, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

ভেড়ার গোপন শত্রু

  • প্রকাশের সময় : ১০:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬
  • ১১৪ পড়া হয়েছে

অনলাইন: ০৮ জুলাই, ২০২৬

জঙ্গল দিয়ে একটি ভেড়ার পাল যাচ্ছিলো।
:অনলাইন: ০৮ জুলাই, ২০২৬
হঠাৎ করে সেই পালের উপর একটি বাঘ হামলা করল।
সব ভেড়া ভয় পেয়ে গেল, কিন্তু তাদের মধ্যে একটি ভেড়া সাহস করে সামনে এগিয়ে এলো, এবং বলল তোমরা সবাই চলে যাও।
বাঘের সাথে আমি লড়াই করব।
ভেড়া টি তার পুরো দলটাকে বাঁচিয়েছিল। কিন্তু প্রচন্ড জখম হয়ে দৌড়াতে দৌড়াতে এমন একটি জায়গায় পৌঁছালো যেখানে কাপড়ের রং করা হতো।
আর সেখানে গিয়ে ও একটা নীল রং ভর্তি পাত্রের উপর পড়ে গেল।
ওর গায়ের রং একদম নীল হয়ে গেল। ওকে চেনা যাচ্ছিল না।
জখম হওয়ার কারণে কয়েকদিন ভেড়া টি জঙ্গলে না ফেরায় সবাই ভাবল ভেড়া টি মরে গেছে।
কিছুদিন পর জঙ্গলে একটা অদ্ভুত নীল রঙের প্রাণী দেখা গেল । সবাই ওকে দেখে খুব ভয় পেয়ে গেল। এমনকি বাঘ ও ওকে দেখে ভয় পেয়ে গেল।
ভয়ে বাঘ ওকে জঙ্গলের রাজা বানিয়ে দিল।
ভেড়া টি রাজা তো হয়ে গেল। কিন্তু ওর বারবার পুরনো বন্ধুদের কথা মনে হতে লাগলো। ও ওর কিছু কাছের বন্ধুকে নিজের পরিচয় দিল এবং সব ঘটনা খুলে বললো।
আর এটাই ছিল ওর জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল।
এই কথা পুরো জঙ্গলে জানাজানি হয়ে গেল।
একটি ভেড়া বাঘের কাছে গিয়ে বলল, ওই নীল প্রাণীটি কোন নতুন পশু নয়। ও সেই ভেড়া যে আপনার সাথে লড়াই করেছিল।
বাঘ কথাটি বিশ্বাস করল না। সব ভেড়া বাঘ কে প্রমান দেয়ার জন্য সন্ধ্যায়, রাজা ভাড়াটির গুহার আশেপাশে গিয়ে খুশিতে আওয়াজ করতে লাগল।
নিজের পরিচয় লুকিয়ে রাখা ভেরাটিও তার বন্ধুদের আওয়াজ শুনে খুশিতে ভেড়ার মত আওয়াজ করতে লাগলো।
আর সেটা শুনে বাঘ বুঝে গেল ওটা আসলে ভেড়াই। কোন নতুন পশু নয়।
আর রেগে সেই রাতেই বাঘটি ভেড়া টিকে মেরে ফেলল।
ভেড়া টি কেন মরল?
কারণ ওর গোপন বিষয়ে,ও ওর সবচেয়ে কাছের বন্ধুদের বলে দিয়েছিল।
তোমার কাছের মানুষ বা তোমার আপনজন শুধুমাত্র ততক্ষণ তোমার কাছের মানুষ বা আপনজন থাকে যতক্ষণ তুমি তাদের চেয়ে ছোট অবস্থানে থাকো বা সমান অবস্থানে থাকো।
যখনই তুমি তাদের চেয়ে উপরের অবস্থানে উঠে যাবে, উন্নতি করতে থাকবে,
তখন তোমার সবচেয়ে কাছের মানুষ, সবচেয়ে আপনজন, তোমার সবচেয়ে বড় শত্রু হয়ে যাবে।

Adv Rabea Roshni

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এলেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।
জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

ভেড়ার গোপন শত্রু

প্রকাশের সময় : ১০:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

অনলাইন: ০৮ জুলাই, ২০২৬

জঙ্গল দিয়ে একটি ভেড়ার পাল যাচ্ছিলো।
:অনলাইন: ০৮ জুলাই, ২০২৬
হঠাৎ করে সেই পালের উপর একটি বাঘ হামলা করল।
সব ভেড়া ভয় পেয়ে গেল, কিন্তু তাদের মধ্যে একটি ভেড়া সাহস করে সামনে এগিয়ে এলো, এবং বলল তোমরা সবাই চলে যাও।
বাঘের সাথে আমি লড়াই করব।
ভেড়া টি তার পুরো দলটাকে বাঁচিয়েছিল। কিন্তু প্রচন্ড জখম হয়ে দৌড়াতে দৌড়াতে এমন একটি জায়গায় পৌঁছালো যেখানে কাপড়ের রং করা হতো।
আর সেখানে গিয়ে ও একটা নীল রং ভর্তি পাত্রের উপর পড়ে গেল।
ওর গায়ের রং একদম নীল হয়ে গেল। ওকে চেনা যাচ্ছিল না।
জখম হওয়ার কারণে কয়েকদিন ভেড়া টি জঙ্গলে না ফেরায় সবাই ভাবল ভেড়া টি মরে গেছে।
কিছুদিন পর জঙ্গলে একটা অদ্ভুত নীল রঙের প্রাণী দেখা গেল । সবাই ওকে দেখে খুব ভয় পেয়ে গেল। এমনকি বাঘ ও ওকে দেখে ভয় পেয়ে গেল।
ভয়ে বাঘ ওকে জঙ্গলের রাজা বানিয়ে দিল।
ভেড়া টি রাজা তো হয়ে গেল। কিন্তু ওর বারবার পুরনো বন্ধুদের কথা মনে হতে লাগলো। ও ওর কিছু কাছের বন্ধুকে নিজের পরিচয় দিল এবং সব ঘটনা খুলে বললো।
আর এটাই ছিল ওর জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল।
এই কথা পুরো জঙ্গলে জানাজানি হয়ে গেল।
একটি ভেড়া বাঘের কাছে গিয়ে বলল, ওই নীল প্রাণীটি কোন নতুন পশু নয়। ও সেই ভেড়া যে আপনার সাথে লড়াই করেছিল।
বাঘ কথাটি বিশ্বাস করল না। সব ভেড়া বাঘ কে প্রমান দেয়ার জন্য সন্ধ্যায়, রাজা ভাড়াটির গুহার আশেপাশে গিয়ে খুশিতে আওয়াজ করতে লাগল।
নিজের পরিচয় লুকিয়ে রাখা ভেরাটিও তার বন্ধুদের আওয়াজ শুনে খুশিতে ভেড়ার মত আওয়াজ করতে লাগলো।
আর সেটা শুনে বাঘ বুঝে গেল ওটা আসলে ভেড়াই। কোন নতুন পশু নয়।
আর রেগে সেই রাতেই বাঘটি ভেড়া টিকে মেরে ফেলল।
ভেড়া টি কেন মরল?
কারণ ওর গোপন বিষয়ে,ও ওর সবচেয়ে কাছের বন্ধুদের বলে দিয়েছিল।
তোমার কাছের মানুষ বা তোমার আপনজন শুধুমাত্র ততক্ষণ তোমার কাছের মানুষ বা আপনজন থাকে যতক্ষণ তুমি তাদের চেয়ে ছোট অবস্থানে থাকো বা সমান অবস্থানে থাকো।
যখনই তুমি তাদের চেয়ে উপরের অবস্থানে উঠে যাবে, উন্নতি করতে থাকবে,
তখন তোমার সবচেয়ে কাছের মানুষ, সবচেয়ে আপনজন, তোমার সবচেয়ে বড় শত্রু হয়ে যাবে।

Adv Rabea Roshni

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এলেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।