, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র জ্বালানি নিয়ে আসা বিমানকে আকাশসীমায় ঢুকতে দেয়নি পাকিস্তান

  • প্রকাশের সময় : ০৮:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৮ পড়া হয়েছে
  • অনলাইন সোমবার,২৮সেপ্টেম্বর২০২৬
পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না পাওয়ায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য ইউরেনিয়াম জ্বালানি নির্ধারিত সময়ে বাংলাদেশে আনা সম্ভব হয়নি। ২৪ সেপ্টেম্বর জ্বালানিবাহী কার্গো বিমানটি বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা আসেনি।

বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ভারতীয় সংবাদসংস্থা এএনআই নিউজকে ফোনে তিনি বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য ইউরেনিয়াম বহনকারী একটি কার্গো বিমান ২৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে আসার কথা ছিল। কিন্তু বিমানটি পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না পাওয়ায় নির্ধারিত সময়ে জ্বালানি আনা সম্ভব হয়নি। মন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত পাকিস্তান কেন ওই বিমানকে তাদের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি, তার সঠিক কারণ বাংলাদেশ জানতে পারেনি।

বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব শেখ মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম এএনআইকে বলেন, ইউরেনিয়ামবাহী বিমান আসার কথা থাকায় বিমানবন্দরে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি শেষ করা হয়েছিল। কর্মকর্তারাও অপেক্ষায় ছিলেন।

তবে প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত রোসাটমের কাছ থেকে কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

রোসাটমের নভোসিবির্স্ক কেমিক্যাল কনসেনট্রেটস প্ল্যান্টে ওই পারমাণবিক জ্বালানি তৈরি করা হয়। প্রথম চালানে ১৬৪টি নতুন জ্বালানি সমাবেশ ছিল। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা মেনে রাশিয়া থেকে একটি ভারী কার্গো বিমানে করে জ্বালানি সরাসরি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনা হয়। পরে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থায় তেজস্ক্রিয়তা প্রতিরোধী কনটেইনারে করে জ্বালানি ঢাকার বিমানবন্দর থেকে পাবনার ঈশ্বরদীতে রূপপুর প্রকল্প এলাকায় নেওয়া হয়। এ জন্য ঢাকা থেকে ঈশ্বরদী পর্যন্ত বিশেষ ‘গ্রিন করিডর’ তৈরি করা হয়েছিল। জ্বালানি পরিবহনের সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন। ২০২৩ সালের অক্টোবরে রূপপুর প্রকল্প এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে ওই জ্বালানি হস্তান্তর করা হয়।

 

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র জ্বালানি নিয়ে আসা বিমানকে আকাশসীমায় ঢুকতে দেয়নি পাকিস্তান

প্রকাশের সময় : ০৮:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • অনলাইন সোমবার,২৮সেপ্টেম্বর২০২৬
পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না পাওয়ায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য ইউরেনিয়াম জ্বালানি নির্ধারিত সময়ে বাংলাদেশে আনা সম্ভব হয়নি। ২৪ সেপ্টেম্বর জ্বালানিবাহী কার্গো বিমানটি বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা আসেনি।

বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ভারতীয় সংবাদসংস্থা এএনআই নিউজকে ফোনে তিনি বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য ইউরেনিয়াম বহনকারী একটি কার্গো বিমান ২৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে আসার কথা ছিল। কিন্তু বিমানটি পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না পাওয়ায় নির্ধারিত সময়ে জ্বালানি আনা সম্ভব হয়নি। মন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত পাকিস্তান কেন ওই বিমানকে তাদের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি, তার সঠিক কারণ বাংলাদেশ জানতে পারেনি।

বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব শেখ মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম এএনআইকে বলেন, ইউরেনিয়ামবাহী বিমান আসার কথা থাকায় বিমানবন্দরে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি শেষ করা হয়েছিল। কর্মকর্তারাও অপেক্ষায় ছিলেন।

তবে প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত রোসাটমের কাছ থেকে কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

রোসাটমের নভোসিবির্স্ক কেমিক্যাল কনসেনট্রেটস প্ল্যান্টে ওই পারমাণবিক জ্বালানি তৈরি করা হয়। প্রথম চালানে ১৬৪টি নতুন জ্বালানি সমাবেশ ছিল। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা মেনে রাশিয়া থেকে একটি ভারী কার্গো বিমানে করে জ্বালানি সরাসরি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনা হয়। পরে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থায় তেজস্ক্রিয়তা প্রতিরোধী কনটেইনারে করে জ্বালানি ঢাকার বিমানবন্দর থেকে পাবনার ঈশ্বরদীতে রূপপুর প্রকল্প এলাকায় নেওয়া হয়। এ জন্য ঢাকা থেকে ঈশ্বরদী পর্যন্ত বিশেষ ‘গ্রিন করিডর’ তৈরি করা হয়েছিল। জ্বালানি পরিবহনের সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন। ২০২৩ সালের অক্টোবরে রূপপুর প্রকল্প এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে ওই জ্বালানি হস্তান্তর করা হয়।