, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
একদিন তোমার চশমার ফ্রেমটা মোটা হয়ে যাবে,? সুনামগঞ্জ সীমান্তে সাবেক এমপি রঞ্জিত সরকার গ্রেফতার.. সিনেমা হলের আধুনিকায়ন ও দর্শক ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগ নেবে সরকার :প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী আওয়ামী লীগেরপুনরুত্থান ও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত:সাবেক ২ সেনা কর্মকর্তা ৪ দিনের রিমান্ডে সারের ডিলার নিয়োগে পয়সার বিনিময়ে লাইসেন্স:এমপি প্রশাসনে অপারেশন ক্লিনহার্ট” চালানো দরকার।’ জেলা প্রশাসন এমপিকে পাত্তা দিচ্ছেন না:পরিষ্কার বললাম।অভদ্র হতে বাধ্য করবেন না জামায়াত এমপি সৌদি বিমানবন্দর বন্ধ৫১ ফ্লাইট বাতিলঢাকা থেকে৫ হাজার ৪১৮ যাত্রী ক্ষতিগ্রস্ত ধর্ম নয়, নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী মায়েদের সঙ্গে কারাগারে বন্দি ৩০৩ শিশু

গাজীপুরে সাংবাদিক তুহিন হত্যার বিচার শেষ না হতেই সাংবাদিক নেতার ওপর হামলা

  • প্রকাশের সময় : ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
  • ১৩৪ পড়া হয়েছে

‎গাজীপুরে প্রয়াত সাংবাদিক তুহিন হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম শেষ না হতেই আবারও এক সাংবাদিক নেতার ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এবার হামলার শিকার হয়েছেন গাজীপুর জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি এম কাজল খান। এই হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক মহলে উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
‎
‎অভিযোগ অনুযায়ী, শনিবার (১১ জুলাই) রাত পৌনে ১২টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর চৌধুরী বাড়ি এলাকার শোভন চৌধুরী মার্কেটে অবস্থিত গাজীপুর জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যালয়ে প্রবেশের সময় এম কাজল খানের ওপর একদল সন্ত্রাসী এ হামলা চালায়।
‎
‎এম কাজল খান অভিযোগ করেন, শোভন চৌধুরী মার্কেটের স্বত্বাধিকারী আলহাজ হাফিজ উদ্দিন চৌধুরীর নির্দেশে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার ওপরে অতর্কিত হামলা চালানো হয়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলায় অংশ নেওয়া সন্ত্রাসীদের মধ্যে নয়ন নামে একজন ছিলেন, যাকে তিনি মাদক ব্যবসা, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে দাবি করেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, এলাকার বিভিন্ন অনিয়ম ও অপরাধের প্রতিবাদ করায় তার ওপর এ হামলা চালানো হয়েছে।
‎
‎তিনি আরো বলেন আলহাজ্ব হাফিজ উদ্দিন চৌধুরী হাজ্বী হলেও তিনি একজন সমকামীতা। আমি কোনভাবেই এই সমকামীতার বিষয় জানতে পারি, তার সহযোগী নয়নও একজন সমকামী। তাই দুই সমকামী মিলেই আমার উপরে হামলা চালান।
‎
‎হামলার পর এম কাজল খান গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ বাসন মেট্রো থানায় গেলে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হারুন অর রশিদের নির্দেশে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায় বলে জানানো হয়েছে।
‎
‎
‎এদিকে গাজীপুর জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির পক্ষ থেকে হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত, ভয়ভীতি ও হামলামুক্ত পরিবেশে স্বাধীনভাবে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সুযোগ নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জরুরি ও কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।
‎
‎উল্লেখ্য, এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।এই সংস্করণটি সংবাদপত্রে প্রকাশের উপযোগী এবং অভিযোগকে অভিযোগ হিসেবেই উপস্থাপন করায় আইনি ঝুঁকিও তুলনামূলক কম থাকে।
‎
‎এ বিষয়ে বাসন মেট্রো থানার ওসি মো. হারুন অর রশিদ বলেন, সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জনপ্রিয়

গাজীপুরে সাংবাদিক তুহিন হত্যার বিচার শেষ না হতেই সাংবাদিক নেতার ওপর হামলা

প্রকাশের সময় : ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

‎গাজীপুরে প্রয়াত সাংবাদিক তুহিন হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম শেষ না হতেই আবারও এক সাংবাদিক নেতার ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এবার হামলার শিকার হয়েছেন গাজীপুর জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি এম কাজল খান। এই হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক মহলে উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
‎
‎অভিযোগ অনুযায়ী, শনিবার (১১ জুলাই) রাত পৌনে ১২টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর চৌধুরী বাড়ি এলাকার শোভন চৌধুরী মার্কেটে অবস্থিত গাজীপুর জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যালয়ে প্রবেশের সময় এম কাজল খানের ওপর একদল সন্ত্রাসী এ হামলা চালায়।
‎
‎এম কাজল খান অভিযোগ করেন, শোভন চৌধুরী মার্কেটের স্বত্বাধিকারী আলহাজ হাফিজ উদ্দিন চৌধুরীর নির্দেশে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার ওপরে অতর্কিত হামলা চালানো হয়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলায় অংশ নেওয়া সন্ত্রাসীদের মধ্যে নয়ন নামে একজন ছিলেন, যাকে তিনি মাদক ব্যবসা, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে দাবি করেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, এলাকার বিভিন্ন অনিয়ম ও অপরাধের প্রতিবাদ করায় তার ওপর এ হামলা চালানো হয়েছে।
‎
‎তিনি আরো বলেন আলহাজ্ব হাফিজ উদ্দিন চৌধুরী হাজ্বী হলেও তিনি একজন সমকামীতা। আমি কোনভাবেই এই সমকামীতার বিষয় জানতে পারি, তার সহযোগী নয়নও একজন সমকামী। তাই দুই সমকামী মিলেই আমার উপরে হামলা চালান।
‎
‎হামলার পর এম কাজল খান গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ বাসন মেট্রো থানায় গেলে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হারুন অর রশিদের নির্দেশে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায় বলে জানানো হয়েছে।
‎
‎
‎এদিকে গাজীপুর জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির পক্ষ থেকে হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত, ভয়ভীতি ও হামলামুক্ত পরিবেশে স্বাধীনভাবে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সুযোগ নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জরুরি ও কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।
‎
‎উল্লেখ্য, এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।এই সংস্করণটি সংবাদপত্রে প্রকাশের উপযোগী এবং অভিযোগকে অভিযোগ হিসেবেই উপস্থাপন করায় আইনি ঝুঁকিও তুলনামূলক কম থাকে।
‎
‎এ বিষয়ে বাসন মেট্রো থানার ওসি মো. হারুন অর রশিদ বলেন, সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।