, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

শম রেজাউল করিমের দুর্নীতি ও জনগণের টাকায় লন্ডনে রাজকীয় জীবন

  • প্রকাশের সময় : ০৯:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩৯ পড়া হয়েছে

অনলাইন বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শম রেজাউল করিমের দুর্নীতি ও জনগণের টাকায় লন্ডনে রাজকীয় জীবন!
১. বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন।
২. ১৯৫৪ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করা এই সাবেক মন্ত্রী সম্প্রতি লন্ডনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের তীব্র জনরোষের মুখে পড়েছেন।
৩. তাঁর স্ত্রীর নাম ফিরোজা পারভীন; তাদের সংসারে দুই জন সন্তান রয়েছেন।
৪. তাদের ছেলের নাম শেখ তানভীর করিম এবং মেয়ের নাম শেখ সাদিয়া করিম, যারা উভয়েই পেশায় ব্যারিস্টার।
৫. দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর আনুষ্ঠানিক মামলার তথ্য অনুযায়ী, তাঁর নিজ নামে ১২টি ব্যাংক হিসাব রয়েছে।
৬. এই হিসাবগুলোতে ৬ কোটি ৮৪ লাখ ৮২ হাজার টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে এবং অনুসন্ধান চলমান রয়েছে।
৭. একজন মন্ত্রী মাসে নির্দিষ্ট যে সরকারি সম্মানি পান, তা দিয়ে ১২টি ব্যাংক হিসাব পরিচালনা করা সম্পূর্ণ অস্বাভাবিক।
৮. তাঁর ব্যাংক হিসাবগুলোতে এত কোটি টাকা আসার পেছনে সরকারি বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প থেকে অর্থ আত্মসাতের সম্পৃক্ততা রয়েছে।
৯. বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (BFIU) এবং দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বিষয়টি নিয়ে যৌথভাবে কাজ করছে।
১০. তাঁর দুই ব্যারিস্টার সন্তানের দেশ-বিদেশের ব্যাংক হিসাব ও স্থাবর সম্পত্তি বর্তমানে রাষ্ট্রীয় নজরদারিতে রয়েছে।
১১. মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী থাকাকালীন তিনি বিভিন্ন সরকারি দুগ্ধ খামার উন্নয়ন ও পশুপালন প্রকল্পের বাজেট থেকে অর্থ লোপাট করেছেন।
১২. উপকূলীয় মৎস্য চাষ সম্প্রসারণ প্রকল্পের বাজেট থেকেও কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
১৩. এর আগে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী থাকাকালীন রাজধানীর বিভিন্ন বড় বড় আবাসন প্রকল্প থেকে তিনি মোটা অঙ্কের কমিশন নিয়েছেন।
১৪. সরকারি কর্মকর্তা-কমচারীদের বহুতল ভবন নির্মাণ ও পার্ক সংস্কার প্রকল্পের ঠিকাদারি থেকেও অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।
১৫. পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে নিজ নির্বাচনী এলাকায় টিআর এবং কাবিখা প্রকল্পের ফান্ড আত্মসাৎ করা হয়েছে।
১৬. গ্রামীণ রাস্তাঘাট সংস্কারের নামে অসংখ্য ভুয়া ও কাগজের প্রকল্প দেখিয়ে সরকারি কোষাগার থেকে সরাসরি টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।
১৭. মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিভিন্ন পদে জনবল নিয়োগে কোটি কোটি টাকার ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
১৮. নিজের পছন্দের ও ঘনিষ্ঠ সিন্ডিকেটকে বড় বড় প্রকল্পের ঠিকাদারি পাইয়ে দিয়ে সেই চুরির টাকা ব্যাংক হিসাবে জমা করেছেন।
১৯. প্রকল্পের কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন না করেই কাজ শেষ হয়েছে দেখিয়ে ভুয়া বিল পাস করানো হয়েছিল।
২০. নিজের আত্মীয়-স্বজন ও ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারদের নামে এই ভুয়া বিলের মাধ্যমে সরকারি ফান্ড থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়।
২১. সরকারি প্রকল্প ও দুর্নীতি থেকে উপার্জিত এই চুরির কোটি কোটি টাকা তিনি বিভিন্ন হুন্ডি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে যুক্তরাজ্যে পাচার করেছেন।
২২. দেশের মানুষের ট্যাক্সের টাকায় পাচারকৃত অর্থ দিয়ে তাঁর পরিবারের সদস্যরা এখন লন্ডনে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন।
২৩. লন্ডনে তাঁর সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তিগত বাড়ির ঠিকানা বা এলাকাটি এখনও দেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো প্রকাশ করেনি।
২৪. তবে তিনি লন্ডনের ইলফোর্ড এবং সেন্ট্রাল লন্ডনের ডরচেস্টার হোটেল সংলগ্ন বিলাসবহুল এলাকাগুলোতে নিয়মিত যাতায়াত করছেন।
২৫. সাবেক মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিমের মেয়ে শেখ সাদিয়া করিম এবং ছেলে শেখ তানভীর করিম উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান।
২৬. তারা সেখানে আইন বিষয়ে পড়াশোনা সম্পন্ন করে ব্যারিস্টারি ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
২৭. তারা উভয়েই লন্ডনের স্বনামধন্য ও ঐতিহ্যবাহী আইন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘দ্য অনারেবল সোসাইটি অব লিনকনস ইন’-এর সদস্য।
২৮. লন্ডনের অত্যন্ত ব্যয়বহুল এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা ও সেখানে বসবাসের খরচ নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে।
২৯. একজন সাধারণ রাজনীতিবিদের পক্ষে বৈধ আয়ের মাধ্যমে লন্ডনে সন্তানদের ব্যারিস্টারি পড়ানোর খরচ চালানো অসম্ভব।
৩০. এই বিপুল খরচের জোগান দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে পাচার করা চুরির টাকা দিয়ে।
৩১. সাবেক মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এবং তাঁর স্ত্রী ফিরোজা পারভীনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পৃথক মামলা করেছে।
৩২. প্রথম মামলায় সাবেক এই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ৮ কোটি ৮৬ লাখ ১১ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।
৩৩. দ্বিতীয় মামলায় তাঁর স্ত্রী ফিরোজা পারভীনকে প্রধান আসামি করে ৩ কোটি ৫ লাখ ৫৫ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
৩৪. শ ম রেজাউল করিমকে এই মামলায় সহযোগী আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
৩৫.লন্ডনে প্রকাশ্যে ডাব খাওয়ার সময় সাধারণ প্রবাসী ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের চরম জনরোষের মুখে পড়েন সাবেক মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।
৩৬.উত্তেজিত জনতার ঘেরাও থেকে পরবর্তীতে স্থানীয় ব্রিটিশ পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যায়।
৩৭.এদের সামাজিক মর্যাদা বলে কিছু নেই, লন্ডনে এরা ঘর থেকে বের হতে পারেনা, মানুষের পেদানি খায়, বিদেশে পালিয়েও এদের শান্তি নেই, আছে অসম্মান জনক নরক জীবন!!!
আমার লেখা ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক, কমেন্ট, শেয়ার ও ফলো দিবেন প্লিজ। ধন্যবাদ।
তাছমিনা খন্দকার
লন্ডন
#লুটেরা_রেজাউল#দুর্নীতির_বিরুদ্ধে_বাংলাদেশ#RezaulKarimCorruption#জনগণের_টাকা_ফেরত_চাই#StopCorruptionBD

Tasmina Khandoker’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

শম রেজাউল করিমের দুর্নীতি ও জনগণের টাকায় লন্ডনে রাজকীয় জীবন

প্রকাশের সময় : ০৯:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনলাইন বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শম রেজাউল করিমের দুর্নীতি ও জনগণের টাকায় লন্ডনে রাজকীয় জীবন!
১. বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন।
২. ১৯৫৪ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করা এই সাবেক মন্ত্রী সম্প্রতি লন্ডনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের তীব্র জনরোষের মুখে পড়েছেন।
৩. তাঁর স্ত্রীর নাম ফিরোজা পারভীন; তাদের সংসারে দুই জন সন্তান রয়েছেন।
৪. তাদের ছেলের নাম শেখ তানভীর করিম এবং মেয়ের নাম শেখ সাদিয়া করিম, যারা উভয়েই পেশায় ব্যারিস্টার।
৫. দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর আনুষ্ঠানিক মামলার তথ্য অনুযায়ী, তাঁর নিজ নামে ১২টি ব্যাংক হিসাব রয়েছে।
৬. এই হিসাবগুলোতে ৬ কোটি ৮৪ লাখ ৮২ হাজার টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে এবং অনুসন্ধান চলমান রয়েছে।
৭. একজন মন্ত্রী মাসে নির্দিষ্ট যে সরকারি সম্মানি পান, তা দিয়ে ১২টি ব্যাংক হিসাব পরিচালনা করা সম্পূর্ণ অস্বাভাবিক।
৮. তাঁর ব্যাংক হিসাবগুলোতে এত কোটি টাকা আসার পেছনে সরকারি বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প থেকে অর্থ আত্মসাতের সম্পৃক্ততা রয়েছে।
৯. বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (BFIU) এবং দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বিষয়টি নিয়ে যৌথভাবে কাজ করছে।
১০. তাঁর দুই ব্যারিস্টার সন্তানের দেশ-বিদেশের ব্যাংক হিসাব ও স্থাবর সম্পত্তি বর্তমানে রাষ্ট্রীয় নজরদারিতে রয়েছে।
১১. মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী থাকাকালীন তিনি বিভিন্ন সরকারি দুগ্ধ খামার উন্নয়ন ও পশুপালন প্রকল্পের বাজেট থেকে অর্থ লোপাট করেছেন।
১২. উপকূলীয় মৎস্য চাষ সম্প্রসারণ প্রকল্পের বাজেট থেকেও কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
১৩. এর আগে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী থাকাকালীন রাজধানীর বিভিন্ন বড় বড় আবাসন প্রকল্প থেকে তিনি মোটা অঙ্কের কমিশন নিয়েছেন।
১৪. সরকারি কর্মকর্তা-কমচারীদের বহুতল ভবন নির্মাণ ও পার্ক সংস্কার প্রকল্পের ঠিকাদারি থেকেও অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।
১৫. পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে নিজ নির্বাচনী এলাকায় টিআর এবং কাবিখা প্রকল্পের ফান্ড আত্মসাৎ করা হয়েছে।
১৬. গ্রামীণ রাস্তাঘাট সংস্কারের নামে অসংখ্য ভুয়া ও কাগজের প্রকল্প দেখিয়ে সরকারি কোষাগার থেকে সরাসরি টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।
১৭. মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিভিন্ন পদে জনবল নিয়োগে কোটি কোটি টাকার ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
১৮. নিজের পছন্দের ও ঘনিষ্ঠ সিন্ডিকেটকে বড় বড় প্রকল্পের ঠিকাদারি পাইয়ে দিয়ে সেই চুরির টাকা ব্যাংক হিসাবে জমা করেছেন।
১৯. প্রকল্পের কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন না করেই কাজ শেষ হয়েছে দেখিয়ে ভুয়া বিল পাস করানো হয়েছিল।
২০. নিজের আত্মীয়-স্বজন ও ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারদের নামে এই ভুয়া বিলের মাধ্যমে সরকারি ফান্ড থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়।
২১. সরকারি প্রকল্প ও দুর্নীতি থেকে উপার্জিত এই চুরির কোটি কোটি টাকা তিনি বিভিন্ন হুন্ডি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে যুক্তরাজ্যে পাচার করেছেন।
২২. দেশের মানুষের ট্যাক্সের টাকায় পাচারকৃত অর্থ দিয়ে তাঁর পরিবারের সদস্যরা এখন লন্ডনে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন।
২৩. লন্ডনে তাঁর সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তিগত বাড়ির ঠিকানা বা এলাকাটি এখনও দেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো প্রকাশ করেনি।
২৪. তবে তিনি লন্ডনের ইলফোর্ড এবং সেন্ট্রাল লন্ডনের ডরচেস্টার হোটেল সংলগ্ন বিলাসবহুল এলাকাগুলোতে নিয়মিত যাতায়াত করছেন।
২৫. সাবেক মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিমের মেয়ে শেখ সাদিয়া করিম এবং ছেলে শেখ তানভীর করিম উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান।
২৬. তারা সেখানে আইন বিষয়ে পড়াশোনা সম্পন্ন করে ব্যারিস্টারি ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
২৭. তারা উভয়েই লন্ডনের স্বনামধন্য ও ঐতিহ্যবাহী আইন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘দ্য অনারেবল সোসাইটি অব লিনকনস ইন’-এর সদস্য।
২৮. লন্ডনের অত্যন্ত ব্যয়বহুল এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা ও সেখানে বসবাসের খরচ নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে।
২৯. একজন সাধারণ রাজনীতিবিদের পক্ষে বৈধ আয়ের মাধ্যমে লন্ডনে সন্তানদের ব্যারিস্টারি পড়ানোর খরচ চালানো অসম্ভব।
৩০. এই বিপুল খরচের জোগান দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে পাচার করা চুরির টাকা দিয়ে।
৩১. সাবেক মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এবং তাঁর স্ত্রী ফিরোজা পারভীনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পৃথক মামলা করেছে।
৩২. প্রথম মামলায় সাবেক এই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ৮ কোটি ৮৬ লাখ ১১ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।
৩৩. দ্বিতীয় মামলায় তাঁর স্ত্রী ফিরোজা পারভীনকে প্রধান আসামি করে ৩ কোটি ৫ লাখ ৫৫ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
৩৪. শ ম রেজাউল করিমকে এই মামলায় সহযোগী আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
৩৫.লন্ডনে প্রকাশ্যে ডাব খাওয়ার সময় সাধারণ প্রবাসী ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের চরম জনরোষের মুখে পড়েন সাবেক মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।
৩৬.উত্তেজিত জনতার ঘেরাও থেকে পরবর্তীতে স্থানীয় ব্রিটিশ পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যায়।
৩৭.এদের সামাজিক মর্যাদা বলে কিছু নেই, লন্ডনে এরা ঘর থেকে বের হতে পারেনা, মানুষের পেদানি খায়, বিদেশে পালিয়েও এদের শান্তি নেই, আছে অসম্মান জনক নরক জীবন!!!
আমার লেখা ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক, কমেন্ট, শেয়ার ও ফলো দিবেন প্লিজ। ধন্যবাদ।
তাছমিনা খন্দকার
লন্ডন
#লুটেরা_রেজাউল#দুর্নীতির_বিরুদ্ধে_বাংলাদেশ#RezaulKarimCorruption#জনগণের_টাকা_ফেরত_চাই#StopCorruptionBD

Tasmina Khandoker’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।