, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

রিয়াদ বিমানবন্দরে হুথিদের হামলা:সৌদি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ ধ্বংস, ফ্লাইট স্থগিত

  • প্রকাশের সময় : ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ৮ পড়া হয়েছে
অনলাইন শুক্রবার ০৯ অক্টোবর ২০২৬
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের প্রধান বিমানবন্দরে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলায় দেশটির জাতীয় বিমান সংস্থার একটি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ ধ্বংস হয়েছে। স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ধারণ করা ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, সৌদিয়ার একটি যাত্রীবাহী বিমানে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে এবং অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা তা নেভানোর চেষ্টা করছেন। সৌদি বিমানবন্দরগুলোতে ধারাবাহিক হামলার অংশ হিসেবে ঘটা এই ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি জানান, তাদের বাহিনী দুটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে কিং খালিদ বিমানবন্দরে আঘাত হেনেছে। তিনি আরও জানান, একই সময়ে পরিচালিত এক সমন্বিত অভিযানে নাজরান বিমানবন্দর এবং খামিস মুশাইত বিমান ঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। তবে হুথিদের এই দাবি অস্বীকার করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। জোটের মুখপাত্র কর্নেল তুর্কি আল-মালিকি জানান, তাঁদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রিয়াদকে লক্ষ্য করে ছোড়া দুটি এবং খামিস মুশাইতকে লক্ষ্য করে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত ও ধ্বংস করেছে।

এই হামলার পর এয়ার ইন্ডিয়া আগামী শনিবার পর্যন্ত রিয়াদগামী ও সেখান থেকে ছেড়ে আসা সব ফ্লাইট বাতিল করেছে এবং লুফথানসা গ্রুপও সৌদি রাজধানীতে তাদের পরিচালিত সব ফ্লাইট স্থগিত করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাতের মধ্যে ২০২২ সালের ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর গত জুলাইয়ে ইয়েমেন যুদ্ধ নতুন করে ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলে লোহিত সাগর উপকূল এবং বাব আল-মান্দেব প্রণালী নিয়ে সৌদি আরব ও হুথিরা আবারও সরাসরি সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সতর্কবার্তায় বলেছে, ‘৮ অক্টোবর রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার বিষয়ে মার্কিন মিশন অবগত রয়েছে এবং সকল মার্কিন নাগরিককে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে।’ এতে আরও বলা হয়, এই বিমানবন্দর ব্যবহার করার জন্য সৌদি আরবে কর্মরত ‘মার্কিন সরকারি কর্মচারীদের এখন থেকে বিশেষ অনুমতির প্রয়োজন হবে।’

চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে হওয়া প্রাণঘাতী হামলার পরই বৃহস্পতিবারের এই নতুন বিমানবন্দর হামলার ঘটনা ঘটল। সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত মঙ্গলবার ও বুধবার আভা এবং কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। ওই হামলায় তিন ব্যক্তি নিহত হন—যাদের মধ্যে আভায় দুজন ও রিয়াদে একজন বিদেশি নাগরিক ছিলেন। এ ছাড়া অন্তত ৩৬ জন আহত হন, যাদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এদিকে স্থলভাগে ইয়েমেনের তৃতীয় বৃহত্তম প্রদেশ তাইজে তীব্র লড়াই চলছে। সরকার সমর্থিত বাহিনী অগ্রসর হয়ে এডেন, লাহেজ ও তাইজ সংযোগকারী আল-কাদাহা ও আল-ওয়াজিয়াহ রুটগুলো বিচ্ছিন্ন করার কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ায় হুথিরা নতুন একটি সরবরাহ পথ খুলতে আল-শামায়াতায়েন, আল-মা’ফের এবং দক্ষিণ ও পশ্চিম গ্রামাঞ্চলে অভিযান জোরালো করেছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট সমর্থিত সরকারি বাহিনী বাব আল-মান্দেব প্রণালির দিকে নজর রাখা আল-ওয়াজিয়াহ এবং কাহবুব পর্বতমালার দিকে অগ্রসর হচ্ছিল। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী হুথি নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলো দ্রুত পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকার করার পর সামরিক কমান্ডাররা আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সংঘাত আরও ছড়িয়ে পড়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
পশ্চিমাঞ্চলীয় ফ্রন্টে হুথিরা ধুবাবের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করছে, যা সাধারণ নাগরিক ও ব্যবসায়ীদের ব্যবহৃত প্রধান এডেন-তাইজ সড়ককে নিয়ন্ত্রণ করে।

পৃথক এক বিবৃতিতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সারি জানান, পূর্বাঞ্চলীয় আল-জাওফ প্রদেশে হুথি অবস্থানের দিকে সৌদি বাহিনীর একটি অগ্রযাত্রা প্রতিহত করেছে তাঁদের বাহিনী। সেখানে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে সেনাদের ওপর আঘাত হেনে কয়েক ডজনকে হতাহত করা হয়েছে এবং সৌদি বাহিনী কোনো অগ্রগতি অর্জন করতে পারেনি। তিনি আরও দাবি করেন, সাম্প্রতিক সংঘাত বৃদ্ধির পর থেকে সৌদি ও জোট বাহিনী মোট ১ হাজার ৬৪২টি বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

রণক্ষেত্রের পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হওয়ায় উভয় পক্ষের এসব দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

সংঘাতের এই পুনরুজ্জীবন বিশ্বের অন্যতম মারাত্মক মানবিক সংকটকে আরও গভীর করে তুলছে। রেড ক্রসের আন্তর্জাতিক কমিটি (আইসিআরসি) জানিয়েছে, গত জুলাই থেকে ইয়েমেনে নিখোঁজ আত্মীয়দের সন্ধান চেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে তারা ১ হাজার ৮০০টি অনুরোধ পেয়েছে।

ইয়েমেনে আইসিআরসি প্রতিনিধিদলের প্রধান ক্রিস্টিন চিপোলা বলেন, ‘নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারের তাদের প্রিয়জনদের ভাগ্য ও অবস্থান জানার অধিকার রয়েছে। প্রতিটি নিখোঁজ ব্যক্তির পেছনে এক একটি পরিবার চরম যন্ত্রণার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। তাদের কষ্টকে উপেক্ষা করা যায় না এবং তাদের অপেক্ষাকে আর দীর্ঘায়িত করা উচিত নয়।’

সূত্র: টেলিগ্রাফ ইউকে

 

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

রিয়াদ বিমানবন্দরে হুথিদের হামলা:সৌদি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ ধ্বংস, ফ্লাইট স্থগিত

প্রকাশের সময় : ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
অনলাইন শুক্রবার ০৯ অক্টোবর ২০২৬
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের প্রধান বিমানবন্দরে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলায় দেশটির জাতীয় বিমান সংস্থার একটি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ ধ্বংস হয়েছে। স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ধারণ করা ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, সৌদিয়ার একটি যাত্রীবাহী বিমানে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে এবং অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা তা নেভানোর চেষ্টা করছেন। সৌদি বিমানবন্দরগুলোতে ধারাবাহিক হামলার অংশ হিসেবে ঘটা এই ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি জানান, তাদের বাহিনী দুটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে কিং খালিদ বিমানবন্দরে আঘাত হেনেছে। তিনি আরও জানান, একই সময়ে পরিচালিত এক সমন্বিত অভিযানে নাজরান বিমানবন্দর এবং খামিস মুশাইত বিমান ঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। তবে হুথিদের এই দাবি অস্বীকার করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। জোটের মুখপাত্র কর্নেল তুর্কি আল-মালিকি জানান, তাঁদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রিয়াদকে লক্ষ্য করে ছোড়া দুটি এবং খামিস মুশাইতকে লক্ষ্য করে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত ও ধ্বংস করেছে।

এই হামলার পর এয়ার ইন্ডিয়া আগামী শনিবার পর্যন্ত রিয়াদগামী ও সেখান থেকে ছেড়ে আসা সব ফ্লাইট বাতিল করেছে এবং লুফথানসা গ্রুপও সৌদি রাজধানীতে তাদের পরিচালিত সব ফ্লাইট স্থগিত করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাতের মধ্যে ২০২২ সালের ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর গত জুলাইয়ে ইয়েমেন যুদ্ধ নতুন করে ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলে লোহিত সাগর উপকূল এবং বাব আল-মান্দেব প্রণালী নিয়ে সৌদি আরব ও হুথিরা আবারও সরাসরি সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সতর্কবার্তায় বলেছে, ‘৮ অক্টোবর রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার বিষয়ে মার্কিন মিশন অবগত রয়েছে এবং সকল মার্কিন নাগরিককে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে।’ এতে আরও বলা হয়, এই বিমানবন্দর ব্যবহার করার জন্য সৌদি আরবে কর্মরত ‘মার্কিন সরকারি কর্মচারীদের এখন থেকে বিশেষ অনুমতির প্রয়োজন হবে।’

চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে হওয়া প্রাণঘাতী হামলার পরই বৃহস্পতিবারের এই নতুন বিমানবন্দর হামলার ঘটনা ঘটল। সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত মঙ্গলবার ও বুধবার আভা এবং কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। ওই হামলায় তিন ব্যক্তি নিহত হন—যাদের মধ্যে আভায় দুজন ও রিয়াদে একজন বিদেশি নাগরিক ছিলেন। এ ছাড়া অন্তত ৩৬ জন আহত হন, যাদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এদিকে স্থলভাগে ইয়েমেনের তৃতীয় বৃহত্তম প্রদেশ তাইজে তীব্র লড়াই চলছে। সরকার সমর্থিত বাহিনী অগ্রসর হয়ে এডেন, লাহেজ ও তাইজ সংযোগকারী আল-কাদাহা ও আল-ওয়াজিয়াহ রুটগুলো বিচ্ছিন্ন করার কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ায় হুথিরা নতুন একটি সরবরাহ পথ খুলতে আল-শামায়াতায়েন, আল-মা’ফের এবং দক্ষিণ ও পশ্চিম গ্রামাঞ্চলে অভিযান জোরালো করেছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট সমর্থিত সরকারি বাহিনী বাব আল-মান্দেব প্রণালির দিকে নজর রাখা আল-ওয়াজিয়াহ এবং কাহবুব পর্বতমালার দিকে অগ্রসর হচ্ছিল। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী হুথি নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলো দ্রুত পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকার করার পর সামরিক কমান্ডাররা আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সংঘাত আরও ছড়িয়ে পড়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
পশ্চিমাঞ্চলীয় ফ্রন্টে হুথিরা ধুবাবের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করছে, যা সাধারণ নাগরিক ও ব্যবসায়ীদের ব্যবহৃত প্রধান এডেন-তাইজ সড়ককে নিয়ন্ত্রণ করে।

পৃথক এক বিবৃতিতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সারি জানান, পূর্বাঞ্চলীয় আল-জাওফ প্রদেশে হুথি অবস্থানের দিকে সৌদি বাহিনীর একটি অগ্রযাত্রা প্রতিহত করেছে তাঁদের বাহিনী। সেখানে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে সেনাদের ওপর আঘাত হেনে কয়েক ডজনকে হতাহত করা হয়েছে এবং সৌদি বাহিনী কোনো অগ্রগতি অর্জন করতে পারেনি। তিনি আরও দাবি করেন, সাম্প্রতিক সংঘাত বৃদ্ধির পর থেকে সৌদি ও জোট বাহিনী মোট ১ হাজার ৬৪২টি বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

রণক্ষেত্রের পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হওয়ায় উভয় পক্ষের এসব দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

সংঘাতের এই পুনরুজ্জীবন বিশ্বের অন্যতম মারাত্মক মানবিক সংকটকে আরও গভীর করে তুলছে। রেড ক্রসের আন্তর্জাতিক কমিটি (আইসিআরসি) জানিয়েছে, গত জুলাই থেকে ইয়েমেনে নিখোঁজ আত্মীয়দের সন্ধান চেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে তারা ১ হাজার ৮০০টি অনুরোধ পেয়েছে।

ইয়েমেনে আইসিআরসি প্রতিনিধিদলের প্রধান ক্রিস্টিন চিপোলা বলেন, ‘নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারের তাদের প্রিয়জনদের ভাগ্য ও অবস্থান জানার অধিকার রয়েছে। প্রতিটি নিখোঁজ ব্যক্তির পেছনে এক একটি পরিবার চরম যন্ত্রণার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। তাদের কষ্টকে উপেক্ষা করা যায় না এবং তাদের অপেক্ষাকে আর দীর্ঘায়িত করা উচিত নয়।’

সূত্র: টেলিগ্রাফ ইউকে