, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

বন্যায় ৫৬ জনের মৃত্যু, আশ্রয়কেন্দ্রে ১০ হাজারের বেশি মানুষ

  • প্রকাশের সময় : ১০:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
  • ১০২ পড়া হয়েছে

অনলাইন ১৪ জুলাই,২০২৬

অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে দেশের সাত জেলায় এখন পর্যন্ত ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ৩৯ জন। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য ৩২৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন ১০ হাজার ৮৫৪ জন। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকাল ৪টা পর্যন্ত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বন্যা ও জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য চট্টগ্রামে ৭০ আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সেখানে তিন হাজার ১৪০ জন আশ্রয় নিয়েছেন। রাঙামাটির ৪০ কেন্দ্রে তিন হাজার ১৫৮ জন, বান্দরবানের ৫৪ কেন্দ্রে দুই হাজার ৫৮৪ জন এবং মৌলভীবাজারের ১০ কেন্দ্রে এক হাজার ৭৪৫ জন অবস্থান করছেন।

খাগড়াছড়িতে তিনটি আশ্রয়কেন্দ্রে ৩৪ জন এবং কক্সবাজারে তিনটি কেন্দ্রে ১৯৩ জন আশ্রয় নিয়েছেন। হবিগঞ্জে দুটি আশ্রয়কেন্দ্র খোলার তথ্য থাকলেও সেখানে আশ্রিত মানুষের সংখ্যা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। জেলাভিত্তিক হিসাবে মোট ৩২৯ আশ্রয়কেন্দ্রে ১০ হাজার ৮৫৪ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চট্টগ্রামের মহানগরসহ ১৬টি উপজেলায় আংশিক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। জেলার ১২২ ইউনিয়ন বা এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কক্সবাজারের ১০ উপজেলার ৭১ ইউনিয়ন ও চারটি পৌরসভা, রাঙামাটির ৯ উপজেলার ৪৩ ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভা এবং বান্দরবানের সাত উপজেলার ৩৪ ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভা দুর্যোগের কবলে পড়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৭ জুলাই থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত বন্যাকবলিত সাত জেলার জন্য মোট এক কোটি ৭৫ লাখ টাকা এবং তিন হাজার ২৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামের জন্য সর্বোচ্চ ৬৫ লাখ টাকা ও এক হাজার ২০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কক্সবাজারে ৩০ লাখ টাকা ও ৪৫০ মেট্রিক টন চাল, রাঙামাটিতে ২৫ লাখ টাকা ও ৫০০ মেট্রিক টন চাল, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে পৃথকভাবে ২০ লাখ টাকা ও ৪০০ মেট্রিক টন করে চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। মৌলভীবাজারে ১০ লাখ টাকা ও ২০০ মেট্রিক টন চাল এবং হবিগঞ্জে পাঁচ লাখ টাকা ও ১০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ হয়েছে। এ ছাড়া দেশের অন্য ৫৭ জেলার জন্য জেলা প্রতি পাঁচ লাখ টাকা এবং ১০০ মেট্রিক টন চালের সাধারণ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সব মিলিয়ে ৬৪ জেলার জন্য চার কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং আট হাজার ৯৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়ার তথ্য জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

বন্যায় ৫৬ জনের মৃত্যু, আশ্রয়কেন্দ্রে ১০ হাজারের বেশি মানুষ

প্রকাশের সময় : ১০:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

অনলাইন ১৪ জুলাই,২০২৬

অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে দেশের সাত জেলায় এখন পর্যন্ত ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ৩৯ জন। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য ৩২৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন ১০ হাজার ৮৫৪ জন। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকাল ৪টা পর্যন্ত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বন্যা ও জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য চট্টগ্রামে ৭০ আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সেখানে তিন হাজার ১৪০ জন আশ্রয় নিয়েছেন। রাঙামাটির ৪০ কেন্দ্রে তিন হাজার ১৫৮ জন, বান্দরবানের ৫৪ কেন্দ্রে দুই হাজার ৫৮৪ জন এবং মৌলভীবাজারের ১০ কেন্দ্রে এক হাজার ৭৪৫ জন অবস্থান করছেন।

খাগড়াছড়িতে তিনটি আশ্রয়কেন্দ্রে ৩৪ জন এবং কক্সবাজারে তিনটি কেন্দ্রে ১৯৩ জন আশ্রয় নিয়েছেন। হবিগঞ্জে দুটি আশ্রয়কেন্দ্র খোলার তথ্য থাকলেও সেখানে আশ্রিত মানুষের সংখ্যা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। জেলাভিত্তিক হিসাবে মোট ৩২৯ আশ্রয়কেন্দ্রে ১০ হাজার ৮৫৪ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চট্টগ্রামের মহানগরসহ ১৬টি উপজেলায় আংশিক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। জেলার ১২২ ইউনিয়ন বা এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কক্সবাজারের ১০ উপজেলার ৭১ ইউনিয়ন ও চারটি পৌরসভা, রাঙামাটির ৯ উপজেলার ৪৩ ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভা এবং বান্দরবানের সাত উপজেলার ৩৪ ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভা দুর্যোগের কবলে পড়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৭ জুলাই থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত বন্যাকবলিত সাত জেলার জন্য মোট এক কোটি ৭৫ লাখ টাকা এবং তিন হাজার ২৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামের জন্য সর্বোচ্চ ৬৫ লাখ টাকা ও এক হাজার ২০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কক্সবাজারে ৩০ লাখ টাকা ও ৪৫০ মেট্রিক টন চাল, রাঙামাটিতে ২৫ লাখ টাকা ও ৫০০ মেট্রিক টন চাল, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে পৃথকভাবে ২০ লাখ টাকা ও ৪০০ মেট্রিক টন করে চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। মৌলভীবাজারে ১০ লাখ টাকা ও ২০০ মেট্রিক টন চাল এবং হবিগঞ্জে পাঁচ লাখ টাকা ও ১০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ হয়েছে। এ ছাড়া দেশের অন্য ৫৭ জেলার জন্য জেলা প্রতি পাঁচ লাখ টাকা এবং ১০০ মেট্রিক টন চালের সাধারণ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সব মিলিয়ে ৬৪ জেলার জন্য চার কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং আট হাজার ৯৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়ার তথ্য জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।