, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

মাজারের খাদেমকে হত্যা: দুই জেএমবিদুই মৃত্যুদণ্ড

  • প্রকাশের সময় : ০২:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৬১ পড়া হয়েছে

অনলাইন,রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ মিস

রংপুরের কাউনিয়ায় সুরেশ্বরী মাজারের খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জেএমবির সাত সদস্যের দুইজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল ও  পাঁচজনকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) এ রায় দেন বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি সাথিকা হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

মামলায় মৃত্যুদণ্ড বহাল দুই আসামি হলেন- মাসুদ রানা ও লিটন মিয়া।

হাইকোর্টে খালাস পাওয়া পাঁচ আসামি হলেন— জেএমবি সদস্য সদস্য ইছাহাক আলী (৩৪), সাখাওয়াত হোসেন ওরফে রাহুল (৩০), সরওয়ার হোসেন সাবু ওরফে মিজান (৩০), উত্তরাঞ্চলের কমান্ডার বিজয় ওরফে আলী ওরফে দরজি (৩০) ও চান্দু মিয়া (২০)।

এর আগে, এর আগে ২০১৮ সালে রংপুরে মাজারের খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলায় সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। একই সঙ্গে ছয়জনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

রংপুরের বিশেষ জজ নরেশ চন্দ্র সরকার এ রায় দেন।

এসময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামি ছিলেন-মাসুদ রানা ওরফে মামুন ওরফে মন্ত্রী, ইছাহাক আলী, লিটন মিয়া ওরফে রফিক, সাখাওয়াত হোসেন ওরফে রাহুল, সরওয়ার হোসেন সাবু ওরফে মিজান, বিজয় ওরফে আলী ওরফে দরজি এবং চান্দু মিয়া।

এর আগে, ২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর রাতে মাজার শরিফের খাদেম রহমত আলীকে গলা কেটে হত্যা করেন জেএমবি সদস্যরা। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে কাউনিয়া থানায় একটি মামলা করেন। পরে ২০১৮ সালের ১৮ মার্চ রংপুরের বিশেষ জজ আদালতের বিচারক নরেশ চন্দ্র সরকার ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

মাজারের খাদেমকে হত্যা: দুই জেএমবিদুই মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশের সময় : ০২:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনলাইন,রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ মিস

রংপুরের কাউনিয়ায় সুরেশ্বরী মাজারের খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জেএমবির সাত সদস্যের দুইজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল ও  পাঁচজনকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) এ রায় দেন বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি সাথিকা হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

মামলায় মৃত্যুদণ্ড বহাল দুই আসামি হলেন- মাসুদ রানা ও লিটন মিয়া।

হাইকোর্টে খালাস পাওয়া পাঁচ আসামি হলেন— জেএমবি সদস্য সদস্য ইছাহাক আলী (৩৪), সাখাওয়াত হোসেন ওরফে রাহুল (৩০), সরওয়ার হোসেন সাবু ওরফে মিজান (৩০), উত্তরাঞ্চলের কমান্ডার বিজয় ওরফে আলী ওরফে দরজি (৩০) ও চান্দু মিয়া (২০)।

এর আগে, এর আগে ২০১৮ সালে রংপুরে মাজারের খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলায় সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। একই সঙ্গে ছয়জনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

রংপুরের বিশেষ জজ নরেশ চন্দ্র সরকার এ রায় দেন।

এসময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামি ছিলেন-মাসুদ রানা ওরফে মামুন ওরফে মন্ত্রী, ইছাহাক আলী, লিটন মিয়া ওরফে রফিক, সাখাওয়াত হোসেন ওরফে রাহুল, সরওয়ার হোসেন সাবু ওরফে মিজান, বিজয় ওরফে আলী ওরফে দরজি এবং চান্দু মিয়া।

এর আগে, ২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর রাতে মাজার শরিফের খাদেম রহমত আলীকে গলা কেটে হত্যা করেন জেএমবি সদস্যরা। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে কাউনিয়া থানায় একটি মামলা করেন। পরে ২০১৮ সালের ১৮ মার্চ রংপুরের বিশেষ জজ আদালতের বিচারক নরেশ চন্দ্র সরকার ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন।