, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

শত বঞ্চনাতেও আওয়ামী লীগ ছাড়তে পারিনি!

  • প্রকাশের সময় : ০৬:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৮ পড়া হয়েছে
অনলাইন রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
শত বঞ্চনাতেও আওয়ামী লীগ ছাড়তে পারিনি!
অগণিত ঘটনার মাঝে একটি ঘটনা শেয়ার করতে আজ খুব ইচ্ছে করছে। গৌরীপুরের প্রত্যন্ত গ্রামে আমাদের বাড়ি (স্বামীর বাড়ী)। মইলাকান্দা ইউনিয়নের গোবিন্দপুর এলাকার ৮ নং ওয়ার্ডের শৌলঘাই গ্রাম এটি। ইদানিং এই গ্রামটিতে কিছুটা রাস্তা পাকা হয়েছে। এক সময় এই গ্রামে ছিলনা বিদ্যুৎ-ও। আমার বাড়ি এ এলাকায় হওয়ায় এই গ্রামবাসীসহ এলাকাবাসীকে উন্নয়ন বঞ্চিত করা হয়।
ময়মনসিংহ সদরের শম্ভুগঞ্জ এলাকায় আমাদের গুষ্ঠীর বিপুল সংখ্যক মানুষ বসবাস করে; তাদেরই একজন স্থানীয় পল্লী বিদ্যুতের হর্তাকর্তা ছিলেন। সেখানকার আমার চাচা শ্বশুর সাইদুর কাকা ও স্বপন কাকার মাধ্যমে এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে ফেরদৌস আলম সাহেব নিজ গ্রামে বিদ্যুৎ লাইন টানার ব্যবস্থা করেন। গ্রামের মেম্বার ফজলু ভাই, মালেক স্যার, আবুল হেকিম এবং কামালসহ অনেকেই বিদ্যুৎ আনার জন্য সহযোগিতা করেন। গোবিন্দপুর বাজার থেকে আমাদের বাড়ি হয়ে মেম্বারের বাড়ি পর্যন্ত লাইন নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়। এরপর ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়।
অত্যন্ত দুঃখের বিষয় সাবেক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন মজিবুর রহমান ফকির কর্তৃক আমাদের ঘরে বিদ্যুৎ লাইন দেয়া নিষেধ করা হয়। আমার অপরাধ আমি ২০১৪ সনে উনার বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেছিলাম। তবে ওই নির্বাচনে আমি বিজয়ীও হয়েছিলাম- আমার বিজয় কেড়ে নেন তিনি। একটি টু শব্দও করিনি; তাতে কি! বহু রকম হয়রানির শিকার হই আমাদের নেতাকর্মী সহ আমরা।
আমাদের প্রচেষ্টায় আনা বিদ্যুৎ আমাদের ঘরে সংযোগ না দেয়ায় এক পর্যায়ে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে পরে। তখন এলাকাবাসীর সুপারিশে বছর খানেক পর আমাদের ঘরে বিদ্যুৎ লাইন দেয়া হয়।
দেশের অন্যান্য এলাকার অবস্থা কি ছিল জানিনা; তবে রাজনৈতিক জীবনে নিজের দলের এমপির কাছ থেকেই দলীয় নেতাকর্মীসহ আমাদেরকে বিভিন্নভাবে লাঞ্চনা-বঞ্চনা, হয়রানি, অপমান ও মামলা মোকদ্দমা সহ্য করতে হয়েছে; কিন্তু কোনদিন জননেত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের প্রতি বিন্দুমাত্র আস্থা হারাই নাই।
ভালো থেকো প্রাণের আওয়ামী লীগ এবং এই দুর্দিনে কষ্টে থাকা দলীয় নিবেদিতপ্রাণ নেতা কর্মীরা।
নাজনীন আলম
গৌরীপুর, ময়মনসিংহ

Naznin Alam’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

শত বঞ্চনাতেও আওয়ামী লীগ ছাড়তে পারিনি!

প্রকাশের সময় : ০৬:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
অনলাইন রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
শত বঞ্চনাতেও আওয়ামী লীগ ছাড়তে পারিনি!
অগণিত ঘটনার মাঝে একটি ঘটনা শেয়ার করতে আজ খুব ইচ্ছে করছে। গৌরীপুরের প্রত্যন্ত গ্রামে আমাদের বাড়ি (স্বামীর বাড়ী)। মইলাকান্দা ইউনিয়নের গোবিন্দপুর এলাকার ৮ নং ওয়ার্ডের শৌলঘাই গ্রাম এটি। ইদানিং এই গ্রামটিতে কিছুটা রাস্তা পাকা হয়েছে। এক সময় এই গ্রামে ছিলনা বিদ্যুৎ-ও। আমার বাড়ি এ এলাকায় হওয়ায় এই গ্রামবাসীসহ এলাকাবাসীকে উন্নয়ন বঞ্চিত করা হয়।
ময়মনসিংহ সদরের শম্ভুগঞ্জ এলাকায় আমাদের গুষ্ঠীর বিপুল সংখ্যক মানুষ বসবাস করে; তাদেরই একজন স্থানীয় পল্লী বিদ্যুতের হর্তাকর্তা ছিলেন। সেখানকার আমার চাচা শ্বশুর সাইদুর কাকা ও স্বপন কাকার মাধ্যমে এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে ফেরদৌস আলম সাহেব নিজ গ্রামে বিদ্যুৎ লাইন টানার ব্যবস্থা করেন। গ্রামের মেম্বার ফজলু ভাই, মালেক স্যার, আবুল হেকিম এবং কামালসহ অনেকেই বিদ্যুৎ আনার জন্য সহযোগিতা করেন। গোবিন্দপুর বাজার থেকে আমাদের বাড়ি হয়ে মেম্বারের বাড়ি পর্যন্ত লাইন নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়। এরপর ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়।
অত্যন্ত দুঃখের বিষয় সাবেক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন মজিবুর রহমান ফকির কর্তৃক আমাদের ঘরে বিদ্যুৎ লাইন দেয়া নিষেধ করা হয়। আমার অপরাধ আমি ২০১৪ সনে উনার বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেছিলাম। তবে ওই নির্বাচনে আমি বিজয়ীও হয়েছিলাম- আমার বিজয় কেড়ে নেন তিনি। একটি টু শব্দও করিনি; তাতে কি! বহু রকম হয়রানির শিকার হই আমাদের নেতাকর্মী সহ আমরা।
আমাদের প্রচেষ্টায় আনা বিদ্যুৎ আমাদের ঘরে সংযোগ না দেয়ায় এক পর্যায়ে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে পরে। তখন এলাকাবাসীর সুপারিশে বছর খানেক পর আমাদের ঘরে বিদ্যুৎ লাইন দেয়া হয়।
দেশের অন্যান্য এলাকার অবস্থা কি ছিল জানিনা; তবে রাজনৈতিক জীবনে নিজের দলের এমপির কাছ থেকেই দলীয় নেতাকর্মীসহ আমাদেরকে বিভিন্নভাবে লাঞ্চনা-বঞ্চনা, হয়রানি, অপমান ও মামলা মোকদ্দমা সহ্য করতে হয়েছে; কিন্তু কোনদিন জননেত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের প্রতি বিন্দুমাত্র আস্থা হারাই নাই।
ভালো থেকো প্রাণের আওয়ামী লীগ এবং এই দুর্দিনে কষ্টে থাকা দলীয় নিবেদিতপ্রাণ নেতা কর্মীরা।
নাজনীন আলম
গৌরীপুর, ময়মনসিংহ

Naznin Alam’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।