, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

ভারতে সরকারের পতন হয় ভোটের মাধ্যমে, বন্দুকের নলের মাধ্যমে নয়।

  • প্রকাশের সময় : ০৮:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
  • ১২৩ পড়া হয়েছে

Rubel Khan’s Post

অনলাইন ২৫ জুলাই ২০২৬
দেশপ্রেম আর দায়িত্ববোধ
ভারতের সেনাবাহিনী দেশপ্রেমিক।
ভারতের পুলিশবাহিনী দেশপ্রেমিক।
তদুপরি ভারতের জনগণও দেশপ্রেমিক।
তারা কখনোই দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব কিংবা জাতীয় সম্পদ ধ্বংস হোক এমন কোনো পদক্ষেপ নেবে না।
ভারতে জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে সরকারি দল-বিরোধী দল সবসময় এক হয়ে যায়।
এত বছরের ইতিহাসে ভারতে সেনা-অভ্যুত্থান বা ‘ক্যু’ হয়েছে বলে জানা নেই।
ভারতে সরকারের পতন হয় ভোটের মাধ্যমে, বন্দুকের নলের মাধ্যমে নয়।
কিন্তু এর ঠিক উল্টো চিত্র আমরা দেখি বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানে।
সেখানে সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখল, ক্যু হওয়া — একেবারেই সাধারণ ঘটনা।
*বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কিছু কৃতকর্ম*
১. এই সেনাবাহিনীরই কিছু সদস্যের হাতে সপরিবারে খুন হয়েছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
২. মেজর জিয়া নিজেও ছিলেন সেনাবাহিনীর সদস্য। তার সময়ে কর্নেল তাহেরসহ অসংখ্য সেনা সদস্য জেলের ভেতরে নির্মমভাবে নিহত হন।
পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন জিয়াউর রহমান নিজেও সেনাবাহিনীর হাতেই প্রাণ হারান।
৩. সেনাবাহিনীর ছত্রছায় মব-সন্ত্রাসে খুন হয়েছেন অসংখ্য নিরীহ মানুষ।
৪. সেনাবাহিনীর পাহারায় ভেঙে ফেলা হয়েছে স্বাধীনতার আঁতুড়ঘর খ্যাত ধানমন্ডি ৩২ নম্বরসহ বহু ঐতিহাসিক স্থাপনা।
৫. সেনাবাহিনীর সহায়তায় গোপালগঞ্জে গণহত্যা চালিয়েছে কথিত ‘জুলাই সন্ত্রাসীরা’। হত্যার পর তাদেরই কাঁধে চড়ে নিরাপদে ফিরেছে তারা।
এমন ঘটনার তালিকা করতে গেলে কলমের কালি ফুরিয়ে যাবে।
পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর সদস্যদের মধ্যে যদি প্রকৃত দেশপ্রেম থাকতো,
তাহলে হয়তো এই দুটি দেশ আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে গিয়ে দাঁড়াতো না।
কারণ দেশপ্রেম মানে শুধু পতাকা নয়,
দেশপ্রেম মানে জনগণের পাশে থাকা, সংবিধান মানা, আর গণতন্ত্রকে রক্ষা করা।

Rubel Khan’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

ভারতে সরকারের পতন হয় ভোটের মাধ্যমে, বন্দুকের নলের মাধ্যমে নয়।

প্রকাশের সময় : ০৮:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

Rubel Khan’s Post

অনলাইন ২৫ জুলাই ২০২৬
দেশপ্রেম আর দায়িত্ববোধ
ভারতের সেনাবাহিনী দেশপ্রেমিক।
ভারতের পুলিশবাহিনী দেশপ্রেমিক।
তদুপরি ভারতের জনগণও দেশপ্রেমিক।
তারা কখনোই দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব কিংবা জাতীয় সম্পদ ধ্বংস হোক এমন কোনো পদক্ষেপ নেবে না।
ভারতে জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে সরকারি দল-বিরোধী দল সবসময় এক হয়ে যায়।
এত বছরের ইতিহাসে ভারতে সেনা-অভ্যুত্থান বা ‘ক্যু’ হয়েছে বলে জানা নেই।
ভারতে সরকারের পতন হয় ভোটের মাধ্যমে, বন্দুকের নলের মাধ্যমে নয়।
কিন্তু এর ঠিক উল্টো চিত্র আমরা দেখি বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানে।
সেখানে সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখল, ক্যু হওয়া — একেবারেই সাধারণ ঘটনা।
*বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কিছু কৃতকর্ম*
১. এই সেনাবাহিনীরই কিছু সদস্যের হাতে সপরিবারে খুন হয়েছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
২. মেজর জিয়া নিজেও ছিলেন সেনাবাহিনীর সদস্য। তার সময়ে কর্নেল তাহেরসহ অসংখ্য সেনা সদস্য জেলের ভেতরে নির্মমভাবে নিহত হন।
পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন জিয়াউর রহমান নিজেও সেনাবাহিনীর হাতেই প্রাণ হারান।
৩. সেনাবাহিনীর ছত্রছায় মব-সন্ত্রাসে খুন হয়েছেন অসংখ্য নিরীহ মানুষ।
৪. সেনাবাহিনীর পাহারায় ভেঙে ফেলা হয়েছে স্বাধীনতার আঁতুড়ঘর খ্যাত ধানমন্ডি ৩২ নম্বরসহ বহু ঐতিহাসিক স্থাপনা।
৫. সেনাবাহিনীর সহায়তায় গোপালগঞ্জে গণহত্যা চালিয়েছে কথিত ‘জুলাই সন্ত্রাসীরা’। হত্যার পর তাদেরই কাঁধে চড়ে নিরাপদে ফিরেছে তারা।
এমন ঘটনার তালিকা করতে গেলে কলমের কালি ফুরিয়ে যাবে।
পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর সদস্যদের মধ্যে যদি প্রকৃত দেশপ্রেম থাকতো,
তাহলে হয়তো এই দুটি দেশ আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে গিয়ে দাঁড়াতো না।
কারণ দেশপ্রেম মানে শুধু পতাকা নয়,
দেশপ্রেম মানে জনগণের পাশে থাকা, সংবিধান মানা, আর গণতন্ত্রকে রক্ষা করা।

Rubel Khan’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।