, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

বিমানবন্দর এলাকায় চাঁদাবাজি দখলদারিত্বে শান্তর আধিপত্য

  • প্রকাশের সময় : ০৩:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫২ পড়া হয়েছে
অনলাইন শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিমানবন্দর এলাকায় চাঁদাবাজি দখলদারিত্বে শান্তর আধিপত্য

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিমানবন্দরকেন্দ্রিক এ চক্রের মূল নিয়ন্ত্রক ছিলেন শান্ত। তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতেন বিমানবন্দর সাংগঠনিক ইউনিট বিএনপির সভাপতি আব্দুর রউফ, বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি মো. রিপন হোসেনসহ স্থানীয় কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা। তাদের হয়ে মাঠে কাজ করত স্থানীয় কিশোর গ্যাং। কোনো জায়গায় প্রভাব বিস্তার, চাঁদা আদায় কিংবা বিরোধে পক্ষ নেওয়ার প্রয়োজন হলে শান্তর নেতৃত্বে লোকজন জড়ো করা হতো। ভয়ভীতি দেখানো, মারধর ও চাপ সৃষ্টির কাজে কিশোর-তরুণদের ব্যবহার করা হতো বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও এর আশপাশের এলাকায় নির্মাণকাজ, মাটি কাটা ও সরানো, নির্মাণসামগ্রী পরিবহন এবং মালপত্রবাহী গাড়ি চলাচলকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদা আদায় করা হচ্ছিল। বিভিন্ন দোকানপাট-ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকেও টাকা নেওয়ার ঘটনা রয়েছে। নির্দিষ্ট অঙ্কের চাঁদা না দিলে কাজ বন্ধ করে দেওয়া, গাড়ি আটকে দেওয়া কিংবা লোকজন পাঠিয়ে ভয় দেখানো হতো। জমি, নির্মাণকাজ কিংবা ব্যবসায়িক স্বার্থ নিয়ে বিরোধ দেখা দিলেও শান্তর লোকজন সেখানে গিয়ে এক পক্ষের হয়ে অবস্থান নিত। দলবল নিয়ে প্রতিপক্ষকে ভয় দেখানো, মারধর কিংবা জায়গার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করা হতো।

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, এসব কর্মকাণ্ডে মাঠপর্যায়ের শক্তি হিসেবে কিশোর গ্যাং সদস্যদের ব্যবহার করা হতো। চাঁদা আদায়, ভয় দেখানো কিংবা বিরোধে হামলার মতো কাজে তাদের সামনে রাখা হতো। ফলে এসব ঘটনায় রাজনৈতিক নেতাদের নাম সামনে এলেও মাঠে সক্রিয় থাকত কিশোর-তরুণদের একটি দল।

শান্তর বিরুদ্ধে অর্থ লুট ও মারধরের ঘটনায় মামলাও রয়েছে। গত ৭ মার্চ উত্তরা পূর্ব থানায় দায়ের করা মামলায় বিমানবন্দরের ডিএল ফিলিং স্টেশনের কর্মীদের মারধর করে ক্যাশ থেকে ৯০ হাজার টাকা লুটের অভিযোগ করা হয়। মামলার অভিযোগে বলা হয়, তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের পর শান্তসহ কয়েকজন সেখানে গিয়ে কর্মীদের মারধর করেন। পরে আবারও সংঘবদ্ধ হয়ে পাম্পে গিয়ে হামলা ও টাকা লুট করে নিয়ে আসেন।

এরপর ৪ এপ্রিল দক্ষিণখান থানায় শান্তকে প্রধান আসামি করে আরেকটি মামলা হয়। এতে যুবদল নেতা মো. রাসেল সরকারসহ তিনজনকে মারধরের অভিযোগ করা হয়। মামলায় আটজনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৩০ থেকে ৩৫ জনকে আসামি করা হয়। স্থানীয় রাজনৈতিক কয়েকজন নেতা জানান, সরকারি স্যুয়ারেজ লাইনের উন্নয়নকাজের জন্য খনন করা মাটি সরানো ও বিক্রিকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত হয়। একপর্যায়ে শান্ত ও তার সহযোগীরা লাঠিসোঁটা, ইট, ধারালো অস্ত্র ও রড নিয়ে হামলা চালান বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।

এসব ঘটনার পরও শান্ত বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদে বহাল ছিলেন। রাজনৈতিক পরিচয় ও স্থানীয় প্রভাবের কারণে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেও অনেকে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে চাইতেন না বলে জানান স্থানীয়রা।

এরপর গত ২৮ আগস্ট রাতে বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার পর এক প্রবাসীর স্বজনের কাছ থেকে ২০০ গ্রাম স্বর্ণ ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় এ চক্রের সন্ধান মেলে। মালয়েশিয়াপ্রবাসী কাউসার তার বোনের বিয়ে ও পরিবারের ব্যবহারের জন্য ২০০ গ্রাম স্বর্ণ দেশে পাঠান। বিমানবন্দর থেকে স্বর্ণ নিয়ে তার ভাই সুমন ও বন্ধু রোহান চৌধুরী বের হওয়ার পর বলাকা ভবনের বিপরীতে তাদের পথরোধ করা হয়। পরে মারধর ও ভয়ভীতি দেখিয়ে স্বর্ণ ছিনিয়ে নেওয়া হয়। ওই ঘটনায় করা মামলায় বিমানবন্দর সাংগঠনিক ইউনিট বিএনপির সভাপতি আব্দুর রউফ, বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি মো. রিপন হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন হোসেন শান্ত এবং বিমানবন্দর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রানা হোসাইন রুবেলকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ শান্ত ও রউফকে গ্রেপ্তার এবং ছিনতাই হওয়া স্বর্ণের মধ্যে ১০০ গ্রাম উদ্ধার করে।

পুলিশ ও স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, প্রবাসীদের স্বর্ণ বা মূল্যবান মালপত্র নিয়ে বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার পর তাদের গতিবিধি নজরদারি করার চেষ্টা করত অপরাধীরা। কে কী পরিমাণ স্বর্ণ বা মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে বের হচ্ছেন, কোন গাড়িতে যাচ্ছেন এবং কোথায় নামছেন এসব তথ্য কীভাবে তাদের কাছে পৌঁছাত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তসংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, ঘটনায় আর কে কে জড়িত তা নিয়ে তদন্ত চলছে।

বিমানবন্দর থানার ওসি কামরুল হাসান  ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুজনকে গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে একদিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ড শেষে আসামিদের ফের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় জড়িত সবাইকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলমান আছে।

এদিকে স্বর্ণ ছিনতাইয়ের ঘটনার পর বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি মো. রিপন হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন হোসেন শান্তকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মো. সালাহউদ্দিন আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ-উর-রহমান সিদ্ধান্তটি অনুমোদন করেন। একই সঙ্গে ছাত্রদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

বিমানবন্দর এলাকায় চাঁদাবাজি দখলদারিত্বে শান্তর আধিপত্য

প্রকাশের সময় : ০৩:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অনলাইন শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিমানবন্দর এলাকায় চাঁদাবাজি দখলদারিত্বে শান্তর আধিপত্য

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিমানবন্দরকেন্দ্রিক এ চক্রের মূল নিয়ন্ত্রক ছিলেন শান্ত। তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতেন বিমানবন্দর সাংগঠনিক ইউনিট বিএনপির সভাপতি আব্দুর রউফ, বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি মো. রিপন হোসেনসহ স্থানীয় কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা। তাদের হয়ে মাঠে কাজ করত স্থানীয় কিশোর গ্যাং। কোনো জায়গায় প্রভাব বিস্তার, চাঁদা আদায় কিংবা বিরোধে পক্ষ নেওয়ার প্রয়োজন হলে শান্তর নেতৃত্বে লোকজন জড়ো করা হতো। ভয়ভীতি দেখানো, মারধর ও চাপ সৃষ্টির কাজে কিশোর-তরুণদের ব্যবহার করা হতো বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও এর আশপাশের এলাকায় নির্মাণকাজ, মাটি কাটা ও সরানো, নির্মাণসামগ্রী পরিবহন এবং মালপত্রবাহী গাড়ি চলাচলকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদা আদায় করা হচ্ছিল। বিভিন্ন দোকানপাট-ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকেও টাকা নেওয়ার ঘটনা রয়েছে। নির্দিষ্ট অঙ্কের চাঁদা না দিলে কাজ বন্ধ করে দেওয়া, গাড়ি আটকে দেওয়া কিংবা লোকজন পাঠিয়ে ভয় দেখানো হতো। জমি, নির্মাণকাজ কিংবা ব্যবসায়িক স্বার্থ নিয়ে বিরোধ দেখা দিলেও শান্তর লোকজন সেখানে গিয়ে এক পক্ষের হয়ে অবস্থান নিত। দলবল নিয়ে প্রতিপক্ষকে ভয় দেখানো, মারধর কিংবা জায়গার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করা হতো।

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, এসব কর্মকাণ্ডে মাঠপর্যায়ের শক্তি হিসেবে কিশোর গ্যাং সদস্যদের ব্যবহার করা হতো। চাঁদা আদায়, ভয় দেখানো কিংবা বিরোধে হামলার মতো কাজে তাদের সামনে রাখা হতো। ফলে এসব ঘটনায় রাজনৈতিক নেতাদের নাম সামনে এলেও মাঠে সক্রিয় থাকত কিশোর-তরুণদের একটি দল।

শান্তর বিরুদ্ধে অর্থ লুট ও মারধরের ঘটনায় মামলাও রয়েছে। গত ৭ মার্চ উত্তরা পূর্ব থানায় দায়ের করা মামলায় বিমানবন্দরের ডিএল ফিলিং স্টেশনের কর্মীদের মারধর করে ক্যাশ থেকে ৯০ হাজার টাকা লুটের অভিযোগ করা হয়। মামলার অভিযোগে বলা হয়, তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের পর শান্তসহ কয়েকজন সেখানে গিয়ে কর্মীদের মারধর করেন। পরে আবারও সংঘবদ্ধ হয়ে পাম্পে গিয়ে হামলা ও টাকা লুট করে নিয়ে আসেন।

এরপর ৪ এপ্রিল দক্ষিণখান থানায় শান্তকে প্রধান আসামি করে আরেকটি মামলা হয়। এতে যুবদল নেতা মো. রাসেল সরকারসহ তিনজনকে মারধরের অভিযোগ করা হয়। মামলায় আটজনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৩০ থেকে ৩৫ জনকে আসামি করা হয়। স্থানীয় রাজনৈতিক কয়েকজন নেতা জানান, সরকারি স্যুয়ারেজ লাইনের উন্নয়নকাজের জন্য খনন করা মাটি সরানো ও বিক্রিকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত হয়। একপর্যায়ে শান্ত ও তার সহযোগীরা লাঠিসোঁটা, ইট, ধারালো অস্ত্র ও রড নিয়ে হামলা চালান বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।

এসব ঘটনার পরও শান্ত বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদে বহাল ছিলেন। রাজনৈতিক পরিচয় ও স্থানীয় প্রভাবের কারণে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেও অনেকে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে চাইতেন না বলে জানান স্থানীয়রা।

এরপর গত ২৮ আগস্ট রাতে বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার পর এক প্রবাসীর স্বজনের কাছ থেকে ২০০ গ্রাম স্বর্ণ ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় এ চক্রের সন্ধান মেলে। মালয়েশিয়াপ্রবাসী কাউসার তার বোনের বিয়ে ও পরিবারের ব্যবহারের জন্য ২০০ গ্রাম স্বর্ণ দেশে পাঠান। বিমানবন্দর থেকে স্বর্ণ নিয়ে তার ভাই সুমন ও বন্ধু রোহান চৌধুরী বের হওয়ার পর বলাকা ভবনের বিপরীতে তাদের পথরোধ করা হয়। পরে মারধর ও ভয়ভীতি দেখিয়ে স্বর্ণ ছিনিয়ে নেওয়া হয়। ওই ঘটনায় করা মামলায় বিমানবন্দর সাংগঠনিক ইউনিট বিএনপির সভাপতি আব্দুর রউফ, বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি মো. রিপন হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন হোসেন শান্ত এবং বিমানবন্দর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রানা হোসাইন রুবেলকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ শান্ত ও রউফকে গ্রেপ্তার এবং ছিনতাই হওয়া স্বর্ণের মধ্যে ১০০ গ্রাম উদ্ধার করে।

পুলিশ ও স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, প্রবাসীদের স্বর্ণ বা মূল্যবান মালপত্র নিয়ে বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার পর তাদের গতিবিধি নজরদারি করার চেষ্টা করত অপরাধীরা। কে কী পরিমাণ স্বর্ণ বা মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে বের হচ্ছেন, কোন গাড়িতে যাচ্ছেন এবং কোথায় নামছেন এসব তথ্য কীভাবে তাদের কাছে পৌঁছাত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তসংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, ঘটনায় আর কে কে জড়িত তা নিয়ে তদন্ত চলছে।

বিমানবন্দর থানার ওসি কামরুল হাসান  ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুজনকে গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে একদিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ড শেষে আসামিদের ফের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় জড়িত সবাইকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলমান আছে।

এদিকে স্বর্ণ ছিনতাইয়ের ঘটনার পর বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি মো. রিপন হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন হোসেন শান্তকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মো. সালাহউদ্দিন আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ-উর-রহমান সিদ্ধান্তটি অনুমোদন করেন। একই সঙ্গে ছাত্রদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।