, মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বীর মুক্তিযোদ্ধা বদিউল আলম কে শ্রদ্ধাঞ্জলি।

  • প্রকাশের সময় : ১২:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
  • ২৩ পড়া হয়েছে
অনলাইন : ২৪ জুলাই ২০২৬,—————————————————–
বীর মুক্তিযোদ্ধা বদিউল আলম পলক বগুড়ার অত্যন্ত সুপরিচিত একজন ব্যক্তি। পেশায় ছিলেন ব্যবসায়ি।
জন্ম ১৯৫১ সালের ১ জানুয়ারি বগুড়ায়। তাঁর পিতা মোবাশ্বের উদ্দিন আহমেদ। মাতা মাহমুদা বেগম। স্ত্রী মেহের আফরোজ রেবা এবং একমাত্র ছেলে এ. এম. শারেক তাউসিফকে নিয়ে শহরের মালতীনগর দক্ষিণ পাড়ায় ছিল তাঁর গোছানো সাজানো ছোট্ট পরিবার।
তাঁর ছেলে শারেক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রিতে অনার্স এবং মাস্টার্স সম্পন্ন করে বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছেন।
বদিউল আলম পলক ছিলেন বগুড়া জিলা স্কুলের মেধাবী শিক্ষার্থী। ১৯৬২ সালে তিনি শিক্ষা আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন। অংশ নিয়েছিলেন ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে।
১৯৭১ সালে তিনি ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য হিসেবে সাত নম্বর সেক্টরের অধীনে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদ করায় দীর্ঘ পাঁচ বছর তাঁকে কারাভোগ করতে হয়েছে।
বদিউল আলম পলক পরবর্তীতে যুক্ত ছিলেন বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনে। এরপর কোয়ান্টাম মেথড কোর্স করে একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হিসেবে বিভিন্ন সেবামূলক কাজে সংগঠনের দায়িত্ব পালন করেন।
বাম চেতনায় বিশ্বাসী পলক ছিলেন দেশপ্রমিক, পরোপকারী, দানশীল, ইতিবাচক এবং আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী একজন মানুষ।
২৪ জুলাই ২০২৪ সালে এই বীর মুক্তিযোদ্ধার জীবনাবসান ঘটে। শ্রদ্ধাঞ্জলি।
— মেসবা খান

Mesba Khan’s Post

জনপ্রিয়

বীর মুক্তিযোদ্ধা বদিউল আলম কে শ্রদ্ধাঞ্জলি।

প্রকাশের সময় : ১২:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
অনলাইন : ২৪ জুলাই ২০২৬,—————————————————–
বীর মুক্তিযোদ্ধা বদিউল আলম পলক বগুড়ার অত্যন্ত সুপরিচিত একজন ব্যক্তি। পেশায় ছিলেন ব্যবসায়ি।
জন্ম ১৯৫১ সালের ১ জানুয়ারি বগুড়ায়। তাঁর পিতা মোবাশ্বের উদ্দিন আহমেদ। মাতা মাহমুদা বেগম। স্ত্রী মেহের আফরোজ রেবা এবং একমাত্র ছেলে এ. এম. শারেক তাউসিফকে নিয়ে শহরের মালতীনগর দক্ষিণ পাড়ায় ছিল তাঁর গোছানো সাজানো ছোট্ট পরিবার।
তাঁর ছেলে শারেক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রিতে অনার্স এবং মাস্টার্স সম্পন্ন করে বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছেন।
বদিউল আলম পলক ছিলেন বগুড়া জিলা স্কুলের মেধাবী শিক্ষার্থী। ১৯৬২ সালে তিনি শিক্ষা আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন। অংশ নিয়েছিলেন ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে।
১৯৭১ সালে তিনি ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য হিসেবে সাত নম্বর সেক্টরের অধীনে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদ করায় দীর্ঘ পাঁচ বছর তাঁকে কারাভোগ করতে হয়েছে।
বদিউল আলম পলক পরবর্তীতে যুক্ত ছিলেন বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনে। এরপর কোয়ান্টাম মেথড কোর্স করে একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হিসেবে বিভিন্ন সেবামূলক কাজে সংগঠনের দায়িত্ব পালন করেন।
বাম চেতনায় বিশ্বাসী পলক ছিলেন দেশপ্রমিক, পরোপকারী, দানশীল, ইতিবাচক এবং আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী একজন মানুষ।
২৪ জুলাই ২০২৪ সালে এই বীর মুক্তিযোদ্ধার জীবনাবসান ঘটে। শ্রদ্ধাঞ্জলি।
— মেসবা খান

Mesba Khan’s Post