প্রায় ৩ হাজার ৮৪১ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের আজ রোববারের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের দেয়া তথ্য মতে, বিভাগে মোট ৩ হাজার ৯৪১টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৩৪ হাজার ৭২৩ জন মানুষ অবস্থান করছেন। যার মধ্যে চট্টগ্রাম জেলায় ৬৭০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ২২ হাজার ৬০০ জন, কক্সবাজারে ৬১৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১ হাজার ৫৮০ জন, রাঙ্গামাটিতে ৫৩টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৩ হাজার ৯০৩ জন, বান্দরবানে ২০০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৬ হাজার ২৫০ জন, খাগড়াছড়িতে ১৫০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৫৮১ জন এবং ফেনিতে ২০২ জন মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন।

এদিকে প্রশাসন জানিয়েছে, বান্দরবানের লামা-আলীকদম সড়কের নিচু অংশে পানি বাড়ায় উপজেলা সদরের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি প্রধান সড়কের সঙ্গে সংযোগকারী বেইলি ব্রিজটি ঝুঁকির মুখে রয়েছে। দ্রুত সড়ক ও ব্রিজটি সংস্কার করা না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা হতে পারে বলে জানিয়েছে তারা।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের স্টাফ অফিসার ও সহকারী কমিশনার আসিফ জাহান সিকদার জানান, চট্টগ্রামে বন্যার কারণে বিভিন্ন ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এখনো কয়েকটি উপজেলার মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় আছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে চাল, শুকনা খাবার ও আর্থিক সহায়তা বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।