, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

শাহজালাল বিমানবন্দর থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পে তৃতীয় দফায় ব্যয় বাড়ল ৮৪৮ কোটি টাকা

  • প্রকাশের সময় : ১১:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২২ পড়া হয়েছে
অনলাইন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ (প্রথম পর্যায়) প্রকল্পের ব্যয় ও মেয়াদ আবারও বাড়ানো হয়েছে। তৃতীয়বারের মতো সংশোধিত এই প্রকল্পে নতুন করে ব্যয় বেড়েছে ৮৪৮ কোটি টাকা, ফলে মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ২২ হাজার ২১৩ কোটি টাকায়। এছাড়া প্রকল্পের

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) একনেক সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)-এর বৈঠকে এই সংশোধন অনুমোদন দেওয়া হয়। আজকের বৈঠকে মোট ১৩টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয় এবং ৩টি প্রকল্প পুনর্গঠনের জন্য ফেরত দেওয়া হয়।

২০১৬ সালে ১৩ হাজার ৬১০ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়েছিল, যা ২০২২ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা ছিল। পরবর্তীতে দফায় দফায় সময় ও ব্যয় বৃদ্ধির ফলে দ্বিতীয় সংশোধনীতে ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ২১ হাজার ৩৬৫ কোটি ৫২ লাখ টাকা। এবার তৃতীয় সংশোধনীতে নতুন করে ৮৪৭ কোটি ৫৮ লাখ টাকা বেড়ে মোট ব্যয় ২২ হাজার ২১৩ কোটি টাকায় পৌঁছেছে এবং প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এই প্রকল্পে সরকারি অর্থায়ন থাকছে ৫ হাজার ১১৬ কোটি টাকা এবং বাকি ১৭ হাজার ৯৭ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে জাপানের উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জাইকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকী জানান, প্রকল্পের সময় ও ব্যয় সাশ্রয়ের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে অবহেলার সঙ্গে জড়িতদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং ভবিষ্যতে যথাযথ সম্ভাব্যতা যাচাই নিশ্চিত করতে একটি নতুন নীতিমালা তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

শাহজালাল বিমানবন্দর থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পে তৃতীয় দফায় ব্যয় বাড়ল ৮৪৮ কোটি টাকা

প্রকাশের সময় : ১১:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অনলাইন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ (প্রথম পর্যায়) প্রকল্পের ব্যয় ও মেয়াদ আবারও বাড়ানো হয়েছে। তৃতীয়বারের মতো সংশোধিত এই প্রকল্পে নতুন করে ব্যয় বেড়েছে ৮৪৮ কোটি টাকা, ফলে মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ২২ হাজার ২১৩ কোটি টাকায়। এছাড়া প্রকল্পের

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) একনেক সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)-এর বৈঠকে এই সংশোধন অনুমোদন দেওয়া হয়। আজকের বৈঠকে মোট ১৩টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয় এবং ৩টি প্রকল্প পুনর্গঠনের জন্য ফেরত দেওয়া হয়।

২০১৬ সালে ১৩ হাজার ৬১০ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়েছিল, যা ২০২২ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা ছিল। পরবর্তীতে দফায় দফায় সময় ও ব্যয় বৃদ্ধির ফলে দ্বিতীয় সংশোধনীতে ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ২১ হাজার ৩৬৫ কোটি ৫২ লাখ টাকা। এবার তৃতীয় সংশোধনীতে নতুন করে ৮৪৭ কোটি ৫৮ লাখ টাকা বেড়ে মোট ব্যয় ২২ হাজার ২১৩ কোটি টাকায় পৌঁছেছে এবং প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এই প্রকল্পে সরকারি অর্থায়ন থাকছে ৫ হাজার ১১৬ কোটি টাকা এবং বাকি ১৭ হাজার ৯৭ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে জাপানের উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জাইকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকী জানান, প্রকল্পের সময় ও ব্যয় সাশ্রয়ের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে অবহেলার সঙ্গে জড়িতদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং ভবিষ্যতে যথাযথ সম্ভাব্যতা যাচাই নিশ্চিত করতে একটি নতুন নীতিমালা তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।