, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

মামলার সাক্ষী’৭০০ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

  • প্রকাশের সময় : ১০:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৪ পড়া হয়েছে
‎অনলাইন সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬

আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার কথা তাদের। কিন্তু দিনের পর দিন আদালতে আসছেন না। ফলে সাক্ষ্যগ্রহণ এগোচ্ছে না, ঝুলে থাকছে বহু বছরের পুরোনো মামলাও। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, চট্টগ্রামের বিভিন্ন আদালতে বিচারাধীন মামলার ‘পুলিশ সাক্ষী’দের হাজির করতে সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলোকে একের পর এক ‘অতীব জরুরি’ চিঠি পাঠাতে হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে জারি হচ্ছে সমন, এমনকি গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও।

চট্টগ্রাম নগর পুলিশের বর্তমানে কর্মরত এবং দেশের বিভিন্ন ইউনিটে বদলি হওয়া প্রায় ৭০০ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে আদালত থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে বলে আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।  সিএমপির একাধিক দাপ্তরিক চিঠি পর্যালোচনা করে এ তথ্যের সত্যতা পাওয়া গেছে।

সাক্ষীদের মধ্যে রয়েছেন কনস্টেবল থেকে শুরু করে বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্য। তাদের কেউ বর্তমানে চট্টগ্রাম, আবার কেউ ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কক্সবাজার, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, সিলেট, চাঁদপুর, সুনামগঞ্জ, ময়মনসিংহ, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও ইউনিটে কর্মরত। কেউ আছেন সিআইডি, পিবিআই, নৌ পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ ও এসবির মতো বিশেষায়িত ইউনিটে।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

মামলার সাক্ষী’৭০০ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

প্রকাশের সময় : ১০:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
‎অনলাইন সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬

আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার কথা তাদের। কিন্তু দিনের পর দিন আদালতে আসছেন না। ফলে সাক্ষ্যগ্রহণ এগোচ্ছে না, ঝুলে থাকছে বহু বছরের পুরোনো মামলাও। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, চট্টগ্রামের বিভিন্ন আদালতে বিচারাধীন মামলার ‘পুলিশ সাক্ষী’দের হাজির করতে সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলোকে একের পর এক ‘অতীব জরুরি’ চিঠি পাঠাতে হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে জারি হচ্ছে সমন, এমনকি গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও।

চট্টগ্রাম নগর পুলিশের বর্তমানে কর্মরত এবং দেশের বিভিন্ন ইউনিটে বদলি হওয়া প্রায় ৭০০ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে আদালত থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে বলে আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।  সিএমপির একাধিক দাপ্তরিক চিঠি পর্যালোচনা করে এ তথ্যের সত্যতা পাওয়া গেছে।

সাক্ষীদের মধ্যে রয়েছেন কনস্টেবল থেকে শুরু করে বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্য। তাদের কেউ বর্তমানে চট্টগ্রাম, আবার কেউ ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কক্সবাজার, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, সিলেট, চাঁদপুর, সুনামগঞ্জ, ময়মনসিংহ, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও ইউনিটে কর্মরত। কেউ আছেন সিআইডি, পিবিআই, নৌ পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ ও এসবির মতো বিশেষায়িত ইউনিটে।