, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

সাবিনা আক্তার তুহিন আপার নিঃ শর্ত মুক্তি চাই।

  • প্রকাশের সময় : ০৪:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
  • ৮ পড়া হয়েছে
অনলাইন শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
দল প্রেমী,কর্মীবান্ধব, রাজপথের অগ্নিকন্যা,
বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের, সভাপতি, মহানগর উত্তর, সাবে, ৫ ই আগস্টের পর নিজের নেতৃত্বে, পাগল হয়ে ছুটেছি, নেত্রীকে হারিয়ে বুঝতে পেরেছি, বাংলাদেশের কত বড় সম্পদ হারিয়েছি, তাই যে যেখানে যেভাবেই বলতেন সেভাবেই ছুটে যেতাম, বিশেষ করে নিজের নেতৃত্বে নিজেই একা একা খুঁজে বের করতাম কোথায় মিছিল কোথায় মিটিং,
তুহিন আপুর সাথে কয়েকটা গ্রুপ মিটিংয়ে এডমিন বা সঞ্চালনায় ছিলাম, জারি ধারাবাহিকতায়, তুহিন আপুর সাথে আমার বন্ডিং টা বেশ মজবুত হয়, পাগলায় পাগলায় যখন মন মিলে যায় তখন সম্পর্কটা আরও বেশি গভীর হয়, তাই আপুর ডাকে বেশ কয়েকটা মিছিল মিটিংয়ে আমি গিয়েছি, এবং আপু আমাকে, আর্থিক সহযোগিতা করার জন্য অনেক চেষ্টা করেছে, কিন্তু তখন আমার প্রয়োজন হয়নি, আপুকে বলেছিলাম যদি কখনো প্রয়োজন হয় চেয়ে নিব, এরই মধ্যে শেরেবাংলা নগরে একটি মিছিল, লিলি আপুর নির্দেশে,
কামরুন নাহার সুমি আপু, এবং মিশু আপুর নেতৃত্বে সে মিছিল টা, আমরা করে বাসায় ফিরতে সক্ষম হই, কিন্তু মিছিলটা অতিরিক্ত ভাইরাল হওয়ার কারণে, বেশ কিছু পুলিশ অফিসারদের, বিশ্ব বাটপার সুদখোর ইউনুস, তাদেরকে বহিষ্কার করে এবং, এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ট্রান্সফার করে, তাই ডিবি পুলিশ প্রশাসনের লোক ক্ষিপ্ত হয়ে, আমাদেরকে খুঁজে বের করে,
জেল হযরতে প্রেরণ করে,
তখন এই, তুহিন আপু আমার পরিবারের সাথে যোগাযোগ রাখে, এবং তার সমর্থ্য অনুযায়ী কিছু সহযোগিতা করে পাশে থাকার চেষ্টা করে,
এরই মধ্যে তিনিও অ্যারেস্ট হয়ে যান, এই জঙ্গি জামাত-শিবির বিএনপির সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়ে,
আজ দু বছর হতে চলল, একটার পর একটা মিথ্যে মামলা দিয়ে, এই কর্মীবান্ধব নেত্রীকে বন্দি রাখা হয়েছে,
কাশিমপুর জেলে পাশাপাশি একই সাথে থাকা গান করা, মিষ্টি সময় কাটিয়েছি আপুর সাথে, জেল পার্টনার হিসেবে পাশে পেয়ে, শত কষ্টের মাঝেও, কিছুটা হলেও ভালো থেকেছি, যারা জেল হাজতে থাকে, তারা বুঝতে পারে বাহিরের একজন লোক খোঁজখবর নিলে কত ভালো লাগে, আর্থিক সহযোগিতার থেকেও, পরিবারের সাথে যোগাযোগ রাখা খোঁজখবর নেওয়াটাই বড়, একটা ভূমিকা, আর ওই সময় ৫ টাকা দিয়ে সহযোগিতা করা অনেক কিছু,
৫ ই আগস্ট এর পরে বুঝতে পেরেছি কে আপন কে পর,
একজন মানুষের একটা মামলা জামিন করাতে যদি ১০-১২ লক্ষ টাকা প্রয়োজন হয়,
শেখানো হয় তো বা বাহিরের লোক সর্বোচ্চ সবাই মিলে, খুব বেশি হলে ২০-৩০ বা পঞ্চাশ হাজার টাকায় সহযোগিতা করল, সেটাও অনেক বড় কিছু, বিপদের সময়,
কিন্তু এই দুঃসময়ে সব চাইতে বড় ভূমিকা পালন করে একটি পরিবার, টাকা পয়সার থেকেও রাস্তাঘাটে বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হওয়া, ইত্যাদি ইত্যাদি ঝামেলার সম্মুখীন হয় একটি পরিবার।
যাই হোক তুহিন আপার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ,
Meghla Chowdhury Meghla Ratna’s Post
 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।
জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

সাবিনা আক্তার তুহিন আপার নিঃ শর্ত মুক্তি চাই।

প্রকাশের সময় : ০৪:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
অনলাইন শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
দল প্রেমী,কর্মীবান্ধব, রাজপথের অগ্নিকন্যা,
বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের, সভাপতি, মহানগর উত্তর, সাবে, ৫ ই আগস্টের পর নিজের নেতৃত্বে, পাগল হয়ে ছুটেছি, নেত্রীকে হারিয়ে বুঝতে পেরেছি, বাংলাদেশের কত বড় সম্পদ হারিয়েছি, তাই যে যেখানে যেভাবেই বলতেন সেভাবেই ছুটে যেতাম, বিশেষ করে নিজের নেতৃত্বে নিজেই একা একা খুঁজে বের করতাম কোথায় মিছিল কোথায় মিটিং,
তুহিন আপুর সাথে কয়েকটা গ্রুপ মিটিংয়ে এডমিন বা সঞ্চালনায় ছিলাম, জারি ধারাবাহিকতায়, তুহিন আপুর সাথে আমার বন্ডিং টা বেশ মজবুত হয়, পাগলায় পাগলায় যখন মন মিলে যায় তখন সম্পর্কটা আরও বেশি গভীর হয়, তাই আপুর ডাকে বেশ কয়েকটা মিছিল মিটিংয়ে আমি গিয়েছি, এবং আপু আমাকে, আর্থিক সহযোগিতা করার জন্য অনেক চেষ্টা করেছে, কিন্তু তখন আমার প্রয়োজন হয়নি, আপুকে বলেছিলাম যদি কখনো প্রয়োজন হয় চেয়ে নিব, এরই মধ্যে শেরেবাংলা নগরে একটি মিছিল, লিলি আপুর নির্দেশে,
কামরুন নাহার সুমি আপু, এবং মিশু আপুর নেতৃত্বে সে মিছিল টা, আমরা করে বাসায় ফিরতে সক্ষম হই, কিন্তু মিছিলটা অতিরিক্ত ভাইরাল হওয়ার কারণে, বেশ কিছু পুলিশ অফিসারদের, বিশ্ব বাটপার সুদখোর ইউনুস, তাদেরকে বহিষ্কার করে এবং, এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ট্রান্সফার করে, তাই ডিবি পুলিশ প্রশাসনের লোক ক্ষিপ্ত হয়ে, আমাদেরকে খুঁজে বের করে,
জেল হযরতে প্রেরণ করে,
তখন এই, তুহিন আপু আমার পরিবারের সাথে যোগাযোগ রাখে, এবং তার সমর্থ্য অনুযায়ী কিছু সহযোগিতা করে পাশে থাকার চেষ্টা করে,
এরই মধ্যে তিনিও অ্যারেস্ট হয়ে যান, এই জঙ্গি জামাত-শিবির বিএনপির সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়ে,
আজ দু বছর হতে চলল, একটার পর একটা মিথ্যে মামলা দিয়ে, এই কর্মীবান্ধব নেত্রীকে বন্দি রাখা হয়েছে,
কাশিমপুর জেলে পাশাপাশি একই সাথে থাকা গান করা, মিষ্টি সময় কাটিয়েছি আপুর সাথে, জেল পার্টনার হিসেবে পাশে পেয়ে, শত কষ্টের মাঝেও, কিছুটা হলেও ভালো থেকেছি, যারা জেল হাজতে থাকে, তারা বুঝতে পারে বাহিরের একজন লোক খোঁজখবর নিলে কত ভালো লাগে, আর্থিক সহযোগিতার থেকেও, পরিবারের সাথে যোগাযোগ রাখা খোঁজখবর নেওয়াটাই বড়, একটা ভূমিকা, আর ওই সময় ৫ টাকা দিয়ে সহযোগিতা করা অনেক কিছু,
৫ ই আগস্ট এর পরে বুঝতে পেরেছি কে আপন কে পর,
একজন মানুষের একটা মামলা জামিন করাতে যদি ১০-১২ লক্ষ টাকা প্রয়োজন হয়,
শেখানো হয় তো বা বাহিরের লোক সর্বোচ্চ সবাই মিলে, খুব বেশি হলে ২০-৩০ বা পঞ্চাশ হাজার টাকায় সহযোগিতা করল, সেটাও অনেক বড় কিছু, বিপদের সময়,
কিন্তু এই দুঃসময়ে সব চাইতে বড় ভূমিকা পালন করে একটি পরিবার, টাকা পয়সার থেকেও রাস্তাঘাটে বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হওয়া, ইত্যাদি ইত্যাদি ঝামেলার সম্মুখীন হয় একটি পরিবার।
যাই হোক তুহিন আপার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ,
Meghla Chowdhury Meghla Ratna’s Post
 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।