, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

মবের তান্ডবে জাসদ ধৈর্যের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে

  • প্রকাশের সময় : ১২:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৬ পড়া হয়েছে

·অনলাইন সোমবার,২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাসদকে ধন্যবাদঃ
মবের তান্ডবে জাসদ ধৈর্যের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। জাসদ নাশকতা করে না। জাসদ জনগণকে সাথে নিয়ে জনগণের দাবী আদায়ের রাজনীতি করে, তা যুগে যুগে প্রমাণিত হয়েছে। সারা দেশে জাসদ নেতাদের বিরুদ্ধে হামলা, মামলা, বাড়ি ছাড়া, জাসদ অফিসগুলো ভেঙে দেয়া, জাসদ সভাপতিকে প্রকাশ্যে জনসভায় সর্বোচ্চ সাজা দেয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করার পরও যখন সারা দেশ থেকে শুধু কমিটিগুলোর প্রতিনিধিই এসেছেন ৫০০ জনের বেশী, তখন তা দেখে অনেকেই বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না যে, “””””জাসদ এতো ছোট দল নয়।”””””
২৬/০৯/২০২৬ তারিখ মবকারীরা জাসদের প্রতিনিধি সভায় গিয়ে বলেন, “””””এতো লোক!””””” এগুলো আওয়ামী লীগের লোক। —এখানে “””””এতো লোক!””””” এ কথার অর্থ হলো, এতো কিছুর পরেও জাসদে এখনো এতো নেতা আছে! মবকারীরা জানে না, জাসদের উপর বহু হত্যা নির্যাতনের পরেও, জাসদ ভেঙে চার টুকরো হলেও এই জাসদের প্রতিষ্ঠাকাীন আদর্শিক লোকের / নেতার সংখ্যা কমে না।
২০১৬ সালে মোহাম্মদ নাসিম সাহেব সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাসদের সম্মেলন দেখে বক্তৃতায় বলেছিলেন, “””””জাসদ এতো বড় দল! “””””
জাসদ জনগণের ৫৪ বছরের পরীক্ষিত বন্ধু। কাঁচা লোহা আগুনে পুড়ে যেমন স্টীল হয়, জাসদ নেতারা অন্যায় অনাচারে পুড়ে তেমনি স্টীল হয়েছেন।
জাসদের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সভায় দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আনার প্রয়োজনীয়তা, দেশকে উন্নয়ন ও অগ্রগতির দিকে এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়ার কথা বলা হয়েছে। এ প্রতিনিধি সভায় দেশের ভালোর জন্য মুক্তিযোদ্ধারা যে রকমের মূল্যবান কথা বলেছেন, সে রকমের মূল্যবান কথা দিয়ে বক্তব্য দেয়া স্বাধীনতা বিরোধী ও চান্দাতন্ত্র কায়েমকারী নেতার মুখ দিয়ে বোমা মারলেও বের হবে না।
দেশ প্রেম থাকলে দেশকে কিছু দেয়ার ইচ্ছে জাগে। সেজন্য ত্যাগের রাজনীতি করতে হয়। জাসদ নেতারা মুক্তিযুদ্ধ ও ত্যাগের রাজনীতি করে বৃদ্ধ হয়েছেন। তাঁরা সমাজের সম্মান পাওয়া মানুষ। রাস্ট্রের বা পরের ধন সম্পদ, টাকা পয়সা চালাকী বাটপারী করে হাতিয়ে নেয়া ও নাশকতা করার জঘন্য ও ঘৃণা রাজনীতি জাসদ নেতারা করেন না।।

Humayun Kabir Sardar’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

মবের তান্ডবে জাসদ ধৈর্যের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে

প্রকাশের সময় : ১২:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

·অনলাইন সোমবার,২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাসদকে ধন্যবাদঃ
মবের তান্ডবে জাসদ ধৈর্যের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। জাসদ নাশকতা করে না। জাসদ জনগণকে সাথে নিয়ে জনগণের দাবী আদায়ের রাজনীতি করে, তা যুগে যুগে প্রমাণিত হয়েছে। সারা দেশে জাসদ নেতাদের বিরুদ্ধে হামলা, মামলা, বাড়ি ছাড়া, জাসদ অফিসগুলো ভেঙে দেয়া, জাসদ সভাপতিকে প্রকাশ্যে জনসভায় সর্বোচ্চ সাজা দেয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করার পরও যখন সারা দেশ থেকে শুধু কমিটিগুলোর প্রতিনিধিই এসেছেন ৫০০ জনের বেশী, তখন তা দেখে অনেকেই বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না যে, “””””জাসদ এতো ছোট দল নয়।”””””
২৬/০৯/২০২৬ তারিখ মবকারীরা জাসদের প্রতিনিধি সভায় গিয়ে বলেন, “””””এতো লোক!””””” এগুলো আওয়ামী লীগের লোক। —এখানে “””””এতো লোক!””””” এ কথার অর্থ হলো, এতো কিছুর পরেও জাসদে এখনো এতো নেতা আছে! মবকারীরা জানে না, জাসদের উপর বহু হত্যা নির্যাতনের পরেও, জাসদ ভেঙে চার টুকরো হলেও এই জাসদের প্রতিষ্ঠাকাীন আদর্শিক লোকের / নেতার সংখ্যা কমে না।
২০১৬ সালে মোহাম্মদ নাসিম সাহেব সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাসদের সম্মেলন দেখে বক্তৃতায় বলেছিলেন, “””””জাসদ এতো বড় দল! “””””
জাসদ জনগণের ৫৪ বছরের পরীক্ষিত বন্ধু। কাঁচা লোহা আগুনে পুড়ে যেমন স্টীল হয়, জাসদ নেতারা অন্যায় অনাচারে পুড়ে তেমনি স্টীল হয়েছেন।
জাসদের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সভায় দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আনার প্রয়োজনীয়তা, দেশকে উন্নয়ন ও অগ্রগতির দিকে এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়ার কথা বলা হয়েছে। এ প্রতিনিধি সভায় দেশের ভালোর জন্য মুক্তিযোদ্ধারা যে রকমের মূল্যবান কথা বলেছেন, সে রকমের মূল্যবান কথা দিয়ে বক্তব্য দেয়া স্বাধীনতা বিরোধী ও চান্দাতন্ত্র কায়েমকারী নেতার মুখ দিয়ে বোমা মারলেও বের হবে না।
দেশ প্রেম থাকলে দেশকে কিছু দেয়ার ইচ্ছে জাগে। সেজন্য ত্যাগের রাজনীতি করতে হয়। জাসদ নেতারা মুক্তিযুদ্ধ ও ত্যাগের রাজনীতি করে বৃদ্ধ হয়েছেন। তাঁরা সমাজের সম্মান পাওয়া মানুষ। রাস্ট্রের বা পরের ধন সম্পদ, টাকা পয়সা চালাকী বাটপারী করে হাতিয়ে নেয়া ও নাশকতা করার জঘন্য ও ঘৃণা রাজনীতি জাসদ নেতারা করেন না।।

Humayun Kabir Sardar’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।