, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

সাড়ে ৪ হাজার ভোটে হেরে যাওয়া লোকটা সাড়ে ৭ বছর পর জিএস…

  • প্রকাশের সময় : ১১:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪৩ পড়া হয়েছে

অনলাইন মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাড়ে ৪ হাজার ভোটে হেরে যাওয়া লোকটা সাড়ে ৭ বছর পর জিএস…
২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে গোলাম রাব্বানী পান ১০,৪৮৪ ভোট, রাশেদ খাঁন ৬,০৬৩।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট সাড়ে ৭ বছর পর এসে রাশেদ খাঁনকেই সেই নির্বাচনের ‘বিজয়ী’ ঘোষণা করল, কারণ ২০২৬-এ রাব্বানীর এমফিলের ছাত্রত্ব বাতিল হয়েছে।
একটা একাডেমিক শাস্তি, আর একটা নির্বাচনী ফল। দুটো সম্পূর্ণ ভিন্ন এখতিয়ারের বিষয়। ছাত্রত্ব বাতিলের ক্ষমতা একাডেমিক কাউন্সিলের। নির্বাচনের ফল বদলানোর ক্ষমতা সিন্ডিকেটকে কোন বিধিতে দেওয়া, তার জবাব নেই।
তারপরও সিদ্ধান্তটা বৈধ ধরে নিলেও, প্রশ্ন দাঁড়ায় আরও গোড়ায়। রাশেদ খাঁনকে কোন মেয়াদের জিএস বানানো হলো? ২০১৯ সালের ধরলে, সেই সংসদের মেয়াদই ফুরিয়েছে ছয় বছর আগে। নতুন মেয়াদ ধরলে, এটা সংশোধন নয়, নতুন নিয়োগ। আর নতুন নিয়োগের এখতিয়ার সিন্ডিকেটের নয়, নির্বাচনের।
আর রাব্বানীর পুরো মেয়াদটাই যদি এখন ‘অবৈধ’ গণ্য হয়, তাহলে সাত বছর ধরে যেসব সভায় বসেছেন, যেসব সিদ্ধান্তে সই করেছেন, সেগুলোর কী হবে?
তিন দিকেই সিদ্ধান্তটা নিজের পায়ে নিজে দাঁড়াতে পারছে না।
এখানে ঠিকই দাঁড়িয়ে গেছে, যুক্তি-নজির-বিধির জোরে নয়, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হওয়ার জোরে।

Hossain Thoufique Ifthekher’s Post

 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।
জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

সাড়ে ৪ হাজার ভোটে হেরে যাওয়া লোকটা সাড়ে ৭ বছর পর জিএস…

প্রকাশের সময় : ১১:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনলাইন মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাড়ে ৪ হাজার ভোটে হেরে যাওয়া লোকটা সাড়ে ৭ বছর পর জিএস…
২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে গোলাম রাব্বানী পান ১০,৪৮৪ ভোট, রাশেদ খাঁন ৬,০৬৩।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট সাড়ে ৭ বছর পর এসে রাশেদ খাঁনকেই সেই নির্বাচনের ‘বিজয়ী’ ঘোষণা করল, কারণ ২০২৬-এ রাব্বানীর এমফিলের ছাত্রত্ব বাতিল হয়েছে।
একটা একাডেমিক শাস্তি, আর একটা নির্বাচনী ফল। দুটো সম্পূর্ণ ভিন্ন এখতিয়ারের বিষয়। ছাত্রত্ব বাতিলের ক্ষমতা একাডেমিক কাউন্সিলের। নির্বাচনের ফল বদলানোর ক্ষমতা সিন্ডিকেটকে কোন বিধিতে দেওয়া, তার জবাব নেই।
তারপরও সিদ্ধান্তটা বৈধ ধরে নিলেও, প্রশ্ন দাঁড়ায় আরও গোড়ায়। রাশেদ খাঁনকে কোন মেয়াদের জিএস বানানো হলো? ২০১৯ সালের ধরলে, সেই সংসদের মেয়াদই ফুরিয়েছে ছয় বছর আগে। নতুন মেয়াদ ধরলে, এটা সংশোধন নয়, নতুন নিয়োগ। আর নতুন নিয়োগের এখতিয়ার সিন্ডিকেটের নয়, নির্বাচনের।
আর রাব্বানীর পুরো মেয়াদটাই যদি এখন ‘অবৈধ’ গণ্য হয়, তাহলে সাত বছর ধরে যেসব সভায় বসেছেন, যেসব সিদ্ধান্তে সই করেছেন, সেগুলোর কী হবে?
তিন দিকেই সিদ্ধান্তটা নিজের পায়ে নিজে দাঁড়াতে পারছে না।
এখানে ঠিকই দাঁড়িয়ে গেছে, যুক্তি-নজির-বিধির জোরে নয়, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হওয়ার জোরে।

Hossain Thoufique Ifthekher’s Post

 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।