
অনলাইন বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিবাহ ছাড়া যে সন্তান হয়, ওই সন্তানেরা সৃষ্টিকর্তার বিধানের সীমালংঘন করে , তার দেওয়া বিধানের সন্তুষ্ট না হয়ে৷ ভন্ড বাবার আনুগত্য করতে গিয়ে অজ্ঞতা ও মূর্খতা বসত নিজেদের থেকে মন গড়া অভিশপ্ত পথভ্রষ্ট অহংকারী ইবলিশ শয়তানের কুমন্ত্রণায় পড়ে সেরেক, বেদাত , কুফরি ও মাজার পূজায় নিমজ্জিত হয় ৷ সাংস্কৃতি আগ্রাসন অপসংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে অভিশপ্ত পথভ্রষ্ট মুশফিকদের সাথে মিলেমিশে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য হারিয়ে ফেলে ৷ঐক্যবদ্ধ মুসলিম মিল্লাতের মধ্য মতপার্থক্য ও মতানৈক্য সৃষ্টির মাধ্যমে বহু দলে বিভক্ত হয়ে পড়ে ৷
অথচ সর্বশেষ ওহীর আলো শাশ্বত সার্বজনীন বিধান হচ্ছে জ্ঞানগর্ভ ,বিজ্ঞানময় ফোরকান সত্য মিথ্যার পার্থক্যকারী ৷ যাচাই-বাছাই ছাড়া এই ফেতনার যুগে অন্ধভক্তি, অন্ধ ভালোবাসা, অতি আবেগ, অতি ভক্তির নামে শরীয়াতের সীমা লঙ্ঘন করে, সেগুলারিজম ধর্ম চর্চার সুযোগ নিয়ে, দীর্ঘদিন ইসলামী সমাজে সৃষ্টিকর্তার মনোনীত এক আমি ঈদের আনুগত্য গ্রহণ করে খেলাফতের বিধান অবর্তমান থাকার সীমা লংঘন চলমান ৷যা আইয়ামে জাহেলিয়াত রূপে প্রকাশ পাচ্ছে
৷*সূরা মায়িদা – ৫:৮৭ নং আয়াত:*
> *يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تُحَرِّمُوا طَيِّبَاتِ مَا أَحَلَّ اللَّهُ لَكُمْ وَلَا تَعْتَدُوا ۚ إِنَّ اللَّهَ لَا يُحِبُّ الْمُعْتَدِينَ*> *হে ঈমানদারগণ, আল্লাহ তোমাদের জন্য যে পবিত্র জিনিসগুলো হালাল করেছেন, তোমরা তা হারাম করো না এবং সীমালঙ্ঘন করো না। নিশ্চয় আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীদের পছন্দ করেন না।*
এখানে *সীমালঙ্ঘন (لَا تَعْتَدُوا)* দ্বারা ৩টি বিষয় বোঝানো হয়েছে। শানে নুযূল দেখলে পরিষ্কার হবে।
একদল সাহাবী খুব বেশি ইবাদতের জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন – কেউ সারারাত নামাজ পড়বে, কেউ সারাদিন রোজা রাখবে, কেউ বিয়ে করবে না, কেউ গোশত খাবে না, কেউ ঘুমাবে না। তখন এই আয়াত নাজিল হয়।
তাফসির ইবনে কাসির অনুযায়ী সীমালঙ্ঘন হলো:
*১. হালালকে হারাম করা – দ্বীনে বাড়াবাড়ি* সৃষ্টিকর্তার রঞ্জু কে ছেড়ে দেওয়া, মতপার্থক্য মতানৈক্য সৃষ্টি করা, অপসংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে অমুসলিমদের সাদৃশ্য ধারণ করা, সমাজের প্রচলিত তন্ত্র মন্ত্র কে ইসলামী বিধান মনে করা ,আধুনিকতার নামে স্মার্ট শয়তানের প্রতারণায় পড়ে সুরা বোর্ডকে অপ্রয়োজনীয়তা মনে করা, ইসলামী শরীয়তের সর্বোচ্চ মেধাবীদের মধ্য থেকে সিলেকশন কে, সকলের দ্বারা ইলেকশন মনে করা৷আল্লাহ যা হালাল করেছেন যেমন – ভালো খাবার, সুগন্ধি, স্ত্রী, ঘুম, তা নিজের উপর হারাম করে সন্ন্যাসী হয়ে যাওয়া। ইসলামে বৈরাগ্যবাদ নেই। রাসূল ﷺ বলেছেন – *আমি রোজা রাখি, আবার ছাড়িও, বিয়েও করি, এটাই আমার সুন্নত।*
*২. হালালে সীমা ছাড়ানো – দুনিয়ায় বাড়াবাড়ি*
হালালকে হালাল জেনেও অপচয়, ভোগ-বিলাসিতায় ডুবে যাওয়া। যেমন খাবার হালাল, কিন্তু অতিরিক্ত খাওয়া, হারাম উপায়ে উপার্জন করা। সুদ যুক্ত অর্থনীতি বর্জন করে, যাকাতভিত্তিক অর্থনীতি কায়েম করা৷
*৩. আল্লাহর নির্ধারিত হদ বা সীমা লঙ্ঘন করা*
অর্থাৎ হালাল-হারামের সীমানা নিজের মনগড়া মতো বদলে ফেলা। সিরাতে মুস্তাকিম অর্থাৎ সরল পথ ছেড়ে পুরবর্তী অভিশপ্ত পথভ্রষ্টদের দ্বারা যে ৭১ ও ৭২ বক্র পথের সৃষ্টি হয়েছে সাংস্কৃতি আগ্রাসন দ্বারা তাদের সাথে মিশে যাওয়া৷ জিও পলিটিক্যাল রাজনীতির ফাঁদে পরে
*সারকথা:* আল্লাহ চান মধ্যমপন্থা। না কম, না বেশি। দ্বীনে কঠোরতাও সীমালঙ্ঘন, আবার দ্বীনকে ছেড়ে দেওয়াও সীমালঙ্ঘন। জুলুম, নির্যাতন, দুর্নীতি , চাঁদাবাজ ,সন্ত্রাস বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম ছেড়ে দেওয়াও ইসলামী শরীয়তে সীমালংঘ৷— at এদের নৈতিকতা নেই, ব্যাক্তিত্ব নেই, দেশপ্রেম নেই। এদের বর্জন করুন।
Gazi Nasir uddin’s Post
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।





















