, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেসি-সালাহর মহারণ আজ, পরিসংখ্যানে কার পাল্লা ভারী?

  • প্রকাশের সময় : ১২:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
  • ১৪ পড়া হয়েছে
 মেসি-সালাহর মহারণ আজ, পরিসংখ্যানে কার পাল্লা ভারী?
 অনলাইন মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই, ২০২৬
৩৯ বছর বয়সী মেসি এবং ৩৪ বছর বয়সী সালাহ দুজনই আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়ে রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই বিশ্বকাপের এই নকআউট লড়াই তাদের জন্যও বিশেষ আবেগের। অনেকের মতে, বিশ্বকাপের মঞ্চে এই দুই কিংবদন্তির শেষ মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

অর্জনের দিক থেকে অবশ্য মেসি অনেকটাই এগিয়ে। আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ, কোপা আমেরিকা ও ফিনালিসিমার শিরোপা জিতিয়েছেন তিনি। জাতীয় দলের হয়ে অসংখ্য গোল ও অ্যাসিস্টের পাশাপাশি বড় ম্যাচে দলকে জেতানোর রেকর্ডও তার পক্ষে কথা বলে।

অন্যদিকে, সালাহ এখনো জাতীয় দলের হয়ে বড় কোনো শিরোপা জিততে পারেননি। আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের দুটি ফাইনালে উঠেও রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে তাকে। তবুও মিসরের ফুটবলে সবচেয়ে বড় ভরসার নাম সালাহ। দলের আক্রমণের মূল কেন্দ্র তিনি, আর প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের সবচেয়ে বড় চিন্তার কারণও।

খেলার ধরনেও রয়েছে স্পষ্ট পার্থক্য। মেসি তার নিখুঁত পাস, দুর্দান্ত বল নিয়ন্ত্রণ ও মুহূর্তেই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতার জন্য অনন্য। অন্যদিকে সালাহর সবচেয়ে বড় শক্তি তার গতি, ধারালো আক্রমণ এবং গোল করার অসাধারণ দক্ষতা। ডান প্রান্ত থেকে ভেতরে ঢুকে প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভাঙতে তিনি সিদ্ধহস্ত।

দলগত শক্তির বিচারে আর্জেন্টিনাই এগিয়ে। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের দলে অভিজ্ঞতা, গভীরতা এবং বড় ম্যাচ খেলার মানসিকতা সবকিছুই তাদের পক্ষে। তবে নকআউট ফুটবলে একটি মুহূর্তই বদলে দিতে পারে পুরো ম্যাচের চিত্র। সেই সুযোগের অপেক্ষায় থাকবে সালাহর মিসর।

পরিসংখ্যান মেসির পক্ষে কথা বললেও মাঠের লড়াইয়ে সব হিসাব বদলে যেতে পারে। তাই আজকের ম্যাচটি শুধু শেষ আটে ওঠার লড়াই নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের দুই সেরা তারকার আরেকটি স্মরণীয় দ্বৈরথ দেখারও অপেক্ষা।

 

জনপ্রিয়

মেসি-সালাহর মহারণ আজ, পরিসংখ্যানে কার পাল্লা ভারী?

প্রকাশের সময় : ১২:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
 মেসি-সালাহর মহারণ আজ, পরিসংখ্যানে কার পাল্লা ভারী?
 অনলাইন মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই, ২০২৬
৩৯ বছর বয়সী মেসি এবং ৩৪ বছর বয়সী সালাহ দুজনই আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়ে রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই বিশ্বকাপের এই নকআউট লড়াই তাদের জন্যও বিশেষ আবেগের। অনেকের মতে, বিশ্বকাপের মঞ্চে এই দুই কিংবদন্তির শেষ মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

অর্জনের দিক থেকে অবশ্য মেসি অনেকটাই এগিয়ে। আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ, কোপা আমেরিকা ও ফিনালিসিমার শিরোপা জিতিয়েছেন তিনি। জাতীয় দলের হয়ে অসংখ্য গোল ও অ্যাসিস্টের পাশাপাশি বড় ম্যাচে দলকে জেতানোর রেকর্ডও তার পক্ষে কথা বলে।

অন্যদিকে, সালাহ এখনো জাতীয় দলের হয়ে বড় কোনো শিরোপা জিততে পারেননি। আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের দুটি ফাইনালে উঠেও রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে তাকে। তবুও মিসরের ফুটবলে সবচেয়ে বড় ভরসার নাম সালাহ। দলের আক্রমণের মূল কেন্দ্র তিনি, আর প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের সবচেয়ে বড় চিন্তার কারণও।

খেলার ধরনেও রয়েছে স্পষ্ট পার্থক্য। মেসি তার নিখুঁত পাস, দুর্দান্ত বল নিয়ন্ত্রণ ও মুহূর্তেই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতার জন্য অনন্য। অন্যদিকে সালাহর সবচেয়ে বড় শক্তি তার গতি, ধারালো আক্রমণ এবং গোল করার অসাধারণ দক্ষতা। ডান প্রান্ত থেকে ভেতরে ঢুকে প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভাঙতে তিনি সিদ্ধহস্ত।

দলগত শক্তির বিচারে আর্জেন্টিনাই এগিয়ে। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের দলে অভিজ্ঞতা, গভীরতা এবং বড় ম্যাচ খেলার মানসিকতা সবকিছুই তাদের পক্ষে। তবে নকআউট ফুটবলে একটি মুহূর্তই বদলে দিতে পারে পুরো ম্যাচের চিত্র। সেই সুযোগের অপেক্ষায় থাকবে সালাহর মিসর।

পরিসংখ্যান মেসির পক্ষে কথা বললেও মাঠের লড়াইয়ে সব হিসাব বদলে যেতে পারে। তাই আজকের ম্যাচটি শুধু শেষ আটে ওঠার লড়াই নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের দুই সেরা তারকার আরেকটি স্মরণীয় দ্বৈরথ দেখারও অপেক্ষা।