, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

বীর মুক্তিযোদ্ধা বদিউল আলম কে শ্রদ্ধাঞ্জলি।

  • প্রকাশের সময় : ১২:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
  • ৫৩ পড়া হয়েছে
অনলাইন : ২৪ জুলাই ২০২৬,—————————————————–
বীর মুক্তিযোদ্ধা বদিউল আলম পলক বগুড়ার অত্যন্ত সুপরিচিত একজন ব্যক্তি। পেশায় ছিলেন ব্যবসায়ি।
জন্ম ১৯৫১ সালের ১ জানুয়ারি বগুড়ায়। তাঁর পিতা মোবাশ্বের উদ্দিন আহমেদ। মাতা মাহমুদা বেগম। স্ত্রী মেহের আফরোজ রেবা এবং একমাত্র ছেলে এ. এম. শারেক তাউসিফকে নিয়ে শহরের মালতীনগর দক্ষিণ পাড়ায় ছিল তাঁর গোছানো সাজানো ছোট্ট পরিবার।
তাঁর ছেলে শারেক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রিতে অনার্স এবং মাস্টার্স সম্পন্ন করে বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছেন।
বদিউল আলম পলক ছিলেন বগুড়া জিলা স্কুলের মেধাবী শিক্ষার্থী। ১৯৬২ সালে তিনি শিক্ষা আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন। অংশ নিয়েছিলেন ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে।
১৯৭১ সালে তিনি ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য হিসেবে সাত নম্বর সেক্টরের অধীনে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদ করায় দীর্ঘ পাঁচ বছর তাঁকে কারাভোগ করতে হয়েছে।
বদিউল আলম পলক পরবর্তীতে যুক্ত ছিলেন বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনে। এরপর কোয়ান্টাম মেথড কোর্স করে একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হিসেবে বিভিন্ন সেবামূলক কাজে সংগঠনের দায়িত্ব পালন করেন।
বাম চেতনায় বিশ্বাসী পলক ছিলেন দেশপ্রমিক, পরোপকারী, দানশীল, ইতিবাচক এবং আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী একজন মানুষ।
২৪ জুলাই ২০২৪ সালে এই বীর মুক্তিযোদ্ধার জীবনাবসান ঘটে। শ্রদ্ধাঞ্জলি।
— মেসবা খান

Mesba Khan’s Post

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

বীর মুক্তিযোদ্ধা বদিউল আলম কে শ্রদ্ধাঞ্জলি।

প্রকাশের সময় : ১২:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
অনলাইন : ২৪ জুলাই ২০২৬,—————————————————–
বীর মুক্তিযোদ্ধা বদিউল আলম পলক বগুড়ার অত্যন্ত সুপরিচিত একজন ব্যক্তি। পেশায় ছিলেন ব্যবসায়ি।
জন্ম ১৯৫১ সালের ১ জানুয়ারি বগুড়ায়। তাঁর পিতা মোবাশ্বের উদ্দিন আহমেদ। মাতা মাহমুদা বেগম। স্ত্রী মেহের আফরোজ রেবা এবং একমাত্র ছেলে এ. এম. শারেক তাউসিফকে নিয়ে শহরের মালতীনগর দক্ষিণ পাড়ায় ছিল তাঁর গোছানো সাজানো ছোট্ট পরিবার।
তাঁর ছেলে শারেক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রিতে অনার্স এবং মাস্টার্স সম্পন্ন করে বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছেন।
বদিউল আলম পলক ছিলেন বগুড়া জিলা স্কুলের মেধাবী শিক্ষার্থী। ১৯৬২ সালে তিনি শিক্ষা আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন। অংশ নিয়েছিলেন ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে।
১৯৭১ সালে তিনি ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য হিসেবে সাত নম্বর সেক্টরের অধীনে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদ করায় দীর্ঘ পাঁচ বছর তাঁকে কারাভোগ করতে হয়েছে।
বদিউল আলম পলক পরবর্তীতে যুক্ত ছিলেন বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনে। এরপর কোয়ান্টাম মেথড কোর্স করে একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হিসেবে বিভিন্ন সেবামূলক কাজে সংগঠনের দায়িত্ব পালন করেন।
বাম চেতনায় বিশ্বাসী পলক ছিলেন দেশপ্রমিক, পরোপকারী, দানশীল, ইতিবাচক এবং আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী একজন মানুষ।
২৪ জুলাই ২০২৪ সালে এই বীর মুক্তিযোদ্ধার জীবনাবসান ঘটে। শ্রদ্ধাঞ্জলি।
— মেসবা খান

Mesba Khan’s Post