বাজেট প্রস্তাবে বলা হয়েছে, অর্থনীতিতে টেকসই শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের স্বস্তি ও ক্রয়ক্ষমতা পুনরুদ্ধার করাই সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
দেশীয় অর্থনীতির নাজুক পরিস্থিতি, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে সরকার একটি সমন্বিত সামষ্টিক অর্থনৈতিক কৌশল গ্রহণ করেছে বলে বাজেটে উল্লেখ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এবারের বাজেট প্রণয়নে স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগ, উৎপাদন, কর্মসংস্থান এবং সর্বোপরি ন্যায়সংগত অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বাজেট বক্তব্যে আশা প্রকাশ করা হয়েছে, এসব পদক্ষেপ এবং চলমান অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশ ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার পথে আরও এগিয়ে যাবে।
এতে আরও বলা হয়েছে, অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণের মাধ্যমে বাংলাদেশ জনমিতিক সুবিধা (ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড) ও দীর্ঘায়ুজনিত সুবিধা (লংজেভিটি ডিভিডেন্ড) কাজে লাগাতে সক্ষম হবে। একই সঙ্গে দেশে গণতান্ত্রিক বিকাশের সুফলও (ডেমোক্রেটিক ডিভিডেন্ড) অর্জিত হবে বলে সরকার আশা করছে।






















