, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রোমান্টিক থেকে অ্যাকশনআলিয়ার

  • প্রকাশের সময় : ০৫:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • ১৪ পড়া হয়েছে

অনলাইন[  : ০২ জুলাই ২০২৬ |

আলফা ছবির একটি দৃশ্য। ছবি: ফেসবুক

উডে নারীপ্রধান অ্যাকশন সিনেমার ইতিহাস খুব দীর্ঘ নয়। বড় বাজেটের অ্যাকশন সিনেমা মানেই এতদিন ছিল পুরুষ তারকাদের দাপট। সেই জায়গাটিতেই নতুন সমীকরণ তৈরি করতে আসছে ‘আলফা’। যার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী আলিয়া ভাট।

‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে যাত্রা শুরু করা এই ঝলমলে তরুণীকে পরে দেখা গেছে ‘হাইওয়ে’র মতো সংবেদনশীল সিনেমায়। তারপর ‘রাজি’ সিনেমায় সাহসী গুপ্তচর, কিংবা ‘গাঙ্গুবাই কাঠিয়াওয়াড়ি’র দুর্দান্ত রূপান্তর করতে। প্রতিটি ধাপেই নিজেকে নতুনভাবে প্রমাণ করেছেন আলিয়া। তারপরও ‘আলফা’ তাঁর জন্য ভিন্নরকম এক পরীক্ষা। কারণ এবার তাঁকে শুধু অভিনয় নয়, পুরো একটি অ্যাকশন-স্পাই ফ্র্যাঞ্চাইজির ভার কাঁধে নিতে হয়েছে। কারণ প্রথমবারের মতো স্পাই ইউনিভার্সে নারীকেন্দ্রিক ছবিটি নির্মাণ করছে যশরাজ ফিল্মস। তাদের জনপ্রিয় স্পাই ইউনিভার্সে এরই মধ্যে রয়েছে ‘এক থা টাইগার’, ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’, ‘ওয়ার’ ও ‘পাঠান’-এর মতো ব্যবসাসফল ছবি। সেখানে সালমান খান, হৃতিক রোশন ও শাহরুখ খান ছিলেন অন্যতম প্রধান চরিত্রে।

সিনেমার গল্পে দেখা যায় এই দুই দক্ষ নারী এজেন্ট এবার আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র ও সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে জীবন বাজি রেখে লড়াইয়ে নামে। নির্মাতারা এখনও পুরো গল্প প্রকাশ করেননি, তবে ট্রেলার দেখে মনে হয়েছে, সিনেমাটি হবে দ্রুতগতির। রোমান্টিক নায়িকা থেকে অ্যাকশন নায়িকা হয়ে ওঠতে আলিয়াকে দীর্ঘ সময় ধরে কঠোর প্রশিক্ষণ নিতে হয়েছে। অস্ত্রচালনা, হ্যান্ড-টু-হ্যান্ড কমব্যাট, স্টান্ট ও ফিটনেস। সব ক্ষেত্রেই প্রস্তুতি নিতে হয়েছিল।

চরিত্রের প্রতি আলিয়ার এই প্রস্তুতি নিয়ে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অ্যাকশন পরিচালক ক্রেইগ ম্যাকরে বলেন, ‘আলিয়া প্রত্যাশার চেয়েও বেশি পরিশ্রম করেছেন। অনেক কঠিন দৃশ্য নিজে করতে চেয়েছেন।’ ম্যাকরের মতে, দর্শক এই ছবিতে আলিয়ার এমন একটি রূপ দেখবেন, যা আগে দেখা যায়নি।

আলিয়ার ভাষ্যে, ‘আলফা এটি সম্ভবত আমার জীবনের সবচেয়ে উপভোগ্য শুটিং অভিজ্ঞতাগুলোর একটি। অ্যাকশন, স্কেল এবং দুই নারীকে কেন্দ্র করে এমন গল্প। সব মিলিয়ে এটি আমার জন্য বিশেষ।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা শুধু অ্যাকশন করছি না, শক্তিশালী চরিত্রও তৈরি করছি।’

আলফা ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করেছেন ববি দেওল। সিনেমাটি প্রসঙ্গে ববি দেওল বলেন, ‘ভারতে দুই নারীকে কেন্দ্র করে এমন বড় অ্যাকশন ছবি তৈরি হচ্ছে, এটা দারুণ একটি বিষয়। ‘আলফা’ নতুন, সতেজ এবং দর্শকদের জন্য একেবারেই ভিন্ন অভিজ্ঞতা হবে।’ তাঁর মতে, পরিচালক ও প্রযোজকের লক্ষ্য ছিল অ্যাকশনকে যতটা সম্ভব বাস্তব ও রুক্ষভাবে উপস্থাপন করা, তাই শুটিং ছিল যথেষ্ট কঠিন।

আলিয়ার প্রশংসা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আলিয়া পরিশ্রমী ও আন্তরিক অভিনয়শিল্পীদের একজন। তিনি প্রতিটি দৃশ্যের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুতি নিয়ে সেটে আসতেন। এই ধরনের অ্যাকশন সিনেমা আগে তিনি করেননি, কিন্তু তাঁকে যেভাবে নিজেকে প্রস্তুত করতে দেখেছি, তাতে আমি সত্যিই মুগ্ধ।’ আলিয়াও ববি দেওল তাঁর সম্পর্কে বলেন, ‘পর্দায় তিনি এতটাই শক্তিশালী উপস্থিতি তৈরি করেন যে, প্রতিটি দৃশ্যেই আলাদা চাপ অনুভব করেছি।’

অন্যদিকে ‘আলফা’কে নিজের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় সুযোগগুলোর একটি হিসেবে দেখছেন শর্বরী বাগ। তাঁর মতে, ভারতীয় মূলধারার সিনেমায় দুই নারীকে কেন্দ্র করে এত বড় পরিসরের স্পাই অ্যাকশন ছবি আগে তৈরি হয়নি। তিনি বলেন, ‘আমরা শুধু একটি সিনেমা বানাচ্ছি না; বরং এমন একটি গল্প বলছি, যা দেখাবে নারীরাও অ্যাকশন ফ্র্যাঞ্চাইজির নেতৃত্ব দিতে পারে।”

ছবির জন্য দীর্ঘ সময় ধরে অস্ত্রচালনা, কমব্যাট ও শারীরিক প্রশিক্ষণ নিতে হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ এক চরিত্রে অভিনয় করা অনিল কাপুর মনে করেন, ‘আলফা’ বলিউডের অ্যাকশন সিনেমাকে নতুন জায়গায় নিয়ে যেতে পারে। তাঁর ভাষায়, ‘আলফা’ হওয়া কখনোই নারী বা পুরুষের বিষয় নয়। এটি সাহস, নেতৃত্ব, আত্মবিশ্বাস এবং কঠিন পরিস্থিতিতে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার মানসিকতার প্রতীক।’

অনিল আরও বলেন, ‘এই ছবির সবচেয়ে বড় শক্তি হলো, এখানে দুই নারী গল্পের কেন্দ্রবিন্দুতে। এত দিন যে ঘরানাকে পুরুষ তারকারা এগিয়ে নিয়েছেন, সেখানে নতুন এক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এসেছে ‘আলফা’। এ ধরনের পরিবর্তনের অংশ হতে পেরে আমি আনন্দিত।’

এদিকে আলফা সিনেমায় অভিনয়ের পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে আলিয়ার পারিশ্রমিক নিয়ে। ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ‘আলফা’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য ২৫ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিয়েছে আলিয়া; যা দীপিকা পাড়ুকোন ও ক্যাটরিনা কাইফের পারিশ্রমিককেও ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। ফলে বর্তমানে তিনি ভারতের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেত্রীদের একজন হিসেবে নতুন মাইলফলক গড়েছেন আলিয়া।

এখন প্রশ্ন আসতে পারে কেন সিনেমাটি আলিয়ার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ? ‘আলফা’ সফল হলে আলিয়া শুধু একজন অভিনেত্রী নন, বলিউডের অন্যতম অ্যাকশন তারকা হিসেবেও প্রতিষ্ঠা পাবেন। আর যদি ছবিটি প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়, তবে নারীপ্রধান বড় বাজেটের অ্যাকশন সিনেমা নিয়ে নির্মাতাদের ঝুঁকি নেওয়ার আগ্রহও কমতে পারে। তাই এই ছবির সাফল্য-ব্যর্থতা শুধু আলিয়ার ক্যারিয়ার নয়, বলিউডের নারীকেন্দ্রিক সি

জনপ্রিয়

রোমান্টিক থেকে অ্যাকশনআলিয়ার

প্রকাশের সময় : ০৫:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

অনলাইন[  : ০২ জুলাই ২০২৬ |

আলফা ছবির একটি দৃশ্য। ছবি: ফেসবুক

উডে নারীপ্রধান অ্যাকশন সিনেমার ইতিহাস খুব দীর্ঘ নয়। বড় বাজেটের অ্যাকশন সিনেমা মানেই এতদিন ছিল পুরুষ তারকাদের দাপট। সেই জায়গাটিতেই নতুন সমীকরণ তৈরি করতে আসছে ‘আলফা’। যার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী আলিয়া ভাট।

‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে যাত্রা শুরু করা এই ঝলমলে তরুণীকে পরে দেখা গেছে ‘হাইওয়ে’র মতো সংবেদনশীল সিনেমায়। তারপর ‘রাজি’ সিনেমায় সাহসী গুপ্তচর, কিংবা ‘গাঙ্গুবাই কাঠিয়াওয়াড়ি’র দুর্দান্ত রূপান্তর করতে। প্রতিটি ধাপেই নিজেকে নতুনভাবে প্রমাণ করেছেন আলিয়া। তারপরও ‘আলফা’ তাঁর জন্য ভিন্নরকম এক পরীক্ষা। কারণ এবার তাঁকে শুধু অভিনয় নয়, পুরো একটি অ্যাকশন-স্পাই ফ্র্যাঞ্চাইজির ভার কাঁধে নিতে হয়েছে। কারণ প্রথমবারের মতো স্পাই ইউনিভার্সে নারীকেন্দ্রিক ছবিটি নির্মাণ করছে যশরাজ ফিল্মস। তাদের জনপ্রিয় স্পাই ইউনিভার্সে এরই মধ্যে রয়েছে ‘এক থা টাইগার’, ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’, ‘ওয়ার’ ও ‘পাঠান’-এর মতো ব্যবসাসফল ছবি। সেখানে সালমান খান, হৃতিক রোশন ও শাহরুখ খান ছিলেন অন্যতম প্রধান চরিত্রে।

সিনেমার গল্পে দেখা যায় এই দুই দক্ষ নারী এজেন্ট এবার আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র ও সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে জীবন বাজি রেখে লড়াইয়ে নামে। নির্মাতারা এখনও পুরো গল্প প্রকাশ করেননি, তবে ট্রেলার দেখে মনে হয়েছে, সিনেমাটি হবে দ্রুতগতির। রোমান্টিক নায়িকা থেকে অ্যাকশন নায়িকা হয়ে ওঠতে আলিয়াকে দীর্ঘ সময় ধরে কঠোর প্রশিক্ষণ নিতে হয়েছে। অস্ত্রচালনা, হ্যান্ড-টু-হ্যান্ড কমব্যাট, স্টান্ট ও ফিটনেস। সব ক্ষেত্রেই প্রস্তুতি নিতে হয়েছিল।

চরিত্রের প্রতি আলিয়ার এই প্রস্তুতি নিয়ে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অ্যাকশন পরিচালক ক্রেইগ ম্যাকরে বলেন, ‘আলিয়া প্রত্যাশার চেয়েও বেশি পরিশ্রম করেছেন। অনেক কঠিন দৃশ্য নিজে করতে চেয়েছেন।’ ম্যাকরের মতে, দর্শক এই ছবিতে আলিয়ার এমন একটি রূপ দেখবেন, যা আগে দেখা যায়নি।

আলিয়ার ভাষ্যে, ‘আলফা এটি সম্ভবত আমার জীবনের সবচেয়ে উপভোগ্য শুটিং অভিজ্ঞতাগুলোর একটি। অ্যাকশন, স্কেল এবং দুই নারীকে কেন্দ্র করে এমন গল্প। সব মিলিয়ে এটি আমার জন্য বিশেষ।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা শুধু অ্যাকশন করছি না, শক্তিশালী চরিত্রও তৈরি করছি।’

আলফা ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করেছেন ববি দেওল। সিনেমাটি প্রসঙ্গে ববি দেওল বলেন, ‘ভারতে দুই নারীকে কেন্দ্র করে এমন বড় অ্যাকশন ছবি তৈরি হচ্ছে, এটা দারুণ একটি বিষয়। ‘আলফা’ নতুন, সতেজ এবং দর্শকদের জন্য একেবারেই ভিন্ন অভিজ্ঞতা হবে।’ তাঁর মতে, পরিচালক ও প্রযোজকের লক্ষ্য ছিল অ্যাকশনকে যতটা সম্ভব বাস্তব ও রুক্ষভাবে উপস্থাপন করা, তাই শুটিং ছিল যথেষ্ট কঠিন।

আলিয়ার প্রশংসা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আলিয়া পরিশ্রমী ও আন্তরিক অভিনয়শিল্পীদের একজন। তিনি প্রতিটি দৃশ্যের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুতি নিয়ে সেটে আসতেন। এই ধরনের অ্যাকশন সিনেমা আগে তিনি করেননি, কিন্তু তাঁকে যেভাবে নিজেকে প্রস্তুত করতে দেখেছি, তাতে আমি সত্যিই মুগ্ধ।’ আলিয়াও ববি দেওল তাঁর সম্পর্কে বলেন, ‘পর্দায় তিনি এতটাই শক্তিশালী উপস্থিতি তৈরি করেন যে, প্রতিটি দৃশ্যেই আলাদা চাপ অনুভব করেছি।’

অন্যদিকে ‘আলফা’কে নিজের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় সুযোগগুলোর একটি হিসেবে দেখছেন শর্বরী বাগ। তাঁর মতে, ভারতীয় মূলধারার সিনেমায় দুই নারীকে কেন্দ্র করে এত বড় পরিসরের স্পাই অ্যাকশন ছবি আগে তৈরি হয়নি। তিনি বলেন, ‘আমরা শুধু একটি সিনেমা বানাচ্ছি না; বরং এমন একটি গল্প বলছি, যা দেখাবে নারীরাও অ্যাকশন ফ্র্যাঞ্চাইজির নেতৃত্ব দিতে পারে।”

ছবির জন্য দীর্ঘ সময় ধরে অস্ত্রচালনা, কমব্যাট ও শারীরিক প্রশিক্ষণ নিতে হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ এক চরিত্রে অভিনয় করা অনিল কাপুর মনে করেন, ‘আলফা’ বলিউডের অ্যাকশন সিনেমাকে নতুন জায়গায় নিয়ে যেতে পারে। তাঁর ভাষায়, ‘আলফা’ হওয়া কখনোই নারী বা পুরুষের বিষয় নয়। এটি সাহস, নেতৃত্ব, আত্মবিশ্বাস এবং কঠিন পরিস্থিতিতে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার মানসিকতার প্রতীক।’

অনিল আরও বলেন, ‘এই ছবির সবচেয়ে বড় শক্তি হলো, এখানে দুই নারী গল্পের কেন্দ্রবিন্দুতে। এত দিন যে ঘরানাকে পুরুষ তারকারা এগিয়ে নিয়েছেন, সেখানে নতুন এক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এসেছে ‘আলফা’। এ ধরনের পরিবর্তনের অংশ হতে পেরে আমি আনন্দিত।’

এদিকে আলফা সিনেমায় অভিনয়ের পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে আলিয়ার পারিশ্রমিক নিয়ে। ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ‘আলফা’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য ২৫ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিয়েছে আলিয়া; যা দীপিকা পাড়ুকোন ও ক্যাটরিনা কাইফের পারিশ্রমিককেও ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। ফলে বর্তমানে তিনি ভারতের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেত্রীদের একজন হিসেবে নতুন মাইলফলক গড়েছেন আলিয়া।

এখন প্রশ্ন আসতে পারে কেন সিনেমাটি আলিয়ার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ? ‘আলফা’ সফল হলে আলিয়া শুধু একজন অভিনেত্রী নন, বলিউডের অন্যতম অ্যাকশন তারকা হিসেবেও প্রতিষ্ঠা পাবেন। আর যদি ছবিটি প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়, তবে নারীপ্রধান বড় বাজেটের অ্যাকশন সিনেমা নিয়ে নির্মাতাদের ঝুঁকি নেওয়ার আগ্রহও কমতে পারে। তাই এই ছবির সাফল্য-ব্যর্থতা শুধু আলিয়ার ক্যারিয়ার নয়, বলিউডের নারীকেন্দ্রিক সি