, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

শেখ হাসিনা নাকি তার অনুষ্ঠান নিয়মিত দেখত “

  • প্রকাশের সময় : ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৪ পড়া হয়েছে

অনলাইন শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬

হাসিনা নাকি তার অনুষ্ঠান নিয়মিত দেখত;
ডেইলি স্টারের কাছে এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই দাবি করেছিল শাইখ সিরাজ।
শাইখ সিরাজকে আমি যতটা না সাংবাদিক হিসেবে চিনি, তার চেয়ে বেশি চিনেছি শেখ হাসিনার আস্থাভাজন হিসেবে।
হাসিনার সাথে তার অসংখ্যবার একান্ত সাক্ষাৎ হইছে, ব্যক্তিগত আলাপ হইছে, হাসিনার সাথেবতার ভোজনবিলাস হইছে, শলা পরামর্শ হইছে ইত্যাদি৷ দ্য এগ্রো নিউজে সিরাজ এইসব কথা নিজেই বলেছে।
গণভবনে হাসিনারে তেল মারা ডকুমেন্টারি দেখে নাই এমন মানুষ হয়তো দেশে নাই। মিডিয়ায় মাফিয়াতন্ত্র কায়েমে যে কয়জয় হাসিনার বিশ্বস্ত সহযোগী ছিল, তাদের অন্যতম হইলো এই শাইখ সিরাজ।
গণ অভ্যুত্থানের পরে সিরাজদের জেলে থাকবার কথা ছিল। অথচ তারা এখনও মিডিয়ার নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে।
গতকাল চ্যানেল আইয়ের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে দেখলাম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সহ বিএনপির নেতারা কেক কাটছে সিরাজের সাথে এবং জামায়াতের ফাসির মঞ্চ থেকে ফিরে আসা এটিএম আজহার ও ফুল নিয়া হাজির হইছে সিরাজের দরবারে!!
যে মিডিয়ার মাফিয়াতন্ত্র দিয়া বিএনপি জামায়াতের বিরুদ্ধে তথ্যসন্ত্রাসের খেলা খেলেছে হাসিনা। আর হাসিনারে ভগবান হিসেবে উপস্থাপন করেছে যারা, তার সাথে ছবি তুলতে বিএনপি জামায়াতের কি একটুও লজ্জা করে না??
কথা ছিল মিডিয়ার সংস্কার হবে, কথা ছিল হলুদ সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক সন্ত্রাসীদেরকে বিচারের আওতায় আনা হবে। অথচ দুই দলই তাদের দরগাহয় গিয়া সেজদা দিয়া আসে!
শুয়োরেও নাকি শত্রু চেনে, চেনে না বিএনপি ও জামায়াত। একটা কথা লিইখা রাখেন, এই শাইখ সিরাজরাই একদিন বিএনপি জামায়াতকে ছুবল দেবে।

Md. Moniruzzaman’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

শেখ হাসিনা নাকি তার অনুষ্ঠান নিয়মিত দেখত “

প্রকাশের সময় : ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

অনলাইন শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬

হাসিনা নাকি তার অনুষ্ঠান নিয়মিত দেখত;
ডেইলি স্টারের কাছে এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই দাবি করেছিল শাইখ সিরাজ।
শাইখ সিরাজকে আমি যতটা না সাংবাদিক হিসেবে চিনি, তার চেয়ে বেশি চিনেছি শেখ হাসিনার আস্থাভাজন হিসেবে।
হাসিনার সাথে তার অসংখ্যবার একান্ত সাক্ষাৎ হইছে, ব্যক্তিগত আলাপ হইছে, হাসিনার সাথেবতার ভোজনবিলাস হইছে, শলা পরামর্শ হইছে ইত্যাদি৷ দ্য এগ্রো নিউজে সিরাজ এইসব কথা নিজেই বলেছে।
গণভবনে হাসিনারে তেল মারা ডকুমেন্টারি দেখে নাই এমন মানুষ হয়তো দেশে নাই। মিডিয়ায় মাফিয়াতন্ত্র কায়েমে যে কয়জয় হাসিনার বিশ্বস্ত সহযোগী ছিল, তাদের অন্যতম হইলো এই শাইখ সিরাজ।
গণ অভ্যুত্থানের পরে সিরাজদের জেলে থাকবার কথা ছিল। অথচ তারা এখনও মিডিয়ার নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে।
গতকাল চ্যানেল আইয়ের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে দেখলাম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সহ বিএনপির নেতারা কেক কাটছে সিরাজের সাথে এবং জামায়াতের ফাসির মঞ্চ থেকে ফিরে আসা এটিএম আজহার ও ফুল নিয়া হাজির হইছে সিরাজের দরবারে!!
যে মিডিয়ার মাফিয়াতন্ত্র দিয়া বিএনপি জামায়াতের বিরুদ্ধে তথ্যসন্ত্রাসের খেলা খেলেছে হাসিনা। আর হাসিনারে ভগবান হিসেবে উপস্থাপন করেছে যারা, তার সাথে ছবি তুলতে বিএনপি জামায়াতের কি একটুও লজ্জা করে না??
কথা ছিল মিডিয়ার সংস্কার হবে, কথা ছিল হলুদ সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক সন্ত্রাসীদেরকে বিচারের আওতায় আনা হবে। অথচ দুই দলই তাদের দরগাহয় গিয়া সেজদা দিয়া আসে!
শুয়োরেও নাকি শত্রু চেনে, চেনে না বিএনপি ও জামায়াত। একটা কথা লিইখা রাখেন, এই শাইখ সিরাজরাই একদিন বিএনপি জামায়াতকে ছুবল দেবে।

Md. Moniruzzaman’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।