, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

শেখ কামাল যেভাবে ‘ব্যাংক ডাকাতি:’কোথাও প্রমাণপাওয়া যায়নি

  • প্রকাশের সময় : ০৯:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
  • ৮৭ পড়া হয়েছে
.——————————-
শেখ কামালের ব্যাংক ডাকাতি নিয়ে কম কথা তো আমরা শুনিনি। কিন্তু কোনো প্রমাণ কোথাও পাওয়া যায়নি। এবার একটা প্রমাণ দিচ্ছি। জলজ্যান্ত প্রমাণ। ঢাকা কলেজে পড়া অবস্থায় শেখ কামালের সহপাঠী ছিলেন লেখক মহিউদ্দিন আহমদ। বর্তমানে তিনি প্রচণ্ড আওয়ামীবিরোধী হিসেবে পরিচিত। তিনি তাঁর ‘জাসদের উত্থান পতন: অস্থির সময়ের রাজনীতি’ বইয়ে শেখ কামালের ব্যাংক ডাকাতির বর্ণনা দিয়েছেন:
‘পিতা শেখ মুজিবের প্রতি পুত্র কামালের ছিল প্রচণ্ড আবেগ ও ভালোবাসা। এ জন্য শেখ কামাল অতি উৎসাহে অনেক কিছুই বলতেন বা করতেন, যার জন্য শেখ মুজিবকে যথেষ্ট বিব্রত হতে হতো। এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে, চুয়াত্তরের ৩ জুন দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সর্বহারা পার্টি পরপর দুই দিন হরতাল ঘোষণা করেছিল। স্বভাবতই নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো এ উপলক্ষে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেবে, যাতে জনজীবন ব্যাহত না হয়। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী-পুত্র শেখ কামাল এই হরতালকে ব্যক্তিগতভাবে নিলেন এবং ২ জুন রাতে দলবল নিয়ে একটা মাইক্রোবাসে চেপে ‘সর্বহারা’ ধরতে বের হলেন। তাঁরা সশস্ত্র ছিলেন।
মাঝরাতে এরকম একটা মাইক্রোবাস দ্রুতগতিতে যেতে দেখে পুলিশের সন্দেহ হয় এবং একটা পুলিশের গাড়ি মাইক্রোবাসটিকে ধাওয়া করে। পুলিশের সন্দেহ ছিল, ওই মাইক্রোবাসে ‘সর্বহারা’ বা অন্য কোনো ‘দুষ্কৃতকারী’ থাকতে পারে। পুলিশের গাড়ি থেকে মাইক্রোবাসে গুলি করা হয়। কামাল গুলিতে গুরুতর আহত হন। পুলিশ কামালকে শনাক্ত করে এবং তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
‘বেলা ১১টায় পুলিশের মহাপরিদর্শক আবদুর রহিম এনএসআইয়ের প্রধান মেসবাহউদ্দিনকে নিয়ে শেখ মুজিবের বাসায় যান এবং ঘটনার জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চান। শেখ মুজিব রহিমকে বলেন, ‘এতে দুঃখ প্রকাশের কী আছে? সে যদি মারাও যেত, তাহলেও আমার দুঃখ হতো না। কে তাকে মাঝরাতে দুষ্কৃতি ধরতে যেতে বলেছে? আমি তো তাকে হাসপাতালে দেখতেও যাইনি? আমাকে তোমরা কী মনে করো, মোনেম খান? (মোনেম খানের ছেলে খসরু রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে গুন্ডামি করত বলে অনেক অভিযোগ ছিল)’
‘আবদুর রহিমের ডায়েরি থেকে এস এ করিম এই ঘটনাটি তাঁর গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। শেখ মুজিব দুই দিন পর হাসপাতালে কামালকে দেখতে যান। ওই সময় একটা প্রচার ছিল যে, কামাল ‘বাংলাদেশ ব্যাংক’ লুট করতে যাচ্ছিলেন। অনেকেই এই প্রচারণা বিশ্বাস করেছিলেন। তাঁরা একটু ভেবে দেখলেন না, প্রধানমন্ত্রী-পুত্র চাইলে তাঁর পায়ের কাছে থলেভর্তি টাকা রেখে দেওয়ার লোকের অভাব ছিল না। তিনি কেন এত ঝুঁকি নিয়ে ব্যাংক লুট করতে যাবেন?’
@followersATeam’s Post
জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

শেখ কামাল যেভাবে ‘ব্যাংক ডাকাতি:’কোথাও প্রমাণপাওয়া যায়নি

প্রকাশের সময় : ০৯:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
.——————————-
শেখ কামালের ব্যাংক ডাকাতি নিয়ে কম কথা তো আমরা শুনিনি। কিন্তু কোনো প্রমাণ কোথাও পাওয়া যায়নি। এবার একটা প্রমাণ দিচ্ছি। জলজ্যান্ত প্রমাণ। ঢাকা কলেজে পড়া অবস্থায় শেখ কামালের সহপাঠী ছিলেন লেখক মহিউদ্দিন আহমদ। বর্তমানে তিনি প্রচণ্ড আওয়ামীবিরোধী হিসেবে পরিচিত। তিনি তাঁর ‘জাসদের উত্থান পতন: অস্থির সময়ের রাজনীতি’ বইয়ে শেখ কামালের ব্যাংক ডাকাতির বর্ণনা দিয়েছেন:
‘পিতা শেখ মুজিবের প্রতি পুত্র কামালের ছিল প্রচণ্ড আবেগ ও ভালোবাসা। এ জন্য শেখ কামাল অতি উৎসাহে অনেক কিছুই বলতেন বা করতেন, যার জন্য শেখ মুজিবকে যথেষ্ট বিব্রত হতে হতো। এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে, চুয়াত্তরের ৩ জুন দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সর্বহারা পার্টি পরপর দুই দিন হরতাল ঘোষণা করেছিল। স্বভাবতই নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো এ উপলক্ষে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেবে, যাতে জনজীবন ব্যাহত না হয়। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী-পুত্র শেখ কামাল এই হরতালকে ব্যক্তিগতভাবে নিলেন এবং ২ জুন রাতে দলবল নিয়ে একটা মাইক্রোবাসে চেপে ‘সর্বহারা’ ধরতে বের হলেন। তাঁরা সশস্ত্র ছিলেন।
মাঝরাতে এরকম একটা মাইক্রোবাস দ্রুতগতিতে যেতে দেখে পুলিশের সন্দেহ হয় এবং একটা পুলিশের গাড়ি মাইক্রোবাসটিকে ধাওয়া করে। পুলিশের সন্দেহ ছিল, ওই মাইক্রোবাসে ‘সর্বহারা’ বা অন্য কোনো ‘দুষ্কৃতকারী’ থাকতে পারে। পুলিশের গাড়ি থেকে মাইক্রোবাসে গুলি করা হয়। কামাল গুলিতে গুরুতর আহত হন। পুলিশ কামালকে শনাক্ত করে এবং তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
‘বেলা ১১টায় পুলিশের মহাপরিদর্শক আবদুর রহিম এনএসআইয়ের প্রধান মেসবাহউদ্দিনকে নিয়ে শেখ মুজিবের বাসায় যান এবং ঘটনার জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চান। শেখ মুজিব রহিমকে বলেন, ‘এতে দুঃখ প্রকাশের কী আছে? সে যদি মারাও যেত, তাহলেও আমার দুঃখ হতো না। কে তাকে মাঝরাতে দুষ্কৃতি ধরতে যেতে বলেছে? আমি তো তাকে হাসপাতালে দেখতেও যাইনি? আমাকে তোমরা কী মনে করো, মোনেম খান? (মোনেম খানের ছেলে খসরু রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে গুন্ডামি করত বলে অনেক অভিযোগ ছিল)’
‘আবদুর রহিমের ডায়েরি থেকে এস এ করিম এই ঘটনাটি তাঁর গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। শেখ মুজিব দুই দিন পর হাসপাতালে কামালকে দেখতে যান। ওই সময় একটা প্রচার ছিল যে, কামাল ‘বাংলাদেশ ব্যাংক’ লুট করতে যাচ্ছিলেন। অনেকেই এই প্রচারণা বিশ্বাস করেছিলেন। তাঁরা একটু ভেবে দেখলেন না, প্রধানমন্ত্রী-পুত্র চাইলে তাঁর পায়ের কাছে থলেভর্তি টাকা রেখে দেওয়ার লোকের অভাব ছিল না। তিনি কেন এত ঝুঁকি নিয়ে ব্যাংক লুট করতে যাবেন?’
@followersATeam’s Post