, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের ১৭২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ, দুদকের চার্জশিট

  • প্রকাশের সময় : ০৫:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪৫ পড়া হয়েছে

অনলাইন বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,

সাবেক আইনমন্ত্রী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আনিসুল হকের সম্পদের হিসাবের বাইরে বেরিয়ে এসেছে আরও তিনজন। তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ছোট ভাইয়ের স্ত্রী, ভাগ্নে ও কাজিন পরিচয়ধারী এক ব্যক্তির নামে ৮৪ কোটি ৫ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। নিজের নামে থাকা সম্পদসহ মোট ১৭২ কোটি ২৪ লাখ ৩২ হাজার ৯৪১ টাকা জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

এ ঘটনায় আনিসুল হকসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে দুদক।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুদক প্রধান কার্যালয়ে নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে কমিশনের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান এসব তথ্য জানান।

দুদকের তদন্তে আনিসুল হকের স্বনামে ও বেনামে মোট ১৮০ কোটি ৮৫ লাখ ৭৩ হাজার ৮৮১ টাকা মূল্যের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। এর বিপরীতে বৈধ আয় থেকে পারিবারিক ব্যয় বাদ দিয়ে তার নিট গ্রহণযোগ্য আয় ৮ কোটি ৬১ লাখ ৪০ হাজার ৯৪০ টাকা। ফলে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৭২ কোটি ২৪ লাখ ৩২ হাজার ৯৪১ টাকা।

তদন্তে আনিসুল হকের নিজ নামে ৯৬ কোটি ৮০ লাখ ৬৬ হাজার ৮৮০ টাকা মূল্যের সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। পাশাপাশি তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট তিন  ব্যক্তির নামে আরও ৮৪ কোটি ৫ লাখ ৭ হাজার ১ টাকা মূল্যের সম্পদের সন্ধান মিলেছে।

তাদের মধ্যে আনিসুল হকের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী জেবুন্নেসা বেগম হকের নামে ২৩ কোটি ৩২ লাখ ২ হাজার ৩২১ টাকা, ভাগ্নে শেখ মো. ইফতেখারুল ইসলামের নামে ২০ কোটি ৭১ লাখ ৮১ হাজার ৪৪৪ টাকা এবং কাজিন পরিচয়ধারী মোহাম্মদ ইকবালের নামে ৪০ কোটি ১ লাখ ২৩ হাজার ২৩৬ টাকা মূল্যের অস্থাবর সম্পদ রয়েছে।

জেবুন্নেসা বেগম হকের নামে থাকা সম্পদের মধ্যে সিটিজেনস ব্যাংকের ১০ কোটি টাকার শেয়ার ও ১৩ কোটি টাকার এফডিআর রয়েছে। শেখ মো. ইফতেখারুল ইসলামের নামে সিটিজেনস ব্যাংকের ২০ কোটি টাকার বেশি শেয়ার এবং মোহাম্মদ ইকবালের নামে ৪০ কোটি টাকার বেশি শেয়ার রয়েছে বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে।

তদন্তে আনিসুল হক, জেবুন্নেসা বেগম হক কলি, শেখ মো. ইফতেখারুল ইসলাম ও মোহাম্মদ ইকবালের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা, দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধের তথ্য পাওয়া গেছে।

২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার বাদী ও তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম। তদন্ত শেষে আনিসুল হকের পাশাপাশি তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী জেবুন্নেসা বেগম হক কলি, ভাগ্নে শেখ মো. ইফতেখারুল ইসলাম এবং কাজিন পরিচয়ধারী মোহাম্মদ ইকবালকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের ১৭২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ, দুদকের চার্জশিট

প্রকাশের সময় : ০৫:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনলাইন বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,

সাবেক আইনমন্ত্রী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আনিসুল হকের সম্পদের হিসাবের বাইরে বেরিয়ে এসেছে আরও তিনজন। তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ছোট ভাইয়ের স্ত্রী, ভাগ্নে ও কাজিন পরিচয়ধারী এক ব্যক্তির নামে ৮৪ কোটি ৫ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। নিজের নামে থাকা সম্পদসহ মোট ১৭২ কোটি ২৪ লাখ ৩২ হাজার ৯৪১ টাকা জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

এ ঘটনায় আনিসুল হকসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে দুদক।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুদক প্রধান কার্যালয়ে নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে কমিশনের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান এসব তথ্য জানান।

দুদকের তদন্তে আনিসুল হকের স্বনামে ও বেনামে মোট ১৮০ কোটি ৮৫ লাখ ৭৩ হাজার ৮৮১ টাকা মূল্যের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। এর বিপরীতে বৈধ আয় থেকে পারিবারিক ব্যয় বাদ দিয়ে তার নিট গ্রহণযোগ্য আয় ৮ কোটি ৬১ লাখ ৪০ হাজার ৯৪০ টাকা। ফলে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৭২ কোটি ২৪ লাখ ৩২ হাজার ৯৪১ টাকা।

তদন্তে আনিসুল হকের নিজ নামে ৯৬ কোটি ৮০ লাখ ৬৬ হাজার ৮৮০ টাকা মূল্যের সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। পাশাপাশি তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট তিন  ব্যক্তির নামে আরও ৮৪ কোটি ৫ লাখ ৭ হাজার ১ টাকা মূল্যের সম্পদের সন্ধান মিলেছে।

তাদের মধ্যে আনিসুল হকের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী জেবুন্নেসা বেগম হকের নামে ২৩ কোটি ৩২ লাখ ২ হাজার ৩২১ টাকা, ভাগ্নে শেখ মো. ইফতেখারুল ইসলামের নামে ২০ কোটি ৭১ লাখ ৮১ হাজার ৪৪৪ টাকা এবং কাজিন পরিচয়ধারী মোহাম্মদ ইকবালের নামে ৪০ কোটি ১ লাখ ২৩ হাজার ২৩৬ টাকা মূল্যের অস্থাবর সম্পদ রয়েছে।

জেবুন্নেসা বেগম হকের নামে থাকা সম্পদের মধ্যে সিটিজেনস ব্যাংকের ১০ কোটি টাকার শেয়ার ও ১৩ কোটি টাকার এফডিআর রয়েছে। শেখ মো. ইফতেখারুল ইসলামের নামে সিটিজেনস ব্যাংকের ২০ কোটি টাকার বেশি শেয়ার এবং মোহাম্মদ ইকবালের নামে ৪০ কোটি টাকার বেশি শেয়ার রয়েছে বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে।

তদন্তে আনিসুল হক, জেবুন্নেসা বেগম হক কলি, শেখ মো. ইফতেখারুল ইসলাম ও মোহাম্মদ ইকবালের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা, দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধের তথ্য পাওয়া গেছে।

২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার বাদী ও তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম। তদন্ত শেষে আনিসুল হকের পাশাপাশি তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী জেবুন্নেসা বেগম হক কলি, ভাগ্নে শেখ মো. ইফতেখারুল ইসলাম এবং কাজিন পরিচয়ধারী মোহাম্মদ ইকবালকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।