, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

বাংলামোটরে চাঁদা না পেয়ে ওষুধ বিক্রেতাকে মারধর–ফাঁকা গুলি, বহিষ্কৃত যুবদল নেতা ফেরদৌসসহ ৪ জন রিমান্ডে

  • প্রকাশের সময় : ০৮:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • ২১ পড়া হয়েছে

অনলাইন শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর বাংলামোটরে এক ওষুধ ব্যবসায়ীকে মারধর ও ফাঁকা গুলিবর্ষণের ঘটনায় যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা ফেরদৌস আহমেদ সাইমন ও তাঁর তিন সহযোগীকে আদালতে হাজির করা হয়। আজ শুক্রবার বিকেলে ঢাকার সিএমএম আদালত

রাজধানীর বাংলামোটর এলাকায় ৫০ হাজার টাকা চাঁদা না পেয়ে এক ওষুধ বিক্রেতাকে আগ্নেয়াস্ত্রের বাঁট দিয়ে আঘাত এবং ফাঁকা গুলিবর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা ফেরদৌস আহমেদ সাইমনসহ (৩৮) চারজনের বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ শুক্রবার বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহানের আদালত তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। রিমান্ডে যাওয়া অপর আসামিরা হলেন মো. ওমর (৩২), মো. মোর্শেদ (২৫) ও মো. শাওন (২৫)।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিদের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আদালত প্রধান আসামি ফেরদৌসের চার দিন এবং বাকি তিনজনের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গতকাল সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে বাংলামোটরের নিউ ইস্কাটন এলাকায় একটি বাড়ির সামনে বাদী মো. সোহানের পথরোধ করেন আসামিরা। এ সময় প্রধান আসামি ফেরদৌস আহমেদ সাইমন বাদীর কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। বাদী চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ফেরদৌস পিস্তল বের করে তাঁর বুকে গুলি করার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে ফেরদৌস পিস্তলের বাঁট দিয়ে বাদীর মাথায় আঘাত করেন। অন্য আসামিরাও তাঁকে মারধর করেন। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে আসামিরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যান।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তার আসামিরা সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী দলের সক্রিয় সদস্য বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের পরিচয় ও অবস্থান শনাক্ত, পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার এবং মামলার অন্যান্য তথ্য উদ্ধারে রিমান্ডে নিয়ে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। এই আসামিদের বিরুদ্ধে হাতিরঝিল ও কলাবাগান থানায় বিভিন্ন মাদক মামলা রয়েছে বলে আদালতকে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও হাতিরঝিল থানার এসআই নাসিম  বলেন, আসামি চারজনকে একই জায়গা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

বাংলামোটরে চাঁদা না পেয়ে ওষুধ বিক্রেতাকে মারধর–ফাঁকা গুলি, বহিষ্কৃত যুবদল নেতা ফেরদৌসসহ ৪ জন রিমান্ডে

প্রকাশের সময় : ০৮:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

অনলাইন শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর বাংলামোটরে এক ওষুধ ব্যবসায়ীকে মারধর ও ফাঁকা গুলিবর্ষণের ঘটনায় যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা ফেরদৌস আহমেদ সাইমন ও তাঁর তিন সহযোগীকে আদালতে হাজির করা হয়। আজ শুক্রবার বিকেলে ঢাকার সিএমএম আদালত

রাজধানীর বাংলামোটর এলাকায় ৫০ হাজার টাকা চাঁদা না পেয়ে এক ওষুধ বিক্রেতাকে আগ্নেয়াস্ত্রের বাঁট দিয়ে আঘাত এবং ফাঁকা গুলিবর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা ফেরদৌস আহমেদ সাইমনসহ (৩৮) চারজনের বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ শুক্রবার বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহানের আদালত তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। রিমান্ডে যাওয়া অপর আসামিরা হলেন মো. ওমর (৩২), মো. মোর্শেদ (২৫) ও মো. শাওন (২৫)।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিদের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আদালত প্রধান আসামি ফেরদৌসের চার দিন এবং বাকি তিনজনের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গতকাল সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে বাংলামোটরের নিউ ইস্কাটন এলাকায় একটি বাড়ির সামনে বাদী মো. সোহানের পথরোধ করেন আসামিরা। এ সময় প্রধান আসামি ফেরদৌস আহমেদ সাইমন বাদীর কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। বাদী চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ফেরদৌস পিস্তল বের করে তাঁর বুকে গুলি করার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে ফেরদৌস পিস্তলের বাঁট দিয়ে বাদীর মাথায় আঘাত করেন। অন্য আসামিরাও তাঁকে মারধর করেন। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে আসামিরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যান।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তার আসামিরা সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী দলের সক্রিয় সদস্য বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের পরিচয় ও অবস্থান শনাক্ত, পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার এবং মামলার অন্যান্য তথ্য উদ্ধারে রিমান্ডে নিয়ে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। এই আসামিদের বিরুদ্ধে হাতিরঝিল ও কলাবাগান থানায় বিভিন্ন মাদক মামলা রয়েছে বলে আদালতকে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও হাতিরঝিল থানার এসআই নাসিম  বলেন, আসামি চারজনকে একই জায়গা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।