ডারবানের বাসিন্দা পিল্লাই দক্ষিণ আফ্রিকার হাইকোর্ট, রোয়ান্ডার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে বিচারকের দায়িত্ব সামলেছেন। রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার হাইকমিশনার হিসেবেও কাজ করেছেন। মহাত্মা গাঁধীর কর্মভূমি নাটাল প্রদেশের নাটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক পিল্লাই ১৯৬৭ সালে প্রথম মহিলা হিসেবে সেখানে একটি ল’ফার্ম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনিই ছিলেন ওই প্রদেশের প্রথম মহিলা আইনজীবী। আমেরিকার হার্ভার্ড ল’স্কুলের প্রাক্তনী পিল্লাই ১৯৯৫-২০০৩ রোয়ান্ডার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারক থাকাকালীন এক ঐতিহাসিক রায় দিয়েছিলেন, ধর্ষণ ও যুদ্ধকালীন যৌনহিংসাকে ‘গণহত্যার শামিল’ বলে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন তিনি। আন্তর্জাতিক আইনের ইতিহাসে ওই রায় নারী অধিকার রক্ষায় সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত। মায়ানমারে গৃহযুদ্ধ পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতনের মামলারও বিচারক ছিলেন পিল্লাই।

অনলাইন শুক্রবার ০৯ অক্টোবর ২০২৬
নাটাল প্রদেশের ডারবান শহরের বাসিন্দা যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন ৮৫ বছরের পিল্লাই।





















