
অনলাইন মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনে তিন প্ল্যান, শুক্রবার ফয়সালা
শুক্রবার নয়া দিল্লিতে আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ২১ নেতাকে জরুরী বৈঠকে তলব করেছেন শেখ হাসিনা। যদিও আরেকটি সূত্র বলছে, অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ন ওই বৈঠকে আরো বেশি নেতানেত্রীকে ডাকা হয়েছে।
বৈঠকের বিষয় যাতে বাইরে না যায় এজন্যে অংশগ্রহণকারীদের মোবাইল ফোন, ঘড়িসহ ইলেকট্রনিক যেকোনো ডিভাইস সাথে নিতে দেয়া হবেনা। বিশেষ নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকছে ভারতের চৌকষ একদল গোয়েন্দা। এমনকি বৈঠকের স্থানটাও অংশগ্রহণকারীদের জানানো হচ্ছেনা। তবে অংশগ্রহণ করা নেতাদের মধ্যাহ্নভোজে আপ্যায়িত করার আয়োজন চলছে শেখ হাসিনার নির্দেশে। এই বৈঠকের দিকে নজর দিল্লিতে অবস্থানরত পশ্চিমা ও বিদেশী কূটনীতিকদের।
আওয়ামীলীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের কমিটিগুলো পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় এবার ২০২৪ সালের ৫ অগাষ্ট পরবর্তী সময়ে যারা ব্যাপক অবদান রেখেছেন – নির্যাতন সইছেন, তাঁরাই স্থান পাবেন। তৃণমূল নেতাকর্মীদেরও এবার মূল্যায়ন হবে। যেসব নেতানেত্রী বিদেশে বসে বিতর্কিত কাজকারবার করেছেন কিংবা নিশ্চুপ থেকেছেন, তাদের দলে কোনো পদপদবী পাওয়ার সম্ভাবনা একেবারেই নেই। তাছাড়া, আওয়ামীলীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কে কি করছেন, এসব গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে শেখ হাসিনার নিজস্ব মনিটরিং টিম।
আমাদের নতুন দিল্লি সংবাদদাতা জানান, স্থলপথে শেখ হাসিনা প্রত্যাবর্তন করলে পেট্রাপোল স্থলবন্দরে তিনি পা রাখার সময় তাঁর সাথে ভারত থেকে যোগ দেবেন কয়েক হাজার নেতাকর্মী এবং আন্তর্জাতিক মিডিয়ার বিশাল টিম। পুরো ঘটনা আন্তর্জাতিক একাধিক টিভি চ্যানেলে লাইভ সম্প্রচার হবে। বাংলাদেশের মাটিতে শেখ হাসিনা “বিসমিল্লাহ” বলে পা রাখার সাথে-সাথেই দেখা যাবে “রোড মার্চ টু টুঙ্গিপাড়া” লেখা অসংখ্য ব্যানার। ভারতপ্রান্তে বাজতে শুরু করবে ঢাকঢোল। এপারে গগনবিদারি শ্লোগান। উড়তে শুরু করবে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা।
জানা গেছে, দেশে প্রত্যাবর্তন সম্পর্কে মোট তিন প্ল্যান নিয়ে এগোচ্ছেন শেখ হাসিনা। এমনকি আকাশপথে ফেরার বিষয়টাও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে। তাঁর সাথে অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ন তিন থেকে পাঁচজন পশ্চিমা ব্যক্তিত্ব থাকবেন – আরো থাকবেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার গুরুত্বপুর্ন সদস্যরা। ওই সময়েই জাতিসংঘ থেকে সাবধানবাণী আসতে পারে, যাতে শেখ হাসিনার প্রতি কোনধরনের বেআইনি কোনোকিছুই না করা হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে আসতে পারে মৃ/ত্যুদণ্ডাদেশ বিরোধী বিবৃতি। তবে, সবচেয়ে নাটকীয় একটা টুইট আসতে পারে খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে।
সবমিলিয়ে গোটা বিষয়টা এমনভাবে সাজানো হচ্ছে যা এই মুহূর্তে অনেকের পক্ষেই কল্পনা করাও দুষ্কর।
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।





















